সার্কিট হাউজে মতবিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সন্ত্রাসীরা যাদেরই আশ্রয়ে থাকুক, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সন্ত্রাসীরা যাদেরই আশ্রয়ে থাকুক না কেন, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার দুপুর দেড়টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে মতবিনিময় সভায়

সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে কার্যকরভাবে এবং জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী। সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা নির্মূল করতে হবে। রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে যারা চ্যালেঞ্জ করার মতো দুঃসাহস দেখিয়েছে, তাদের আশ্রয়স্থল কোথায় আমরা দেখতে চাই। তাদের সর্বশেষ আস্তানাও আমরা নির্মূল করব।তিনি বলেন, সাম্প্রতিক অভিযানে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, সামরিক বাহিনী ও হেলিকপ্টারসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে অংশ নিয়েছে। প্রায় চার হাজার সদস্যের যৌথবাহিনী এখানে কাজ করেছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রের সব বাহিনী জনগণের নিরাপত্তা ও জনস্বার্থে কাজ করবে। আমাদের প্রথম লক্ষ্য এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা। সন্ত্রাসীরা যাদেরই আশ্রয়ে থাকুক না কেন, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর এবং আশপাশের এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, সরকারি স্থাপনা নির্মাণ ও দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। সম্ভাব্য নতুন কারাগার স্থাপনের স্থানও পরিদর্শন করা হয়েছে। তবে এলাকাবাসীকে উচ্ছেদ করা হবে না এবং যাদের পুনর্বাসনের প্রয়োজন হবে তাদের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। গণমাধ্যমের প্রতি সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, আপনারা যদি সঠিক তথ্য দেন এবং সহযোগিতা করেন, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য তা অত্যন্ত সহায়ক হবে। জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন, বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দিন, সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্রমুখ।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে চট্টগ্রামের লিংক রোডের পাশে জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকা পরিদর্শনে যান। সেখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে বাস্তব পরিস্থিতি সরজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, এখানকার অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তবে জঙ্গল সলিমপুরের স্থানীয় প্রকৃত অধিবাসীদের কাউকেই উচ্ছেদ করা হবে না। তাদের কীভাবে পুনর্বাসন করা যায়, সরকার সেই ব্যবস্থা করবে।
তিনি বলেন, এই আলীনগর-জঙ্গল সলিমপুর, এই জায়গাটা আর কোনো বিচ্ছিন্ন সন্ত্রাসীদের এলাকা থাকবে না, অভয়ারণ্য থাকবে না। এর আশেপাশে দুইটা পাহাড় টিলা শ্রেণী আছে-একটা হচ্ছে বেতুয়া আরেকটা চা-বাগান।এই এরিয়াতেও সন্ত্রাসীদের আনাগোনা আছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেখান থেকেও তাদেরকে উচ্ছেদ করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাঁড়াশি এবং যৌথ অভিযানের মাধ্যমে, পরিকল্পিত অভিযানের মাধ্যমে সারা দেশব্যাপী মাদক, সন্ত্রাস, জুয়া এবং চাঁদাবাজি-এই চারটাকে আমরা অ্যাড্রেস করেছি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে। এগুলোকে আমরা নির্মূল করার চেষ্টা করব এবং তার জন্য আমরা আইনি সংস্কার করছি। কারণ দেখা যায়, ১৮৬৭ সনের জুয়া আইনের মধ্য দিয়ে জুয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না; এখন অনলাইন জুয়া, অফলাইন জুয়া, বিভিন্ন রকমের মডারেট জুয়া এবং বেটিং চালু হয়েছে অনেক বছর আগে থেকে। এগুলোকে আমরা কখনোই আইনিভাবে অ্যাড্রেস করতে পারছি না। কারণ আইনটাই নেই অথবা আইনটাই দুর্বল। সেই আইনটা আমরা আগামী সেশনে পার্লামেন্টে নিয়ে আসার চেষ্টা করব, তাহলে আইনি কাঠামোগতভাবে এগুলোকে আমরা অ্যাড্রেস করব।

তিনি বলেন, একই সাথে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে আমরা যাতে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করতে পারি সেই সংশোধনীটাও আনব। এখানে হাজার হাজার মাদকের মামলা আছে যেগুলো বছরের পর বছর পেন্ডিং হয়ে আছে, সেগুলো নিষ্পত্তি হবে। এইভাবে আমরা আমাদের দেশকে বাঁচাতে পারি, যুব সমাজকে বাঁচাতে পারি।

আর কিশোর গ্যাংয়ের যে উৎপাত হয়েছে সেটার জন্য আমাদের কিছুটা আইনি সংস্কার আনতে হবে। কিশোর গ্যাং বলতে কত বয়স পর্যন্ত তাদেরকে কিভাবে কী সুবিধা দেয়া যায়, কারণ আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে কিশোরদের যে সুবিধা আছে (জুভেনাইল ডিলিনকোয়েন্সি) সেটা তারা নিচ্ছে। এই কিশোররা যারা কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত তারা আক্রমণাত্মক ও ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসীতে পরিণত হচ্ছে। সুতরাং এখানে আইনের সংস্কার দরকার আছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে একটি জাতীয় সংসদ ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন করেছে। গঠিত এ কমিটি প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়ন ও সংশোধনী প্রক্রিয়ায় কাজ করবে।বিরোধী দলকে সদস্য মনোনয়নের আহ্বান জানানো হলেও তারা কোনো নাম দেয়নি।


সোমবার ১৩ জুলাই রাতে সংসদে এ কমিটি গঠন করা হয়।সংসদ নেতা তারেক রহমানের পক্ষে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। এ কমিটি ১৭ সদস্যের হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বিরোধী দলকে ৫ জনের নাম দেয়ার অনুরোধ করা হলেও তারা কারও নাম দেয়নি। একারনে ১২ সদস্যের সংবিধান সংশোধন কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অপর সদস্যরা হলেন- বিএনপির সংসদ চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদিন, মীর হেলাল উদ্দিন, ফারজানা শারমিন, শাকিলা ফারজানা, মাহমুদুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের সংসদ সদস্য জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ, গণঅধিকার পরিষদের সংসদ সদস্য নুরুল হক নুর এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সংসদ সদস্য মো. অলিউল্লাহ।

চট্টগ্রামে সড়ক ছেড়েছেন চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীরা, জানালেন ৭ দফা দাবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্যাকবলিত এলাকায় এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সামনে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যানের কাছে ৭ দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি দেন এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও জানান। একই সঙ্গে মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যে দাবিগুলোর বিষয়ে সন্তোষজনক সিদ্ধান্ত না এলে নতুন কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

এর আগে সকাল ১১টা থেকে নগরের মুরাদপুরে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন এইচএসসি ২০২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। পরে তারা শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন। পরে বিকেল ৪টার দিকে সড়ক ছাড়েন শিক্ষার্থীরা।

আমিনুল ইসলাম শাকিল নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা শিক্ষাবোর্ডে ৭ দফা দাবি জানিয়েছি। তারা বিকেল ৩টার মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানোর কথা ছিল। কিন্তু এখনও জানায়নি। দাবি না মানলে আমরা রাতে কর্মসূচি ঘোষণা করবো।

এদিকে বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষাবোর্ড কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা কিছু সময়ের জন্য শিক্ষাবোর্ডের কার্যালয়ে প্রবেশে বাধা দেন।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, ১৩ জুলাই বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের আওতাধীন বহু পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হতে পারেননি। একইসঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ত্রুটি ও অসঙ্গতির অভিযোগও সামনে এসেছে। এতে শিক্ষার্থীরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছেন এবং তাদের শিক্ষাজীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে- দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অবশিষ্ট এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা, প্রশ্নপত্রের মান ও পাঠ্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা, ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্নপত্রের উত্তরপত্র ন্যায্যভাবে মূল্যায়ন করা এবং প্রশ্ন প্রণয়নে দায়িত্বে অবহেলার সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনা।

এছাড়া শিক্ষার্থীদের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকা, সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ গ্রহণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া, প্রবেশপত্র ও নিবন্ধনপত্র পুনঃইস্যুর ব্যবস্থা করা এবং অবশিষ্ট পরীক্ষার জন্য বাস্তবসম্মত নতুন রুটিন প্রণয়নের দাবিও জানানো হয়।

বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকায় অনেক পরীক্ষার্থী পানি ও দুর্যোগের কারণে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি। এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তনের দাবি জানানো হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে তারা রাজপথে নেমেছেন।

তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ, ন্যায্যতা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি জনআস্থা বজায় রাখতে তাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বন্যাকবলিত এলাকার পরীক্ষাগুলো পুনর্র্নিধারণ এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও জানান তারা।

আলোচিত খবর

সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আর নেই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক স্পিকার, সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার
ইন্তেকাল করেছেন।ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।l

আজ রোববার ১২ জুলাই ফজরের সময় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৯৫ বছর। তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক ও আইনজীবী জীবনে দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র, আইন অঙ্গন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন। বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

তাঁর মৃত্যুতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর জানাজা ও দাফনের সময়সূচি পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ