আজঃ মঙ্গলবার ২ জুন, ২০২৬

পটিয়া প্রেস ক্লাবের নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন: সভাপতি নুর হোসেন, সম্পাদক রবিউল হোসেন

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পেশাগত ঐক্য, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং গণমাধ্যমের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার প্রত্যয়ে পটিয়া প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (১ জুন) বিকেলে পটিয়া প্রেস ক্লাবের হলরুমে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠন করা হয়। সভায় উপস্থিত সদস্যরা সাংবাদিকদের স্বার্থরক্ষা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে নতুন নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন।

নবগঠিত কমিটিতে দৈনিক ইনকিলাবের পটিয়া প্রতিনিধি নুর হোসেন সভাপতি এবং দৈনিক আমার দেশের পটিয়া প্রতিনিধি রবিউল হোসেন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি এটিএম তোহা (দৈনিক ইত্তেফাক),
সহ-সভাপতি আবেদুজ্জামান আমেরী (দৈনিক যুগান্তর),
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউছার আলম (দৈনিক কালের কণ্ঠ), অর্থ সম্পাদক বিকাশ চৌধুরী (দৈনিক জনকণ্ঠ),
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রনি কান্তি দেব (বিজয় টিভি), দপ্তর সম্পাদক মোরশেদ আলম (নাগরিক টিভি),
ক্রীড়া সম্পাদক শহীদুল ইসলাম (এশিয়ান টিভি),
আপ্যায়ন ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মহিউদ্দিন চৌধুরী (দেশ টিভি)।

কার্যকরী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মাস্টার শফিউল আলম, গোলাম কাদের (চট্টগ্রাম মঞ্চ), আ ন ম সেলিম (দেশ রূপান্তর), ওসমান গনি (বৈশাখী টেলিভিশন), গিয়াস উদ্দিন (সাঙ্গু)।

সভায় নবনির্বাচিত সভাপতি নুর হোসেন বলেন, পটিয়া প্রেস ক্লাবকে একটি শক্তিশালী, পেশাদার ও দায়িত্বশীল সাংবাদিক সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা সবাই মিলে কাজ করবো। সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চার পরিবেশ নিশ্চিত করাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন বলেন, পটিয়ার সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা ও পেশাগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে নতুন কমিটি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। সকল সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে একটি আধুনিক ও প্রাণবন্ত প্রেস ক্লাব গড়ে তোলার চেষ্টা থাকবে।

সভায় বক্তারা বলেন, গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ। তাই পেশাগত নীতি-নৈতিকতা বজায় রেখে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পটিয়ার উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আরও জোরালোভাবে জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। জরুরি সভা শেষে নবগঠিত কমিটির সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং পটিয়া প্রেস ক্লাবের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিশ্ব বাইসাইকেল দিবসের স্বীকৃতির আগেই সাইক্লিস্টদের অধিকার আন্দোলনে পথচলা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পৃথিবীতে যখন বিশ্ব বাইসাইকেল দিবসের কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ছিল না, তখনও নানা ধরনের দিবস পালিত হতো। বিশ্ব গাধা দিবস থেকে শুরু করে বিশ্ব ডিম দিবস, বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস সহ অসংখ্য দিবস পালন করা হয়।কিন্তু দুঃখজনকভাবে ২০১০ সালের দিকে সাইক্লিস্টদের জন্য কোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃত দিবস ছিল না।

এই বাস্তবতা থেকেই দেশের সাইক্লিস্টদের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন কিছু স্বপ্নবাজ মানুষ। বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস প্রতিষ্ঠার দাবিকে সামনে রেখে এ.আই. টুববুসের নেতৃত্বে বিডি ক্লিক দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল।

সাইকেলবান্ধব নগরী গঠন এবং নিরাপদ সাইকেল অবকাঠামোর দাবিতে ২০১১ সালের এপ্রিল মাসের প্রথম শুক্রবার “সাইকেল লেন দিবস” পালন করা হয়। এর মাধ্যমে সাইক্লিস্টদের নিরাপদ চলাচল, পৃথক সাইকেল লেন নির্মাণ এবং পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে এই আন্দোলন আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করে।

এই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন ,ঢাকা সাইক্লিং ক্লাবের মরহুম মাসুম, বাংলাদেশ সাইকেল ফেডারেশনের সভাপতি মিজানুর রহমান মানু, গিনিস রেকর্ড প্রাপ্ত
জুবাইরা রহমান নিলু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাইক্লিং ক্লাব, লাল সবুজ সাইক্লিং ক্লাবের মাজহারুল ইসলাম তারেক, কেরানীগঞ্জ সাইক্লিস্টের ,সভাপতি ,শাকিলু রহমান শাকিল, কেরানীগঞ্জ সাইক্লিং ক্লাবের সভাপতি কালিম সান্টু, WBB ট্রাস্ট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাইক্লিং ক্লাব , সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সাইকেলপ্রেমী মানুষ।
তাদের উদ্দেশ্য ছিল একটাই—সাইকেলকে শুধু বিনোদনের বাহন হিসেবে নয়, বরং পরিবেশবান্ধব, স্বাস্থ্যসম্মত এবং টেকসই যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।

এই দাবি সামনে এনে সচেতনতা গড়ে তুলতে গিয়ে নানা সময়ে কটাক্ষ, উপহাস ও অবহেলার শিকার হতে হয়েছে। বর্তমানের অনেক প্রতিষ্ঠিত সাইক্লিস্ট সংগঠনও প্রথমদিকে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়নি। কেউ কেউ উৎসাহ দিলেও পরে সরে গিয়েছেন। অনেকে এটিকে হাস্যরসের বিষয় হিসেবেও দেখেছেন। কিন্তু এ.আই. টুববুস থেমে যাননি। দৃঢ় বিশ্বাস, অধ্যবসায় ও ভালোবাসা নিয়ে তিনি সাইক্লিস্টদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে গেছেন অবিরাম।

এ.আই. টুববুস বলেন, “সাইক্লিং যাতায়াতের মাধ্যমে ব্যক্তি ও রাষ্ট্র উভয়ের জন্য টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে। বাইসাইকেল এমন একটি বাহন, যা দৈনন্দিন যাতায়াতকে সহজ, সাশ্রয়ী ও স্বাস্থ্যসম্মত করে তোলে। নাগরিক সুস্বাস্থ্য, জ্বালানি সাশ্রয় এবং যানজট নিরসনে নিরাপদ সাইকেল লেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

প্রতি বছর ৩ জুন বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস পালিত হয়। ২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটির স্বীকৃতি প্রদান করে।
২০২৬ সালে “সাইকেল লেন দিবস” পালনের ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ.আই. টুববুস বলেন, “বাইসাইকেল কেবল দুই চাকার একটি বাহন নয়; এটি একটি জীবনধারা, পরিবেশ রক্ষার হাতিয়ার এবং টেকসই উন্নয়নের প্রতীক। সাইক্লিংকে আরও জনপ্রিয় ও নিরাপদ করতে সারা দেশে সাইকেল লেন নির্মাণ এবং ‘সাইকেল লেন দিবস’-এর গুরুত্ব নতুন করে উপলব্ধি করা প্রয়োজন।”

আজ বিশ্বব্যাপী সাইকেল দিবস পালিত হচ্ছে। মানুষ নতুন করে উপলব্ধি করছে সাইকেলের গুরুত্ব। এই অর্জনের পেছনে যারা শুরু থেকেই নিরবে কাজ করেছেন, তাদের অবদান নিঃসন্দেহে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।সাইকেল শুধু একটি বাহন নয়—এটি সুস্বাস্থ্য, পরিবেশ সুরক্ষা এবং মানবিক সচেতনতার প্রতীক। আর সেই সচেতনতার বীজ যারা বহু আগেই রোপণ করেছিলেন, তাদের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

তথ্যসূত্র হিসেবে উল্লেখযোগ্য: • বিশ্ব ডিম দিবস: ১৯৯৬ সাল থেকে, অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শুক্রবার।
• বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস: ২০০৮ সাল থেকে পালিত হচ্ছে।• বিশ্ব বাইসাইকেল দিবস: জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত ২০১৮ সালে; পালিত হয় প্রতি বছর ৩ জুন।
• সাইকেল লেন দিবস: ২০১১ সালের এপ্রিল মাসের প্রথম শুক্রবার পালন শুরু হয় ।২০২৬ সালে ১৫ বছর পূর্তি।২০১৮ সালের ৮ মে ,প্রথমবারের মতো পালিত হয় বিশ্ব গাধা দিবস।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার দুপুরে প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে, শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর ব্যুরো প্রধান মো. শাহনওয়াজ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. শাহনওয়াজ বলেন, সমাজে চাটুকারিতার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় অনেক সময় প্রকৃত মূল্যায়ন আড়ালে পড়ে যায়। ইতিহাসে যার যে অবস্থান, তাকে সে অনুযায়ী মূল্যায়ন করা উচিত। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা দল ক্ষমতায় থাকলে তাদের নিয়ে কর্মসূচি আয়োজন করা হয়, কিন্তু ইতিহাসচর্চা কখনো একমুখী হওয়া উচিত নয়।

মো. শাহনওয়াজ বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতির একটি উজ্জ্বল অধ্যায়ের নাম। জাতি গঠন ও পুনর্গঠনের যে উদ্যোগ তিনি নিয়েছিলেন, তা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণাকে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। তাঁকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করলে ইতিহাসই সেই প্রচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করবে।

তিনি আরও বলেন, অবিভক্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হয়েও পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। স্বাধীনতার পর সেনানিবাসে ফিরে গেলেও পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেন তিনি। তাঁর শাসনামলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে জাহিদুল করিম কচি বলেন, জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী শুধু তাঁকে স্মরণের দিন নয়, এটি তাঁর আদর্শ, সততা, দেশপ্রেম ও জনগণকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। তিনি বলেন, ১৯৭৫ এর পরবর্তী সংকটময় সময়ে দেশের পুনর্গঠন ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জিয়াউর রহমানের অবদান জাতি আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক মো. রুবেল খান, একাত্তর টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান ও কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী, দৈনিক ইনকিলাবের ডেপুটি ব্যুরো প্রধান ও কার্যকরী সদস্য রফিকুল ইসলাম সেলিম, গ্রিন টিভির সিইও ও কার্যকরী সদস্য ওয়াহিদ জামান, প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সদস্য মো. আলী বাদশা, ভোরের ডাকের ব্যুরো প্রধান কিরণ শর্মা
ডেইলি ক্যাম্পাসের চট্টগ্রাম করেসপন্ডেন্ট মুহাম্মদ আজাদ, দৈনিক সাঙ্গুর স্টাফ রিপোর্টার মো. নজরুল ইসলাম, দৈনিক আমার দেশের স্টাফ রিপোর্টার এম কে মনির, এবং দৈনিক রূপালীর ব্যুরো প্রধান মো. গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।

আলোচিত খবর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান লিখেছেন, আমি দীপেন দেওয়ান, এমপি, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর হতে আমি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছি।

আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নানাবিধ সমস্যা তৈরি হচ্ছে।বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বৃদ্ধির স্বার্থে আমার বর্তমান পদ থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করা আবশ্যক বলে মনে করছি। উপর্যুক্ত কারণে আমার পদত্যাগপত্র গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ