আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ, কে, এম রহমতুল্লাহ মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা-১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ, কে, এম রহমতুল্লাহ মারা গেছেন। (ইন্না-লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বুধবার ৩ জুন দিবাপূর্ব রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা গেছেন।ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইবরাহীম হোসেন ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য এবং ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রূপগঞ্জে কলেজ ছাত্রী অপহরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পূর্বাচল উপশহরের নীলা মার্কেট এলাকা থেকে কাজল রেখা (১৭) নামের এক কলেজ ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ ৩ জুন বুধবার সকালে বেড়াতে এসে সে অপহরণকারীদের কবলে পড়ে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজ ৩ জুন বুধবার সকালে পূর্বাচল উপশহরের নীলা মার্কেট এলাকায় বান্ধবীদের সঙ্গে রাজধানীর উত্তরখান থানার কাঁচকুড়া এলাকার রনি আহম্মেদের মেয়ে কাজল রেখা বেড়াতে আসে। এসময় রাজধানীর খিলক্ষেত থানার পাতিরা এলাকার জিসান তার বন্ধুদের সহযোগীতায় কলেজ ছাত্রীর মুখ বেঁধে অপহরণ করে মাইক্রোবাসে তুলে ঢাকার দিকে নিয়ে যায়।

এঘটনায় কাজল রেখার মা চামেলি বেগম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পাতিরা এলাকার জিসান (২২), জিল মিয়া (৬০), মিলন মিয়াকে (৪০) নামীয় ও অজ্ঞাত ২/৩ জনকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, কলেজ ছাত্রী কাজল রেখা অপহরণের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রূপগঞ্জের এশিয়ান হাইওয়ে নীলভিটা টোলপ্লাজায় সড়কে ধস, ঝুঁকিতে যানবাহন ও পথচারী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের নীলভিটা টোলপ্লাজা এলাকায় অতিবর্ষনে সড়কের নীচের মাটি সরে বড় ধরনের ধসের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যস্ত এই মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে হঠাৎ করে সড়কের একাংশ নিচের দিকে দেবে যাওয়ায় প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে অন্যাংশে চলাচল করছেন হাজারো যানবাহন ও পথচারী। এতে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

নিরাপদ সড়ক চাই সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম জামান জানান,
কয়েকদিন ধরে সড়কের নীচের অংশ ধীরে ধীরে সরে যেতে শুরু করে। বর্তমানে সেখানে রাস্তার নীচে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ভারী যানবাহন চলাচলের সময় সড়ক কাঁপতে থাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে চালক ও সাধারণ মানুষের মাঝে।
সড়ক নির্মাণ কাজে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার করার কারণেই এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। দুর্ঘটনা রোধে
অবিলম্বে সড়ক সংস্কার, সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানান তারা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে অবহেলার কারণেই এই ধসের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে। ফলে সামান্য অসতর্কতায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
স্থানীয় পথচারী ও পরিবহন চালকরা জানান, রাতের বেলায় ধসে যাওয়া অংশটি স্পষ্টভাবে দেখা যায় না। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। অনেক মোটরসাইকেল ও ছোট যানবাহন চালক অল্পের জন্য দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন বলেও জানা গেছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ