সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ, কে, এম রহমতুল্লাহ মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকা-১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ, কে, এম রহমতুল্লাহ মারা গেছেন। (ইন্না-লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বুধবার ৩ জুন দিবাপূর্ব রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা গেছেন।ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইবরাহীম হোসেন ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য এবং ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রূপগঞ্জে কলেজ ছাত্রী অপহরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পূর্বাচল উপশহরের নীলা মার্কেট এলাকা থেকে কাজল রেখা (১৭) নামের এক কলেজ ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আজ ৩ জুন বুধবার সকালে বেড়াতে এসে সে অপহরণকারীদের কবলে পড়ে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজ ৩ জুন বুধবার সকালে পূর্বাচল উপশহরের নীলা মার্কেট এলাকায় বান্ধবীদের সঙ্গে রাজধানীর উত্তরখান থানার কাঁচকুড়া এলাকার রনি আহম্মেদের মেয়ে কাজল রেখা বেড়াতে আসে। এসময় রাজধানীর খিলক্ষেত থানার পাতিরা এলাকার জিসান তার বন্ধুদের সহযোগীতায় কলেজ ছাত্রীর মুখ বেঁধে অপহরণ করে মাইক্রোবাসে তুলে ঢাকার দিকে নিয়ে যায়।

এঘটনায় কাজল রেখার মা চামেলি বেগম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পাতিরা এলাকার জিসান (২২), জিল মিয়া (৬০), মিলন মিয়াকে (৪০) নামীয় ও অজ্ঞাত ২/৩ জনকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, কলেজ ছাত্রী কাজল রেখা অপহরণের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রূপগঞ্জের এশিয়ান হাইওয়ে নীলভিটা টোলপ্লাজায় সড়কে ধস, ঝুঁকিতে যানবাহন ও পথচারী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের নীলভিটা টোলপ্লাজা এলাকায় অতিবর্ষনে সড়কের নীচের মাটি সরে বড় ধরনের ধসের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যস্ত এই মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে হঠাৎ করে সড়কের একাংশ নিচের দিকে দেবে যাওয়ায় প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে অন্যাংশে চলাচল করছেন হাজারো যানবাহন ও পথচারী। এতে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

নিরাপদ সড়ক চাই সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম জামান জানান,
কয়েকদিন ধরে সড়কের নীচের অংশ ধীরে ধীরে সরে যেতে শুরু করে। বর্তমানে সেখানে রাস্তার নীচে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ভারী যানবাহন চলাচলের সময় সড়ক কাঁপতে থাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে চালক ও সাধারণ মানুষের মাঝে।
সড়ক নির্মাণ কাজে নিম্নমানের মালামাল ব্যবহার করার কারণেই এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। দুর্ঘটনা রোধে
অবিলম্বে সড়ক সংস্কার, সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানান তারা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণে অবহেলার কারণেই এই ধসের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে। ফলে সামান্য অসতর্কতায় বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
স্থানীয় পথচারী ও পরিবহন চালকরা জানান, রাতের বেলায় ধসে যাওয়া অংশটি স্পষ্টভাবে দেখা যায় না। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। অনেক মোটরসাইকেল ও ছোট যানবাহন চালক অল্পের জন্য দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন বলেও জানা গেছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ