আজঃ শুক্রবার ১০ জুলাই, ২০২৬

রূপগঞ্জে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত ফল ব্যবসায়ীর মৃত্যু

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার তারাবো উত্তরপাড়া এলাকার ফল ব্যবসায়ী রনি মিয়ার (৩০) আজ ২৩মে শনিবার দুপুরের দিকে মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি সিলেট জেলার ফেঞ্জুগঞ্জ থানার গিলাচরা গ্রামে। তার পিতার নাম আয়েত আলী। সে দীর্ঘদিন ধরে তারাবো উত্তরপাড়ার দায়েন মোল্লার বাড়ির ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছে।

পুলিশ জানায়, গত ২১মে ভোরে ব্যবসায়ী রনি মিয়া রূপগঞ্জের ভুলতা গাউছিয়া ফলের আড়ত থেকে ফল কিনতে যাওয়ার পথে তারাবো উত্তরপাড়া মফিজুল ভুঁইয়ার বাড়ির সামনে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। হামলাকারীরা রাম দা, চাপাতি, ছুরি ও লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রনি মিয়ার পথরোধ করে উপর্যপুরি কুপিয়ে তার ডান হাত, বাম হাত, মাথায় ও গলায় রক্তাক্ত জখম করে।

এসময় রনি মিয়ার সঙ্গে থাকা ফল কেনার নগদ ৬০হাজার টাকা সন্ত্রাসীরা লুটে নেয়। একপর্যায়ে রনি মিয়ার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে সন্ত্রাসীরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা রনি মিয়াকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর প্রাইম হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল ২৩মে শনিবার সকালে রনি মিয়ার মৃত্যু হয়।

গতকাল ২৩মে শনিবার দুপুরে রনি মিয়ার স্ত্রী রাশিদা বেগম শোকে বারবার মূর্ছনা হয়ে যাচ্ছিল। একপর্যায়ে রাশিদা বেগম বলেন, তার স্বামীর হত্যাকারীদের যেন গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় আনা হয়। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী স্বামীর হত্যার ঘটনায় ছেলে মেয়েরা এতিম হয়ে গেল। কে নিবে তাদের ভরণ পোষণের দায়িত্ব। ছেলে মেয়েদের ভবিষৎ গড়ার কে নিবে দায়িত্ব। এরকম বলতে বলতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে রাশিদা বেগম।

এব্যাপারে ব্যবসায়ী রনি মিয়ার বড় বোন নাছরিন আক্তার বাদী হয়ে শ্রাবণ ওরফে কুত্তা শ্রাবণ (২৩), সিয়াম (২৪), শরিফ মিয়া (৩০), সূর্য (১৯), জিসান মিয়া (২১), শ্রাবণ মিয়া (২৫) ও জয় আহমেদকে (২৯) নামীয় ও অজ্ঞাত ৫জনকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, ফল ব্যবসায়ী রনি মিয়াকে হত্যার ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাভারে এনসিপির সমাবেশে হাতবোমা বিস্ফোরণের মামলায় দুজন রিমান্ডে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাভারে এনসিপি সমাবেশে হাতব ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার নুরুল ইসলাম ও মো. সজিবকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পেয়েছে পুলিশ।
ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ ৭ জুলাই ২০২৬ মঙ্গলবার তাদের দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মো.বাহাজ উদ্দীন বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার এসআই শাখাওয়াত ইমতিয়াজ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছেন। আসামিদের পক্ষের আইনজীবী এমএম আশ্রাফ আলী অয়ন রিমান্ড আবেদন বাতিল করে জামিনের প্রার্থনা করেন।বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মন্জুর করেন।

সাভারের তারাপুর ঈদগাহ মাঠে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ পরবর্তী সমাবেশে হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তাতে তিনজন আহত হন।ওই ঘটনায় রাতেই এনসিপির পক্ষ থেকে একটি মামলা করেন দলের ঢাকা জেলা উত্তরের সদস্য সচিব সালামত উল্লাহ রনি।মামলায় বলা হয়-অজ্ঞাতনামা আসামিরা এনসিপি নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শ্রোতাদের হত্যার উদ্দেশ্যে এই বিস্ফোরণ ঘটনায়।হামলার সময় এনসিপি আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এনসিপি সদস্যসচিব সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

তৈরি হয়নি জলাবদ্ধতা চট্টগ্রামে টানা বর্ষণে পাহাড়ধসের শঙ্কা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ছাড়তে মাইকিং

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিম্নচাপের প্রভাবে থেমে থেমে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টি হচ্ছে চট্টগ্রামে। চট্টগ্রাম মহানগরে একটানা বর্ষণে নগরজীবনে দূর্ভোগ নেমে এসেছে। কর্মমূখী মানুষ নানা দূর্ভোগ মাথায় নিয়ে নিজ কর্মস্থলে যেতে দেখা গেছে। তবে এবার নগরীতে কোথাও জলাবদ্ধতা তৈরি হয়নি। বৃষ্টির ভোগান্তি থাকলেও দীর্ঘ সময়ের তীব্র গরমের পর এমন স্বস্তির বৃষ্টিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে নগরবাসীর মনে।

এদিকে বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে সরে যেতে মাইকিং করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। সোমবার সকাল থেকে নগরের ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসরতদের সরিয়ে আনতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। রোববার রাতেও নগরের বিভিন্ন স্থানে মাইকিং করা হয়।সেইসঙ্গে নগরের সবকটি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাহাড়ের আশপাশের স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসাগুলোকেও আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, আবহাওয়া অধিদপ্তর ৩ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করেছে। এরই প্রেক্ষিতে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।এ কারণে সকাল থেকে মাইকিং করে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারীদের আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শনিবার রাত থেকেই চট্টগ্রামে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। মানুষের জানমাল রক্ষার্থে ৬ জন সহকারী কমিশনারের (ভূমি) নেতৃত্বে মানুষের জানমাল রক্ষায় জেলা প্রশাসনের কয়েকটি টিম কাজ করছে। মাইকিং থেকে শুরু করে মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে সরে যেতে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

নগরের আকবরশাহ ঝিল ১, ২ ও ৩ নম্বর এলাকা, বিজয়নগর পাহাড়, শান্তিনগর পাহাড়, বেলতলীঘোনা পাহাড় থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।
নগরের চান্দগাঁও সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্লাবন কুমার বিশ্বাস বলেন, নগরের টাংকির পাহাড় এবং আমিন জুট মিল এলাকা, পাহাড়িকা, সমবায় আবাসিক, সমসামিত গৃহ নির্মাণ, মিয়ার পাহাড়, মুরাদপুর রেল স্টেশন সংলগ্ন রেলওয়ের পাহাড় ও আশেপাশে মাইকিং করা হচ্ছে এবং এসব এলাকা সংলগ্ন একাধিক স্কুল ও মাদ্রাসাকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বাকলিয়া সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিফাত বিনতে আরা বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ মতিঝর্ণা সংলগ্ন পাহাড়ে মাইকিং করা হয়েছে। বাকলিয়া এলাকায় দুপুর থেকে মাইকিং করা হয়েছে নদীর পাড়ের লোকজন যেন সতর্ক থাকে এবং যেন নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়।
আগ্রাবাদ সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীর হাসান তুরান বলেন, লালখান বাজার পোড়া কলোনি বস্তি এলাকা, ঢেবারপাড়, আমবাগান সংলগ্ন পাহাড়ে বসবাসরত বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে।

এছাড়াও উত্তর হালিশহর সংলগ্ন সমুদ্রপাড়ের কাছে বসবাসকারী মানুষজনকে বাসস্থান খালি করতে মাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।এদিকে নগরীতে পানি না জমার পেছনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) কর্মকর্তাদের তৎপরতাকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, নগরীর জলজটপ্রবণ এলাকাগুলোতে রাতভর পানি নিষ্কাশনের পথ সচল রাখা এবং নিয়মিত তদারকির নির্দেশ দিয়েছিলেন কর্তৃপক্ষ।
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার ভোগান্তি থেকে মুক্ত রাখতে আমাদের পরিচ্ছন্নতা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করছেন।

খাল, নালা ও ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার রাখার সুফল এখন মিলছে। এই অর্জন ধরে রাখতে নিয়মিত মনিটরিং ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। মেয়র বলেন, তিনি গত রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করে পানি নিষ্কাশন পরিস্থিতি ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার কার্যকারিতা পর্যবেক্ষণ করেন। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্টদের সর্বদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন ঢাকা থেকে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ের নির্দেশ দিয়েছেন। গভীর রাত পর্যন্ত সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে প্রকল্প এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পানি চলাচল তদারকি করেন প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মাইন উদ্দিন। টানা বৃষ্টিতে স্বাভাবিক চলাচলে বড় ধরনের কোনো বাধা না আসায় নগরবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল থাকা এবং ভূমিধসের ঝুঁকির বিষয়টি মাথায় রেখে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আলোচিত খবর

এইচএসসি-সমমান প্রথমদিন অনুপস্থিত ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার -৭

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৭ জনকে।০২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে। দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৪ জন।

অনুপস্থিত ছিলেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৫ জনকে। এর মধ্যে যশোর বোর্ডে ২ জন এবং কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একজন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো—ঢাকা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৭১, রাজশাহী বোর্ডে ২ হাজার ৪৯৭, কুমিল্লা বোর্ডে এক হাজার ৭৯৫, যশোর বোর্ডে দুই হাজার ৭৮, চট্টগ্রাম বোর্ডে এক হাজার ৩৪০, সিলেট বোর্ডে এক হাজার ১২৭, বরিশাল বোর্ডে এক হাজার ৩৪৬, দিনাজপুর বোর্ডে এক হাজার ৯৩৭ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে এক হাজার ১৪২ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কুরআন মাজিদ বিষয়ে নিবন্ধিত ৮৫ হাজার ১৩১ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ৬৫৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৪৭৮ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বাংলা-২ পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮৩ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে অংশ নেন ৮০ হাজার ৬০৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৩ জন এবং বহিষ্কার করা হয়েছে একজনকে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ