আজঃ বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই, ২০২৬

অ্যান্টিভেনম সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ

চবি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীকে সাপের কামড়, চমেক হাসপাতালে ভর্তি

চবি সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের সড়কে হাঁটার সময় সাপের কামড়ে আহত হয়েছেন। বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হল সংলগ্ন সড়কে এ ঘটনা ঘটে। আহত ওই শিক্ষার্থীর নাম আশরাফুল। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ইসহাক ভুঁইয়া জানান, টিউশন করে ফেরার পথে বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হল সংলগ্ন সড়কে তাকে বিষধর সাপে কাটার ঘটনাটি ঘটেছে।

এদিকে সাপে কামড়ানোর ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, প্রায় ২৮ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করলেও চবির মেডিক্যাল সেন্টারে সাপের বিষের প্রতিষেধক (অ্যান্টিভেনম) সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে সাপে কামড়ের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে আক্রান্ত শিক্ষার্থীকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সমালোচনা করে আবু বক্কর নামের এক শিক্ষার্থী ফেসবুকে লিখেছেন, হে প্রশাসন, আগে আমার স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করো। তারপর ক্লাস-পরীক্ষা নিও। আমাকে সাপে কামড়েছে, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অ্যান্টিভেনম পাচ্ছি না। এ বৈরি আবহাওয়ায় শহরে চিকিৎসার জন্য যেতে যেতে আমার মৃত্যুও হতে পারে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাপে কাটার পর আহত শিক্ষার্থীকে হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে অ্যান্টিভেনম থাকলেও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার সব সুবিধা নেই। তাই সেখানে তাকে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী এক ডোজ অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়। সম্ভাব্য জটিলতা এড়াতে পরবর্তী ডোজের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চাকসুর পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ বলেন, হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর তাকে এক ডোজ অ্যান্টিভেনম দেওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী ডোজের জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে সে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ভর্তি রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান মেয়রের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টানা ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়টি এখনও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো সময় আবারও ধস নামতে পারে। এ কারণে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, শুধু আইন করলেই হবে না, আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত আইন বাস্তবায়ন করা না যাবে, ততক্ষণ এ ধরনের অপরাধ বন্ধ হবে না।অতীতে যারা পাহাড় কেটেছে এবং যারা এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের দ্রুত বিচার আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে না।

নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন চশমা পাহাড় এলাকায় পাহাড়ধসে মাটিচাপা পড়ে নিহত শিশুর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন মেয়র। বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে মেয়র চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে নিহত শিশুর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।এ সময় তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন, তাদের খোঁজ নেন এবং আর্থিক সহায়তা দেন। একই সঙ্গে তিনি পরিবারের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

এর আগে মেয়র চশমা হিল এলাকায় পাহাড়ধসে নিহত ব্যক্তির বাড়ি পরিদর্শন করেন এবং দুর্ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আমার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে পাহাড় কাটা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়েছি, যাতে কেউ অবৈধভাবে পাহাড় কাটতে না পারে। অতীতে পাহাড় কাটার যে অরাজকতা চলেছে, তা বন্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। এখানে এসে দেখেছি পাহাড় কাটা হয়েছে। পাহাড়টি স্বাভাবিকভাবে থাকার কথা থাকলেও সেটি কেটে প্রায় খাড়া করে ফেলা হয়েছে। এর ফলে পুরো এলাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সিটি করপোরেশনের আরবান হেলথ সেন্টারগুলোকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের সেখানে আশ্রয় নেওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রে পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আমরা বারবার মাইকিং করে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের অনুরোধ করছি, তাদের বোঝাচ্ছি এবং প্রয়োজন হলে চাপ প্রয়োগও করছি যাতে তারা নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসেন। আমি আবারও আহ্বান জানাচ্ছি—কোনো ধরনের ঝুঁকি না নিয়ে সবাই নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসুন।

তিনি বলেন, গত ৪৫ বছরের ইতিহাসে চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় ৪১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত এবং টানা তিন দিনে প্রায় ৬৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের মতো নজিরবিহীন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এটি একটি মানবিক দুর্যোগ। এই মুহূর্তে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বিভাগ নয়, মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। মানুষের জীবন রক্ষা করাই এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

মেয়র বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে কেউ স্বেচ্ছায় নিরাপদ স্থানে যেতে অনীহা প্রকাশ করলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজন হলে তারা কঠোরভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করবে। তবে আমরা চাই সবাই স্বেচ্ছায় নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসুক। আশ্রয়কেন্দ্রে পর্যাপ্ত স্থান রয়েছে, খাবারেরও কোনো সংকট নেই।

পাহাড়ধসের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার পাশাপাশি পানিবন্দি এলাকাগুলোতেও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন জরুরি খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে। বিশেষ করে ৪, ৫ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন পানিবন্দি এলাকায় রান্না করা খাবার ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পাঠানো হচ্ছে।

মেয়র বলেন, খাবারের কোনো সংকট নেই। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন সার্বক্ষণিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে। আমরা আশা করি, সবাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে এসে নিজেদের এবং পরিবারের জীবন রক্ষা করবেন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ৫ জেলায় ৮ জুলাই এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যা পরিস্থিতির অবনতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন ৫ জেলার ৮ জুলাই এইচএসসি, আলিম ও সমমানের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিতাদেশের আওতায় রয়েছে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার পরীক্ষার্থীরা।মঙ্গলবার ৭ জুলাই দিবাগত রাত ১টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলমান বন্যা পরিস্থিতি এবং চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন পাঁচ জেলার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) পাঠানো প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।স্থগিত হওয়া পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি পরীক্ষা। পাশাপাশি বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষাও এ সিদ্ধান্তের আওতাভুক্ত।

দেশের অন্যান্য সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। একইভাবে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পাঁচ জেলা ছাড়া দেশের অন্যান্য অঞ্চলে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাও যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলোর নতুন তারিখ ও সময়সূচি পরবর্তীতে পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।প্রথমে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রাম ও রাঙ্গামাটি জেলার পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়। ১২ টার দিকে কক্সবাজার জেলাকে যুক্ত করা হয়। সর্বশেষ রাত ১টা ১৫ মিনিটে প্রকাশিত জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন পাঁচ জেলার সব পরীক্ষা স্থগিতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

আলোচিত খবর

এইচএসসি-সমমান প্রথমদিন অনুপস্থিত ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার -৭

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৭ জনকে।০২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে। দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৪ জন।

অনুপস্থিত ছিলেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৫ জনকে। এর মধ্যে যশোর বোর্ডে ২ জন এবং কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একজন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো—ঢাকা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৭১, রাজশাহী বোর্ডে ২ হাজার ৪৯৭, কুমিল্লা বোর্ডে এক হাজার ৭৯৫, যশোর বোর্ডে দুই হাজার ৭৮, চট্টগ্রাম বোর্ডে এক হাজার ৩৪০, সিলেট বোর্ডে এক হাজার ১২৭, বরিশাল বোর্ডে এক হাজার ৩৪৬, দিনাজপুর বোর্ডে এক হাজার ৯৩৭ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে এক হাজার ১৪২ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কুরআন মাজিদ বিষয়ে নিবন্ধিত ৮৫ হাজার ১৩১ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ৬৫৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৪৭৮ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বাংলা-২ পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮৩ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে অংশ নেন ৮০ হাজার ৬০৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৩ জন এবং বহিষ্কার করা হয়েছে একজনকে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ