আজঃ বৃহস্পতিবার ৪ জুন, ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে বশিকপুর ইউনিয়নকে অন্য উপজেলা স্থানান্তর না করার দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

মোঃ কামাল উদ্দিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় বশিকপুর ইউনিয়ন। নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় বশিকপুর ইউনিয়নকে স্থানান্তর না করে সদর উপজেলায় রাখার দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। বিক্ষোভ ও মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে আন্দোলনকারীরা। বুধবার সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টায় পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে দেড়ঘন্টা ব্যাপী এই কর্মসুচি পালন করা হয়। বশিকপুর নাগরিক কমিটির ব্যানারে নানা শ্রেনী-পেশার সর্বস্তরের মানুষ একর্মসুচিতে অংশ নেয়।

এসময় বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলা পশ্চিম-বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মাহাবুবুর রহমান খোকন, বশিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাহফুজুর রহমান, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক মো. মমিন উল্যাহ,,সাংবাদিক এসএম আওলাদ হোসেন,বশিকপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন ইকবাল,জামায়াতের ইউনিয়ন আমীর মাওলানা মাইন উদ্দিন,মাওলানা সহিদ উল্যাহ ও যুবদল নেতা সৌরভ হোসেন জনি প্রমুখ।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন. লক্ষ্মীপুর জেলা গঠিত হওয়ার পর থেকে সদর উপজেলায় অবস্থিত ছিল বশিকপুর ইউনিয়ন। পাশাপাশি লক্ষ্মীপুর-২ আসনে সংযুক্ত রয়েছে অত্র ইউনিয়ন। এছাড়া সদরের নিকটতম ইউনিয়ন হিসেবে মানুষ সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে আসছে। সম্প্রতি সদর উপজেলা ভেঙ্গে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা গঠিত হলেও সেখানে বশিকপুর ইউনিয়নকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। এতে করে প্রায় অর্ধলাধিক মানুষ যাতায়াতসহ নানা দুর্ভোগে পড়তে হবে। তাই সদর উপজেলায় বশিকপুর ইউনিয়নকে নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় স্থানান্তর না করে সদর উপজেলায় স্থায়ীভাবে রাখার দাবি করেন আন্দোলনকারী।

01712058892

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের আবর্জনা দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে আগ্রহী চীনা প্রতিষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনের সিভিয়া-চায়না হার্বার-অর্চার্ড কনসোর্টিয়াম। আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চট্টগ্রামের আবর্জনা থেকে ৩০ থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রস্তাব মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাছে উপস্থাপন করা হয়।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের টাইগারপাসস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এবং কনসোর্টিয়ামের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চায়না হার্বার বাংলাদেশের প্রধান, সিভিয়ার দক্ষিণ এশিয়া ডিভিশনের প্রধান এবং অর্চার্ড ডেভেলপারস অ্যান্ড কনস্ট্রাকশনের প্রধান।

সভায় প্রতিনিধি দল জানায়, চীনে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে তাদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং ইতোমধ্যে তারা ৪১টি আধুনিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ ও পরিচালনা করেছে। এসব প্রকল্পে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করে নগর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি জ্বালানি উৎপাদন করা হচ্ছে।

এসময় চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম একটি বন্দরনগরী ও দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য উৎপন্ন হয়, যা সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিবেশের জন্য বোঝা না হয়ে সম্পদে পরিণত হতে পারে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলো বর্জ্যকে সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করছে। চট্টগ্রামেও সেই আধুনিক ধারণা বাস্তবায়নের সময় এসেছে।

Pমেয়র আরও বলেন, বর্তমান নগর ব্যবস্থাপনায় বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি এর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করাও জরুরি। আবর্জনা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন নগরীর পরিবেশগত চাপ কমবে, অন্যদিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানির নতুন উৎস সৃষ্টি হবে। এটি নগর ব্যবস্থাপনা ও টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে পারে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিচ্ছে। এ ধরনের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা নগরীর সার্বিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তবে যেকোনো প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে এর কারিগরি, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হবে এবং নগরবাসীর স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
সভায় উভয়পক্ষ সম্ভাব্য প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও কনসোর্টিয়ামের প্রতিনিধিরা ভবিষ্যতে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত কারিগরি ও সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল, গ্রেফতার-৪০

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের পর অভিযানে ৭০ জনকে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)।গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন সিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর), অতিরিক্ত দায়িত্বে জনসংযোগ শাখার সহকারী পুলিশ কমিশনার আমিনুর রশিদ।

তিনি বলেন, সোমবার নগরে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে সিএমপির ১৬ থানার অভিযানে ৭০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ অভিযান চলমান রয়েছে।পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হচ্ছে।নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

এর আগে সোমবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড় এলাকায় ঝটিকা মিছিল করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।মিছিলের একাধিক ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নগরের মিছিলটি ওমরগণি এমইএস কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বের করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের বিপরীত পাশ থেকে মিছিল নিয়ে জিইসি মোড়ের দিকে অগ্রসর হন নেতা-কর্মীরা। এ সময় তাঁরা ‘জয় বাংলা’ ও ‘শেখ হাসিনা আসবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, মিছিলের ব্যানারে ‘এমইএস কলেজ ছাত্রলীগ’ লেখা ছিল। মিছিলটি দুই নম্বর গেট এলাকার আশপাশ থেকে শুরু হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আলোচিত খবর

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।

তিনি আগামী এক বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদের নির্বাচনে সর্বমোট ১৯০টি দেশ অংশ নেয়। এরমধ্যে খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯টি দেশের ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস এস কাকৌরিস পেয়েছেন ৯১টি দেশের সমর্থন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ