আজঃ শনিবার ৬ জুন, ২০২৬

বিএফইউজে মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরীর বড় ভাইয়ের মৃত্যুতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের শোক

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব ও বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সাবেক সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরীর বড় ভাই আহমদ গণি চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার (৫ জুন) এক শোকবার্তায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

নেতৃবৃন্দরা বলেন, আহমদ গণি চৌধুরীর মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। তারা মহান আল্লাহর কাছে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং পরিবারের সদস্যদের এই শোক সহ্য করার শক্তি দানের প্রার্থনা করেন।

আহমদ গণি চৌধুরী শুক্রবার সকাল ১০টা ৪৩ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর।

আগামীকাল শনিবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার মাইজভান্ডার দরবার শরীফ শাহী মাঠে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

খেলাধুলাই পারে তরুণদের বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করতে-যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতীক্ষিত ‘পটিয়া মিনি স্টেডিয়াম’-এর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের চক্রশালা, জলুয়ার দীঘিরপাড় এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক এনাম, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক, পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম সওদাগর, পটিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী আবু তাহের, পটিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মইনুল আলম ছোটন। এছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়া সংগঠক, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েক শতাধিক মানুষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, “বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। এই স্বপ্নের প্রকল্প বাস্তবায়নে যারা নিরলসভাবে কাজ করেছেন এবং যাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আজ এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে, তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

তিনি আরও বলেন, “সুস্থ দেহ ও সুস্থ মনের জন্য খেলাধুলার বিকল্প নেই। এই স্টেডিয়ামটি আমাদের যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও বিপথগামিতা থেকে দূরে রেখে একটি সুন্দর, স্বাস্থ্যকর ও শৃঙ্খল জীবন গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই স্টেডিয়াম শুধু পটিয়ার নয়, পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রাণের সঞ্চার করবে। এখানে অনুশীলনের সুযোগ পেয়ে আগামী দিনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় গড়ে উঠবে, যারা দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে।”

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই মিনি স্টেডিয়াম বাস্তবায়িত হলে পটিয়ার তরুণ-যুবকদের জন্য আধুনিক ক্রীড়া চর্চার সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ চট্টগ্রামে ক্রীড়া উন্নয়ন ও নতুন প্রতিভা বিকাশে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।স্থানীয়দের মতে, পটিয়া মিনি স্টেডিয়াম নির্মিত হলে এ অঞ্চলের ক্রীড়াপ্রেমী তরুণদের জন্য একটি আধুনিক ও মানসম্মত অনুশীলন কেন্দ্র গড়ে উঠবে, যা ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দেশের জাতীয় সম্পদ ধ্বংসকারীদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও রাষ্ট্র গঠনে ইতিহাসে এক অনন্য নাম। তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করবে। মন্ত্রী শুক্রবার চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র ও স্বাধীনতা কমপ্লেক্স পরিদর্শন পরবর্তী উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মেজর জিয়া থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি জিয়া ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে তাঁর অবদান দেশকে আলোড়িত ও সমৃদ্ধ করেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থেই এই স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

স্বাধীনতা কমপ্লেক্স প্রসঙ্গে মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ফ্যাসিবাদী সময়ে ‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘স্বাধীনতা কমপ্লেক্স’ করা হয়েছিল, যা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পুনরায় এর নাম ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকেই মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন মেজর জিয়া। পরবর্তীতে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা,সেক্টর কমান্ডার, বীর উত্তম, সেনাপ্রধান ও সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর নাম ও অবদান ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা কখনো সফল হবে না।মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে এসব স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুর অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা দেশের জাতীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে, তাদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন। সরকার এসব স্থাপনা পুনর্গঠন করে জনগণের জন্য আবার উন্মুক্ত করবে।

দেশের চলমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সামান্য মূল্য সমন্বয়কে কেন্দ্র করে দেশে যে ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি দেওয়া হচ্ছে, তা অযৌক্তিক। সকলকে দেশপ্রেমিক হতে হবে, কোনো ধরনের ধ্বংসাত্মক রাজনীতি বা গণতন্ত্রহীনতার দিকে আমরা যেতে চায় না। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছি।

তিনি আরো উল্লেখ করে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করেছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যা এগিয়ে নিয়েছিলেন, সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে সামনে এগিয়ে নিচ্ছেন।পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আশরাফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও জেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

আলোচিত খবর

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।

তিনি আগামী এক বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদের নির্বাচনে সর্বমোট ১৯০টি দেশ অংশ নেয়। এরমধ্যে খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯টি দেশের ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস এস কাকৌরিস পেয়েছেন ৯১টি দেশের সমর্থন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ