আজঃ বুধবার ১০ জুন, ২০২৬

প্রকৌশলীকে অপহরণের দুই ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার, ৪ অপহরণকারী গ্রেফতার

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে অপহরণের শিকার প্রকৌশলীকে দুই ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। রোববার বিকেলে নগরের বন্দর থানার রেলওয়ে একাডেমি ডেবারপাড় জঙ্গল এলাকা থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় কাতারপ্রবাসী প্রকৌশলীকে অপহরণের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করা হয়েছে।

র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, রোববার কাতারপ্রবাসী ও চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী প্রকৌশলী মো. মনিরুল হককে অপহরণ করা হয়। খবর পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানার রেলওয়ে একাডেমি ডেবারপাড় জঙ্গল এলাকা থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় অপহরণের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করা হয়েছে।অপহরণের ঘটনার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান পরিচালনা করে ভুক্তভোগীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভাঙ্গুড়ায় বিস্ফোরণ মামলায় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি গ্রেফতার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় অষ্টমনিষা ইউনিয়ন বিএনপি অফিসে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় আব্দুল মান্নান ওরফে মোন্নাফ সরকার(৬০) নামে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি কে গ্রেফতার করেছে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ। রবিবার ৭ জুন সন্ধ্যায় উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের ময়দানদিঘী বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়। সোমবার ৮ জুন দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গত ১১ মে-২০২৫ গভীর রাতে অষ্টমনিষা ইউনিয়ন বিএনপি অফিসের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পরদিন এ ঘটনায় অষ্টমনিষার বিএনপি কর্মী ময়ছের আলী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগ এর ১৮ নেতাকর্মী সহ অজ্ঞাত ৪০/৫০ জন কে আসামি করা হয়।

ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আজম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, “বিস্ফোরক মামলায় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোন্নাফ সরকার কে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কুষ্টিয়ায় অপহৃত তিন শিশুকে ঢাকা থেকে উদ্ধার, গ্রেফতার ২

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার পোড়াদহ রেলওয়ে জংশন থেকে অপহরণের শিকার তিন শিশুকে উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ। এ ঘটনায় মানবপাচারকারী চক্রের দুই সদস্যকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

উদ্ধার হওয়া শিশুরা হলো- মিরপুর উপজেলার উত্তর কাটদহ এলাকার সুমনের ছেলে ছিফাত (১০), হাসেমের ছেলে রাজ (১০) এবং একই এলাকার বেলাল হোসেনের ছেলে মোমিন (৯)।

পোড়াদহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) নাসির খান জানান, গত ২৭ এপ্রিল সকাল ৮টা ৫৫ মিনিট থেকে ১১টার মধ্যে পোড়াদহ রেলওয়ে জংশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে সিফাত, মোমিন ও রাজ নামের তিন শিশুকে সুকৌশলে অপহরণ করা হয়।

পরে অপহরণকারীরা মহানন্দা লোকাল ট্রেনে করে তিন শিশুকে প্রথমে যশোরে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাদেরকে বিক্রির উদ্দেশ্যে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সিফাতের মা মোছা. শেফালী আক্তার গত ৬ জুন রাতে পোড়াদহ রেলওয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে অপহরণকারী চক্রের দুই সদস্য কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার গোপালপুর এলাকার টুটুলের স্ত্রী ফতে আক্তার (৩৫) ও হৃদয়ের স্ত্রী শাহানাজ বেগমকে (৪০) গ্রেফতার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা তিন শিশুকে অপহরণ করার কথা স্বীকার করেন। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ঢাকায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে অভিযান চালিয়ে অপহৃত তিন শিশুকে উদ্ধার করা হয়।

রেলওয়ে পুলিশ জানায়, উদ্ধার শিশুদের প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মানবপাচার চক্রের অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ