আজঃ শনিবার ১৩ জুন, ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ধানের সম্প্রসারণে নীতি নির্ধারণ ও প্রকল্প অংশীদারগণের মতামত সভা

রেজাউল ইসলাম মাসুদ, জেলা প্রতিনিধি, ঠাকুরগাঁও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে হারভেস্টপ্লাস বাংলাদেশ-এর বাস্তবায়নে “রিয়েক্টস-ইন” প্রজেক্টের আওতায় “জিংক ধানের সম্প্রসারণে নীতি নির্ধারণ ও প্রকল্প অংশীদারগণের মতামত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে ইকো সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) আয়োজনে ও পরিচালনায় ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী অফিসের হলরুমে মতামত সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। 

ইএসডিও’র রিয়েক্টস- ইন প্রজেক্টের প্রজেক্ট ফোকাল কৃষিবিদ মোঃ আশরাফুল আলমের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে হারভেস্টপ্লাস এর প্রজেক্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ মোঃ শাহিনুল কবির মানবদেহে জিংক এর প্রয়োজনীয়তা এবং জিংকের অভাব পূরণে জিংক সমৃদ্ধ ব্রিধান১০২,  ব্রিধান১০০, ব্রিধান৮৪ এবং ব্রিধান৭৪ এর ভূমিকা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন।

এরপরে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন অধিদপ্তরের সরকারি কর্মকর্তারা মুক্ত আলোচনায় বলেন যে, এই প্রকল্পটি প্রকৃতই একটি কার্যকর প্রকল্প। এর পক্ষে আরও ব্যাপক প্রচারণা চালানো দরকার এবং প্রতিটি জেলায় ও উপজেলায় “জিংক চাল পাওয়া যায়” এরকম কমপক্ষে একটি করে আউটলেট থাকলে আগ্রহী ও সচেতন ক্রেতারা ক্রয় করে জিংক সমৃদ্ধ চালের ভাত খেতে পারবেন।

উক্ত মতামত সভায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব নাজমুল হাসান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ মোঃ মাসুদ রানা, সায়েন্টিফিক অফিসার, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) পঞ্চগড় রিজিয়ন।

 অনুষ্ঠানে  অংশগ্রহণকারী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন অধিদপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাগণ, জামে মসজিদের ইমামগণ, হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকগণ এবং কৃষক নারী নেত্রী সহ ইলেকট্রনিক মিডিয়া ব্যক্তিত্ব।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ইংরেজি কুইজে পাবনার সেরা শরৎনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাদিক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ এ জেলা পর্যায়ে ইংরেজি কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে মোঃ সাদিক ইসলাম।

সাদিক ইসলাম পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার শরৎনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। তার পিতা মোঃ মাসুম বিল্লাহ শরৎনগর বাজারের একজন প্রসিদ্ধ ব্যবসায়ী।

শরৎনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবা খন্দকার ইভা বলেন, সাদিক ইসলাম একজন মেধাবী ছাত্র এবং ইংরেজি কথোপকথন সেরা হওয়ায় আজ ৭ জুন পাবনা জেলা পর্যায়ে বাছাইয়েও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে।
সাদিক ইসলাম এর পিতা-মাতা সবার কাছে সন্তানের জন্য দোয়া কামনা করছেন।

ঈদুল আজহার বন্ধে ৪০২ জন নিহত – যাত্রী কল্যাণ সমিতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল আজহায় সারাদেশে ৩৯৪ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০২ জন নিহত ১২৯৪ জন আহত হয়েছে। একই সময়ে রেলপথে ৩১টি দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত, ৩০ জন আহত হয়েছে। নৌ-পথে ১৭টি দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৪৪২ টি দুর্ঘটনায় ৪৩৮ জন নিহত ১৩৪০ জন আহত হয়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আজ ০৭ জুন রবিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে যাত্রী কল্যাণ সমিতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই তথ্য তুলে ধরে বলেন, প্রতিবছর দুই ঈদে বিপুল সংখ্যক মানুষ রাজধানী থেকে সারাদেশে যাতায়াত করে। ঈদকে কেন্দ্র করে সরকারের ১০/১২ দিনের তৎপরতা নয় বরং ঈদযাত্রায় এত বিপুল সংখ্যক মানুষের জীবন বাঁচাতে, যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। সবার আগে আমাদের গণপরিবহন ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন জরুরী। উন্নত বিশ্বের আদলে সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উন্নত বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা জরুরী। প্রযুক্তি নির্ভর সড়ক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। ছোট ছোট যানবাহন মহাসড়ক থেকে ক্রমান্ময়ে উচ্ছেদ করতে হবে। চালকদের উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদানের পর লাইসেন্স প্রাপ্তি নিশ্চিত করা জরুরী। ফিটনেস বিহীন যানবাহন উচ্ছেদ করতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনা নির্মুলে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে স্টার” মানের সড়ক নিরাপত্তা করিডোর গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবী।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, দেশের সড়ক-মহাসড়কের বড় অংশ বৃষ্টির কারনে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তের কারণে বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বেড়েছে। ভাঙ্গা ছেঁড়া সড়কে বিদ্যমান নানাবিধ ত্রুটি ও চালকদের আইন অমান্য করার কারণে সড়ক দুর্ঘটনা অতীতের মত ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ঈদযাত্রায় চালক সংকটের কারণে ৮০ শতাংশ যানবাহন বিরামহীন ও বিশ্রামহীনভাবে একজন চালক দিয়ে চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। কতিপয় বাস মালিকের অতিরিক্ত মুনাফা আদায়ের মানসিকতায় আয়ুস্কাল শেষ হয়ে যাওয়া ত্রুটিপূর্ণ বাসগুলো ত্রুটি না সেরে ঈদ ট্রিপ সম্পন্ন করার প্রতিযোগিতায় যাত্রীদের জীবন নিয়ে খেলতে গিয়ে অসংখ্য যাত্রী বোঝাই বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে-বিলে, রাস্তার পাশে পড়ে যাওয়ার দৃশ্য এবারের ঈদে সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।

ঈদযাত্রা শুরুর দিন ২১ মে থেকে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা ০৪ জুন পর্যন্ত বিগত ১৫ দিনে ৩৯৪ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০২ জন নিহত ১২৯৪ জন আহত হয়েছে। বিগত ২০২৫ সালের ঈদুল আজহায় ৩৭৯ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৯০ জন নিহত ও ১১৮২ জন আহত হয়েছিল। বিগত ঈদুল আজহার সাথে তুলনা করলে সড়ক দুর্ঘটনা ৩.৯৫ শতাংশ, প্রাণহানী ৩.০৭ শতাংশ, আহত ৯.৪৭ শতাংশ বেড়েছে।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, বরাবরের মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। এবারের ঈদে ১৫৩ টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫৯ জন নিহত, ১৮০ জন আহত হয়েছে। যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৩৮.৮৩ শতাংশ।
এই সময় সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ৮০ জন চালক, ৮৯ জন পরিবহন শ্রমিক, ৫৯ জন পথচারী, ৬৪ জন নারী, ৪৫ জন শিশু, ৬৬ জন শিক্ষার্থী, ০৫ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ০৩ জন শিক্ষক, ০১ জন চিকিৎসক, ০৩ জন সাংবাদিক, ০১ জন প্রকৌশলী, ০৪ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে।
সংগঠিত দুর্ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট যানবাহনের ২৮.৯০ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২১.৪০ শতাংশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, ১৬.৫৬ শতাংশ বাস, ১২.৩৪ শতাংশ ব্যাটারীচালিত রিক্সা, ৭.৮১ শতাংশ কার-মাইক্রো, ৬.৫৬ শতাংশ নছিমন-করিমন ও ৬.৪০ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিক্সা এসব দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল।
দুর্ঘটনার ৪৬.৪৪ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২৯.১৮ শতাংশ গাড়ী চাপা বা ধাক্কা দেয়ার ঘটনা, ১৭.২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রন হারিয়ে খাদে পড়ে, ১.৫২ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনে ও ৫.৫৮ শতাংশ অন্যান্য অজ্ঞাত কারনে দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৫০.৫০ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৩০.৭১ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ১৪.৪৬ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়। এছাড়াও সারাদেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ২.৫৩ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.২৫ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ১.৫২ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, সরকারের সাবেক সচিব ড.এ ওয়াই এম একরামুল হক, সংগঠনের সহসভাপতি মো: মহসিন,
যুগ্ম মহাসচিব অর্পনা রায় দাশ, অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আলমগীর কবির বিটু, মনজুর হোসেন ইসা, সুভাষ চন্দ্র দাশ, মনজুর হোসেন প্রমুখ।
যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে ঈদে সংগঠিত দুর্ঘটনার কারণসমূহ:
১. জাতীয় মহাসড়কে মোটরসাইকেল, ব্যাটারিচালিত রিক্সা, অটোরিক্সা অবাধে চলাচল।
২. জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় হঠাৎ ফিডার রোড থেকে যানবাহন উঠে আসা।
৩. সড়কে মিডিয়ান বা রোড ডিভাইডার না থাকা, সড়কে গাছপালায় অন্ধবাঁকের সৃষ্টি।
৪. মহাসড়কের নির্মাণ ক্রটি, যানবাহনের ক্রটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা।
৫. উল্টোপথে যানবাহন, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন।
৬. অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রীবহন।
৭. বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং বিরামহীন ও বিশ্রামহীনভাবে যানবাহন চালানো।
৮. বৃষ্টিতে সড়কের মাঝে গর্তের সৃষ্টি, ভাঙ্গাছেঁড়া সড়ক।
৯. অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কারণে নি¤œআয়ের মানুষ বাসের ছাদে, ট্রাকের ছাদে, পণ্যবোঝাই ট্রাকের উপর যাতায়াতে বাধ্য হওয়ার কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে।

প্রতিবছর ঈদে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের প্রাণহানী ও যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে যাত্রী কল্যাণ সমিতির সুপারিশসমূহ :
১. ঈদযাত্রায় স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রনয়ণ ও বাস্তবায়ন করা জরুরী।
২. সারাদেশে উন্নত বিশ্বের আদলে আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন।
৩. প্রযুক্তি নির্ভর সড়ক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা।
৪. চালকদের উন্নত প্রযুক্তির প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে লাইসেন্স প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।
৫. গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কে ফুটপাতসহ সার্ভিস লেইনের ব্যবস্থা করা।
৬. কাঠামোগত সংস্কার করে সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকের বেতন ও কর্মঘন্টা সুনিশ্চিত করা।
৭. মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা।
৮. মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা।
৯. ফিটনেস প্রদান পদ্ধতি আধুনিকায়ান, মেয়াদোর্ত্তীন গণপরিবহন উচ্ছেদ করা।
১০. নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর সক্ষমতা বাড়ানো, ট্রাফিক ট্রেনিং একাডেমী গড়ে তোলা।
১১. পরিবহন সেক্টর পরিচালনায় বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করা।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ