আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

শাসক নয়,৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নবাসীর সেবক হতে চাই,চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ নাসির মিয়া।

মুরাদ মিয়া,তাহিরপুর,সুনামগঞ্জ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তাহিরপুর উপজেলার ৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নে নতুন আশার আলো হয়ে দেখা দিয়েছেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সমাজসেবক ৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির মিয়া।শাসক নয়,বরং সাধারণ মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই”—এমন ব্যতিক্রমী ঘোষণা দিয়ে ইতোমধ্যেই তিনি ইউনিয়নবাসীর হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।
৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের কোনাপাড়া গ্ৰামে একটি সংক্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

দীর্ঘ দিন ধরে এলাকায় সুনামের সাথে মানুষের কল্যানে রাজনৈতি করে আসছেন। পাশাপাশি শিক্ষা,ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার রয়েছে সরব উপস্থিতি এবং ব্যাপক অনুদান।তিনি তাহিরপুর উপজেলার ৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সফলভাবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।

৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে,বিশিষ্ট সমাজ সেবক পরোপকারী,দানশীল ও মানবিক মনের মানুষ নাসির মিয়ার স্বচ্ছ ইমেজ এবং জনহিতকর কাজের কারণে সাধারণ মানুষের মাঝে তাকে নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা তুঙ্গে।

৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের স্থানীয় তরুণ ভোটাররা জানান,মোঃ নাসির মিয়া,একজন স্বচ্ছ সমাজ সেবক তিনি সবসময় আমাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন।
আমরা চাই,আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি ৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের হাল ধরেন।

প্রবীণ,তরুণ ও সুশীল সমাজ আরও দাবি তুলেছেন। মোঃ নাসির মিয়া,এলাকার স্কুল,মাদ্রাসা ও মসজিদে তার নিয়মিত অনুদান এবং বেকার তরুণদের কর্মসংস্থান নিয়ে তার চিন্তা-ভাবনা সাধারণ ভোটারদের আশাবাদী করে তুলেছে।এ ছাড়াও সাধারণ ভোটার তারা জানান, আমরা আশাবাদী আগামী ৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে বলে আমাদের এ প্রত্যাশা।

নির্বাচনী প্রস্তুতি ও নিজের লক্ষ্য নিয়ে বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির মিয়া বলেন “আমি ক্ষমতার মোহে নয়,বরং প্রিয় ৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের মানুষের সেবক হয়ে থাকতে চাই। আমার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে একটি আধুনিক ইউনিয়ন গড়ে তোলা। বিশেষ করে মাদক,বাল্যবিবাহ এবং ইভটিজিংয়ের মতো অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে যুব সমাজকে দূরে রাখতে আমি বদ্ধপরিকর।”

তিনি আরও বলেন,এলাকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনশক্তিতে রূপান্তর করে ৩নং দক্ষিণ বড়দলকে তাহিরপুর উপজেলার একটি আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তিনি।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে,সততা, অভিজ্ঞতা এবং জনসম্পৃক্ততার সঠিক সমন্বয় ঘটলে মোঃ নাসির মিয়ার নেতৃত্বে ৩নং দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নে উন্নয়নের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার এই সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয় রাজনীতির সমীকরণকে অনেকটাই বদলে দিয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে আহত নিহতদের মাঝে চেক বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও জেলায় বিভিন্ন স্থানেসড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ নিহত ও আহত ৭ টি পরিবারের মাঝে চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেল এর আয়োজনে এই চেক বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গোলাম ফেরদৌস, ঠাকুরগাঁও বিআরটি এর সহকারী পরিচালক ইঞ্জি: মোহাম্মদ আলী আহসান মিলন, মোটরযান পরিদর্শক মাফুজ রানা, উচ্চমান সহকারী রুস্তম আলীসহ অন্যান্যরা।সেখানে সাতটি পরিবারের মাঝে ২১ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে মাদক উদ্ধার, আটক- ২

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় পৃথক দুটি অভিযানে দুইজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় একটি ট্রাক, ২ হাজার ৮৫ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ, ৫৮৫ পিস ইয়াবা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা মালামালের মোট আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)। পৃথক দুটি অভিযানে দুইজনকে আটক করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ, ইয়াবা, একটি ট্রাক ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ৫৯ বিজিবির ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার এডি শেখ মনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে সোনামসজিদ বিওপির একটি টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের বালিয়াদিঘী গ্রামের প্রাণিসম্পদ কোয়ারেন্টাইনের পাশের সড়কে অভিযান চালায়।

অভিযানের সময় ঢাকা মেট্রো-ট ২০-৯৯৯০ নম্বরের একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে সাতটি প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা ২ হাজার ৮৫ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ‘এসকাফ’ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ট্রাকচালক মো. রিয়াদ হোসেন (২০)কে আটক করা হয়েছে। তিনি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার পাশাপুর গ্রামের বাসিন্দা।এ সময় ট্রাকটির পাশাপাশি একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা সিরাপ, ট্রাক ও মোবাইল ফোনের আনুমানিক মূল্য ৬৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

অন্যদিকে একই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে চৌকা বিওপির নায়েক সুরজিত নাগের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের খাসেরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ৫৮৫ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট এবং একটি মোবাইল ফোনসহ মো. নাঈম ইসলাম (১৮) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার জমিনপুর গ্রামের বাসিন্দা।উদ্ধার করা ইয়াবা ও মোবাইল ফোনের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৫০০ টাকা।

বিজিবি জানিয়েছে, পৃথক দুটি অভিযানে জব্দ করা ট্রাক, নেশাজাতীয় সিরাপ, ইয়াবা ও মোবাইল ফোনের মোট সিজার মূল্য প্রায় ৭০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ