আল্লাহর ঘরে রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হোক- সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাদ্রাসায় ও মসজিদে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মিটিং নিষিদ্ধ করতে আইন পাসের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ। বাজেট আলোচনায় সংসদে অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি তোলেন।

সোমবার ২২ জুন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও বাজেট অধিবেশনের ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে কুষ্টিয়া-১ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ বিএনপির সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ এ কথা বলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নোয়াখালীতে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি-দখলের অভিযোগ, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এটা

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলমের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, জমি দখল, মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ সময় তার সহযোগীদের বিরুদ্ধেও নানা অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন ফেরিঘাট এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দিদারুল আলমের আত্মীয়স্বজন ও সহযোগীদের একটি অংশ বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ডাকাতি, জমি দখল, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

স্থানীয় বাসিন্দা মাস্টার ব্যাপারী অভিযোগ করেন, তার বন্ধক নেওয়া ৩০ শতক জমি দিদারের ভাগ্নি ও বোনের জামাই পরিচয় দেওয়া ব্যক্তিরা জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছেন। এ ঘটনায় তিনি বিচার দাবি করেন।

একই এলাকার বাসিন্দা নুরজাহান অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে কেন্দ্র করে তার কাছে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে এবং তাকে মারধর করা হয়েছে। তার দাবি, এর আগে তিনি ৭০ হাজার টাকা দিলেও দিদার ও তার সহযোগীরা আবার টাকা দাবি করছেন।

আমেনা নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, অনেক কষ্ট করে চরের গাছ কেটে তারা বসবাসের উপযোগী করে জায়গা তৈরি করেছেন। কিন্তু দিদার ও তার সহযোগীরা চরের জমি দখল করতে তাদের ওপর অন্যায়-অবিচার করছেন। এ ঘটনায় তিনি বিচার দাবি করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহিম অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে এলাকায় চাঁদাবাজি ও জমি দখলসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এসব ঘটনার তদন্ত করে দিদারুল আলম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন যুবদল নেতা ফারুক মাঝি অভিযোগ করেন, দিদারুল আলমের নেতৃত্বে নাহিদ, জাবেদ ও রিদয়সহ কয়েকজন বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। জমি দখলসহ নানা ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা একাধিক মানববন্ধন করে। উল্টো এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়ানো হয়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম বলেন, ‘আমি সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের সভাপতির বিরুদ্ধে হওয়া একটি সংবাদ ফেসবুকে শেয়ার করি। এরপর উপজেলা যুবদলের সভাপতির অনুসারীরা আমার বিরুদ্ধে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন। আমি এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই।’

তবে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার পরিবেশন চমেক হাসপাতালের সামনে অভিযানে জরিমানা গুনল ৩ প্রতিষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের সামনে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৫৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বেশি দামে ডাব বিক্রি, অননুমোদিত ওষুধ সংরক্ষণ ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার পরিবেশনের অভিযোগে রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে এ জরিমানা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ।
জানা গেছে, অভিযানে রাইছা মেডিকেল হলকে ভারতীয় অননুমোদিত ওষুধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখার অভিযোগে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া বেশি দামে ডাব বিক্রি ও ক্রয়ভাউচার দেখাতে না পারায় নয়ন (৪২) নামের এক ব্যবসায়ীকে তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার পরিবেশনের অভিযোগে ভান্ডারী হোটেলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানের সময় ডাবের দাম বেশি রাখার অভিযোগ করেন ক্রেতা মুহাম্মদ শহীদ। তিনি নগরের বহদ্দারহাট থেকে স্ত্রীকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করাতে চমেক হাসপাতাল-সংলগ্ন একটি হাসপাতালে এসেছিলেন।
মুহাম্মদ শহীদ বলেন, পরীক্ষা করানো শেষে ফেরার পথে ডাব কেনার ইচ্ছা ছিল তার। এ জন্য একটি দোকানে গেলে ডাবের দাম ১৫০ টাকা চাওয়া হয়। পরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান দল সেখানে পৌঁছালে ডাবের দাম কমিয়ে ১২০ টাকা করা হয়।
অভিযান শেষে উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ সাংবাদিকদের বলেন, রোগীদের জন্য ডাবসহ বিভিন্ন ফলমূলের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নিয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়েছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে ডাব বিক্রিতে অনিয়ম পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রাইছা মেডিকেল হলে অননুমোদিত ওষুধ পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে ড্রাগ রেজিস্ট্রেশন (ডিআর) নম্বরবিহীন ভারতীয় ইনজেকশন পাওয়া গেছে। এর একটি হৃদ্রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় এবং অন্যটি বিষপানের রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় বলে প্রতিষ্ঠানটি থেকে জানা গেছে। বাংলাদেশে এসব চিকিৎসার জন্য অনুমোদিত ওষুধ ও ইনজেকশন রয়েছে।
ফয়েজ উল্ল্যাহ বলেন, ডিআর নম্বর ছাড়া অননুমোদিত ওষুধ বিক্রির সুযোগ নেই। এ ধরনের ওষুধ নকলও হতে পারে, যার কার্যকারিতা না থাকার আশঙ্কা রয়েছে। এতে রোগীর জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করার পাশাপাশি সতর্ক করা হয়েছে।
ভান্ডারী হোটেলের বিষয়ে তিনি বলেন, সেখানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ পাওয়া গেছে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
হাসপাতাল-সংলগ্ন দোকানগুলোতে স্যালাইনের সংকট ও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ফয়েজ উল্ল্যাহ বলেন, স্যালাইনের সংকট বা বেশি দামে বিক্রির বিষয়ে এখন পর্যন্ত তাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযান চলাকালে দোকানগুলোতে ওষুধের সরবরাহও যথাযথ বলে মনে হয়েছে। তবে কোনো ভোক্তা প্রমাণসহ অভিযোগ করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল-সংলগ্ন এলাকায় ওষুধ বা ফলমূল কেনার সময় কোনো প্রতিষ্ঠান বেশি দাম নিলে কিংবা অন্য কোনো অনিয়ম করলে ভোক্তাদের প্রমাণসহ অধিদপ্তরে অভিযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযানে সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমানসহ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সংশ্লিষ্ট বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের সম্ভাবনাই বেশি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়।

এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ