আজঃ রবিবার ৫ জুলাই, ২০২৬

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের আন্তরিক সহযোগিতায় বর্ষায় দুর্ভোগ লাঘবে বুড়িশ্চরে সংলগ্ন রাস্তা সংস্কার কাজ সম্পন্ন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ১৫ নম্বর বুড়িশ্চর ইউনিয়নে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের সহযোগিতায়, বিএনপি’র সভাপতি ও বুড়িশ্চর জনকল্যাণ সংঘের সহ সভাপতি মোজাম্মেল হকের উদ্যোগে বুড়িশ্চর বদল চৌধুরী বাড়ির দক্ষিণ পাশের রোডের ঢালাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাছাড়া প্রতিমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব আকবর আলি ও বর্তমানে রমজান আলী সড়ক ও আলামিয়া স্কুলের সম্মুখে সড়কের উন্নয়নের কাজ চলমান অবস্থায় আছে।

শনিবার রাস্তার উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিদর্শনে গিয়ে ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানিয়ে এলাকাবাসীর পক্ষ হতে ব্যারিস্টার মীর হেলালের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় বদল চৌধুরী বাড়ির সমাজ কল্যাণ পরিষদ ও আশেপাশের এলাকার বাসিন্দারা উউপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও রুহিয়া উপজেলায় রেললাইন পার হতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে হবিজান বেগম (৭০) নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। আজ (শনিবার, ৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলার রেলস্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এসময় পরিবারের স্বজন ও স্থানীয়রা ওই বৃদ্ধাকে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বদিউজ্জামান।
নিহত হবিজান রুহিয়া ঘনিমহেশপুর প্রধানপাড়া এলাকার মৃত সিরাজ উদ্দীনের স্ত্রী ছিলেন।

পুলিশ জানান, দুপুরে পঞ্চগড় থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাচ্ছিলো পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনটি। এরই মধ্যে ট্রেনটি রুহিয়া রেলওয়ে স্টেশন অতিক্রম করার সময় রেললাইনের উপর দিয়ে পার হতে যাওয়া বৃদ্ধা হবিজান বেগমকে ধাক্কা দেয়। এসময় তার পা ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।পরে স্থানীয় ও পরিবারের স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অফিস ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে থাকা চিকিৎসক,

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলছিল অফিস টাইম। থাকার কথা ছিল জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে। অথচ সরকারি দপ্তর ফাঁকি দিয়ে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন প্রাইভেট হাসপাতালে। এমন অবস্থায় কয়েকজন সাংবাদিক ও ক্যামেরা দেখা মাত্রই দৌড়ে পালিয়ে গেলেন প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া সেই চিকিৎসক৷ হাতেনাতে ধরা খেয়ে এমন দৌড়ে পালানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ফাইরাল হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের আরামবাগ এলাকার চাঁপাই এ্যাপোলো হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। অফিস ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া অবস্থায় ধরা খেয়ে এমন দৌড়ে পালানোর ভিডিও ফাইরাল হওয়ায় পর শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। অভিযুক্ত চিকিৎসক মো. ইনজামাম উল হক। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে মেডিকেল অফিসার (কো-অর্ডিনেটর) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) দুপুরে চাঁপাই এ্যাপোলো হাসপাতালে গিয়ে ডা. মো. ইনজামাম উল হক চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। এমনকি ভাইরাল হওয়া ভিডিও-তে দেখা যাচ্ছে, এক রোগীর আলট্রাসনোগ্রাম করছিলেন তিনি। এসময় কয়েকজন সাংবাদিক তাকে সেখানে গিয়ে দেখতে পান এবং ভিডিও ধারন করেন। চিকিৎসা দেয়া অবস্থায় সাংবাদিক ও ক্যামেরা দেখতে পেয়েই চেয়ার থেকে উঠেই ভৌঁ দৌড় দেন ডা. ইনজামাম উল হক। বেরিয়ে যান হাসপাতাল থেকে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রতক্ষ্যদর্শী মিনার আহমেদ, সাকির আলী জানান, হঠাৎ করেই হাসপাতাল থেকে ডাক্তারকে দৌড়ে বেরিয়ে আসতে দেখতে পায়। তার পেছন পেছন কয়েকজন সাংবাদিকও ক্যামেরা নিয়ে আসে। এরপর রাস্তায় দাঁড়িয়ে ওই চিকিৎসকও নিজের মুঠোফোন বের করে সেখানে নামাজ পড়তে এসেছেন বলে দাবি করে ফেসবুকে লাইভ করতে থাকেন। পরে জানা গেল, তিনি (ডা. ইনজামাম উল হক) অফিস ফাঁকি দিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে এসে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন।

চিকিৎসকের দৌড়ে পালানোর ভিডিও ফাইরাল হওয়ায় পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমিনুল ইসলাম নামের এক যুবক লিখেছেন, জনগণের টাকায় সরকারি দপ্তরে চাকুরি করে সেখানে নিয়মিত থাকেন না। অথচ অফিস টাইমে তাকে পাওয়া যায় প্রাইভেট হাসপাতালে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। এভাবেই এসব চিকিৎসককে রুখে দিতে হবে। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

চাঁপাই এ্যাপোলো হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সালাউদ্দিন ও তত্বাবধায়ক শ্রী বিশ্বজিৎ মুঠোফোনে সময় সংবাদকে জানান, দুপুরের বিরতিতে সিভিল সার্জন অফিস থেকে চিকিৎসা দেয়ার জন্য চাঁপাই এ্যাপোলো হাসপাতালে এসেছিলেন ডা. ইনজামাম উল হক। শ্রী বিশ্বজিৎ আরও জানান, একটি সিন্ডিকেট প্রত্যেক চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে এমন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে গতকাল এই সিন ক্রিয়েট করা হয়েছে। এটি নিছকই সাংবাদিকদের সাথে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।

এনিয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ করেননি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (কো-অর্ডিনেটর) ডা. মো. ইনজামাম উল হক। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ দিলেও উত্তর দেননি তিনি। এদিকে, রাত ১২টার দিকে ডা. মো. ইনজামাম উল হক তার ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আজ চারজন সাংবাদিক ও ডা. মো: ইনজামাম উল হক এর মধ্যে উদ্ভূত যে পরিস্থিতি নিয়ে ভূল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিলো, তার সুষ্ঠু সমাধান হয়েছে। নেতিবাচক মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন। (Admin post)এবিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. একেএম শাহাব উদ্দিন মুঠোফোনে সময় সংবাদকে বলেন, ডা. ইনজামাম উল হক সকাল থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আমার সাথে বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজে অফিসেই ছিল। কিন্তু অফিস টাইমে প্রাইভেট হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা দেয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। এনিয়ে কোন অভিযোগও পাওয়া যায়নি। তিনি আরও বলেন, অফিস চলাকালীন সময়ে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার কোন সুযোগ নেই। এমন কোন অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আলোচিত খবর

এইচএসসি-সমমান প্রথমদিন অনুপস্থিত ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার -৭

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৭ জনকে।০২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে। দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৪ জন।

অনুপস্থিত ছিলেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৫ জনকে। এর মধ্যে যশোর বোর্ডে ২ জন এবং কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একজন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো—ঢাকা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৭১, রাজশাহী বোর্ডে ২ হাজার ৪৯৭, কুমিল্লা বোর্ডে এক হাজার ৭৯৫, যশোর বোর্ডে দুই হাজার ৭৮, চট্টগ্রাম বোর্ডে এক হাজার ৩৪০, সিলেট বোর্ডে এক হাজার ১২৭, বরিশাল বোর্ডে এক হাজার ৩৪৬, দিনাজপুর বোর্ডে এক হাজার ৯৩৭ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে এক হাজার ১৪২ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কুরআন মাজিদ বিষয়ে নিবন্ধিত ৮৫ হাজার ১৩১ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ৬৫৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৪৭৮ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বাংলা-২ পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮৩ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে অংশ নেন ৮০ হাজার ৬০৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৩ জন এবং বহিষ্কার করা হয়েছে একজনকে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ