এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর ইয়ার্ডে কার কী পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এই তথ্য চেয়ে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এতে অ্যাক্ট অব গডের অজুহাতে পণ্যের ক্ষতির দায়ভার নেবে না বলে এমন কড়া ভাষায় বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিলেন বন্দরের পরিচালক (পরিবহন) গোলাম মোহাম্মদ সারোয়ারুল ইসলাম। বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এসব পণ্যের ক্ষতিপুরণ দাবি প্রত্যাখ্যান করলেও পরে নিজেদের অবস্থান থেকে সরলো চট্টগ্রাম বন্দর।
জানা গেছে, গত ৫ জুলাই চট্টগ্রাম নগর জুড়ে টানা ভারী বৃষ্টিপাতে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

বৃষ্টির পানিতে বন্দরের ভেতর বিভিন্ন ইয়ার্ডে পণ্যভর্তি কনটেইনারের ব্যাপক ক্ষতি হয়। কনটেইনারের নিচে জমে থাকা পানি ভেতরে ঢুকে পণ্যের ক্ষতি হওয়ার খবর জানা গেছে। একই সঙ্গে বন্দরেরই অংশ হিসেবে পরিচিত বেসরকারি কনটেইনার ডিপোগুলোতে পণ্য নষ্ট হওয়ার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে দেখা যায়। সেখানে বন্দরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঝাড়ে এবং ক্ষতিপূরণের দাবি ওঠে।
এদিকে টানা বৃষ্টিতে সুরক্ষিত এলাকায় রাখা আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ক্ষয়ক্ষতির দায় নেবে না বলে গত ১০ জুলাই বিজ্ঞপ্তি দেয় চট্টগ্রাম বন্দর। একই সঙ্গে কোনো জবাবদিহি করতেও বাধ্য নয় বলে কড়া ভাষায় বিজ্ঞপ্তি জারি করে তারা। বিষয়টির সমালোচনা করেছিল ব্যবসায়ীদের শীর্ষ চার সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ ও চট্টগ্রাম চেম্বার। তারা ক্ষতিপুরণের দাবি জানিয়ে সরকারকে চিঠি দেওয়ার পর পিছু হটে বন্দর।

আইনের ধারা উল্লেখ করে বন্দর বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করে, যেকোনো পক্ষ থেকে আসা ক্ষতিপূরণের যেকোনো দাবি অস্বীকার, বর্জন এবং প্রত্যাখ্যান করছে তারা। বন্দর পরিচালক (পরিবহন) গোলাম মোহাম্মদকে কল দিলে তিনি সাড়া দেননি।
পরিবহন বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেছেন, যেকোনো কারণেই হোক আমরা এখন ক্ষতিগ্রস্ত পণ্য আছে কিনা যাচাইয়ে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টকে চিঠি দিয়েছি। এখনো জবাব পাইনি। ক্ষতিপুরনের লিস্ট করে আমরা বন্দরকে পাঠাবো। উর্ধতনরা সেটি সিদ্ধান্ত নিবেন।









