পাঁচ হাজার মানুষ পেল এনসিপির ‘চিকেন বিরিয়ানি’ চট্টগ্রাম নগরের লালদিঘী মাঠে গণভোজ

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের লালদিঘী মাঠে গণভোজ কর্মসূচি হয়েছে।‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ দিবসে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চট্টগ্রামে আয়োজন করেছে এই গণভোজ কর্মসূচির। এনসিপি নেতারা জানালেন, এতে পাঁচ হাজার মানুষকে ‘চিকেন বিরিয়ানি’ রান্না করে খাওয়ানো হয়েছে। বুধবার দুপুরে মাঠজুড়ে সামিয়ানা টানিয়ে চেয়ার-টেবিল পেতে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করা হয়।

নগরের বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী, ভিক্ষুক, ভাসমান লোকজন, আন্দোলনকারী ও আহতরাসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং এনসিপির নেতাকর্মীরা গণভোজে অংশ নেন। দুপুর ১২টায় দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়াইব।

নগর এনসিপির দপ্তর সম্পাদক রিদুয়ান হৃদয় বললেন, পাঁচ হাজার মানুষের জন্য গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির পক্ষ থেকে এ আয়োজন। সবার জন্য চিকেন বিরিয়ানি। গণভোজ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ছিল। শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ আমাদের গণভোজে শরিক হয়েছেন। এনসিপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে সেতুবন্ধন তৈরির জন্য আনন্দমুখর এ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানালেন রিদুয়ান হৃদয়।

পুরো আয়োজনে কত খরচ হয়েছে সেটা এখনও হিসাব করা হয়নি বলে জানালেন রিদুয়ান হৃদয়। তবে নগর এনসিপির আরেক নেতা বলছিলেন, গণভোজের জন্য সাত লাখ টাকা বাজেট করা হয়। মহানগর এনসিপি খরচের পুরো টাকা তাদের দলীয় তহবিল থেকে বহন করছে বলে জানালেন রিদুয়ান হৃদয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চব্বিশের চেতনা থাকলে হাসিনা আসতে পারবেন না : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখার আহ্বান জানালেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।

চব্বিশের আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বললেন, তখন আমাদের ছাত্র জনতা সবার মধ্যে আন্দোলনের যে উদ্যম ছিল আওয়ামী সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ করেও সেটা দমাতে পারেনি। অনেকে প্রত্যক্ষভাবে জুলাই অভ্যুত্থানে ছিলেন না। কিন্তু আমাদের নানাভাবে খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে সহযোগিতা দিয়েছেন। নিউমার্কেট মোড় দখলে নিতে গিয়ে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিতে যারা আহত হয়েছেন, তামাকমুণ্ডি লেইনের ব্যবসায়ীরা তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন।
তিনি জানান, এই যে আন্দোলনের নানাভাবে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ, ঐক্যবদ্ধ থাকা এটাই জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিট। এই স্পিরিট আমাদের ধরে রাখতে হবে। তাহলে শেখ হাসিনা জীবনেও আর বাংলাদেশে আসতে পারবে না।

রাজনৈতিক মতপার্থক্য স্বাভাবিক উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, কিছু মতানৈক্য দেখতে পাচ্ছি। এটা স্বাভাবিক। পথ চলতে গেলে থাকবেই। সরকারের যৌক্তিক সমালোচনা করুন। কিন্তু দেশের স্বার্থে, জাতীয় স্বার্থে আমরা সবাই যেন জুলাই-আগস্টের গণভুত্থানের মতো কাঁধে কাধ মিলিয়ে বুক চিতিয়ে দাঁড়াতে পারি। বিনা বিচারে দেশবিরোধী শক্তি যেন আবার রাজনীতি করার দুঃস্বপ্ন না দেখে, সেই দুঃসাহস যেন তাদের না হয় সেজন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
গত বছর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় যে জুলাই জাতীয় সনদ ঘোষণা হয়েছে, সেটার আলোকে বিএনপি সরকার সব সংস্কার বাস্তবায়ন করবে বলেও আশ্বাস দেন মীর হেলাল।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, এরশাদ উল্লাহ ও সাঈদ আল নোমান, সিডিএ চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম, বিসিবি পরিচালক ইসরাফিল খসরু। সকালে চট্টগ্রাম রেলস্টেশন প্রাঙ্গনে স্থাপিত স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, প্রশাসন, নানা সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ।

জুলাই নিয়ে বিভাজন তৈরি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য এক বড়ো অশনিসংকেত – মুহাম্মদ শাহজাহান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জুলাই গণঅভুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে কেরানিহাটে মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্য, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা । ৫ আগস্ট বিকাল ৫টায় আয়োজিত এই মিছিল ও সমাবেশে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহানসহ ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দ।

মিছিলোত্তর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান বলেন, জুলাইয়ের ছাত্রজনতার জীবন ও রক্তদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ এক অভিশপ্ত ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি পেয়েছে। অসংখ্য মানুষ এই মুক্তির আন্দোলনে ত্যাগ স্বীকার করেছে। সেসব নির্যাতিত, নিপীড়িত, অকুতোভয় মানুষদের আমরা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। সেই বিপুল আত্মত্যাগের মাধ্যমেই বাংলাদেশের মানুষ ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার জনগণের সেই অধিকারকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। আর সেই সুযোগে পেশিশক্তি ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের বৃথা স্বপ্ন দেখছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আজকে তারই আগাম মহড়া দেখাচ্ছে সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠন ছাত্রদল।

কিন্তু আমরা স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই, ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগের সন্ত্রাস ও অস্ত্রের মুখেও এদেশের মানুষ নতিস্বীকার করেনি। সুতরাং যারা দ্বিতীয় ফ্যাসিবাদ কায়েমের স্বপ্ন দেখছেন, তাদের সেই স্বপ্নকে জুলাইজনতা দুঃস্বপ্নে পরিণত করবে। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি করলে জনগণ আবারও রাজপথে নেমে আসবে। গণভোটের রায় মেনে না নিলে গণরোষের জন্য প্রস্তুত থাকুন। জুলাই নিয়ে বিভাজন তৈরি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য এক বড়ো অশনিসংকেত। গণভোটের রায় মেনে নিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নই বর্তমান রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা জামায়াতের আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী বলেন, রক্তাক্ত জুলাই আমাদেরকে নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ দিয়েছে। আর সেই সুযোগকে বাস্তবে পরিণত করার সবচেয়ে বড়ো দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু সরকারের সেদিকে কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই। তারা পুনরায় লুটপাটের রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে চায়। তারা পুনরায় দুর্নীতির মহোৎসব করতে চায়। তারা পুনরায় ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার দিকেই হাঁটতে চায়। আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, এই বিপজ্জনক পথে হাঁটবেন না। বরং অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করুন। বাংলাদেশকে জনগণের আকাঙ্ক্ষিত পথে পরিচালনা করুন।

খেলাফত মজলিসের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা নেছার উদদীন বলেন, বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেখিয়ে দিয়েছে, তারা কতটা সাহসী। তারা কতটা আত্মত্যাগী তাও তারা প্রমাণ করেছে। সুতরাং এরকম একটি জাতির গণরায়কে অসম্মান করার দুঃসাহস দেখাবেন না। অনতিবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। দুর্নীতি-দুঃশাসন থেকে বিরত থাকতে হবে। সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এলডিপির চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া শিমুল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে জাতি দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃশাসন ও ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করেছে। যে জাতি একবার বিজয়ী হতে শিখে গেছে, তাদের জনমতকে অশ্রদ্ধা করে পার পাওয়া যাবে না। অতএব, এখনও সময় আছে, জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে তা বাস্তবায়ন করুন। সবাই মিলে একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে আসুন। যদি তা না করে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃশাসন চাপিয়ে দিতে চান, তাহলে পরিণতিও একই হবে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ বদরুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাছের, এনসিপি নেতা সিফাত হোসেন, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জায়েদ হোসেন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবুল ফয়েজ, আ.ক.ম. ফরিদুল আলম, সাতকানিয়া উপজেলা আমীর মাওলানা কামাল উদ্দীন, সাংগু থানা আমীর মাষ্টার সিরাজুল ইসলাম, সাতকানিয়া পৌরসভার আমীর অধ্যক্ষ হামিদ উদ্দিন আজাদ, উপজেলা সেক্রেটারি তারেক হোসাইন, কেরানীহাট সেক্রেটারি আবদুল মালেক, পৌরসভা সেক্রেটারি জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

অন্যদিকে, পটিয়া উপজেলা আমীর জসিম উদ্দীনের সভাপতিত্বে সকাল ১১:৩০টায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম অঞ্চল টীম সদস্য অধ্যাপক জাফর সাদেক। পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভা ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম অঞ্চল টীম সদস্য জনাব জাফর সাদেক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা গাজী আবুল কালাম, জাহাঙ্গীর আলম, পটিয়া শহর শিবিরের সভাপতি মাহবুব উল্লাহ প্রমুখ ১১ দলীয় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

কর্ণফুলী উপজেলা আমীর মনির আবছার চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিকাল ০৫ টায় কর্ণফুলীর ক্রসিং মোড়ে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মুহাম্মদ নুরুল আমিন চৌধুরী। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আবুল ফয়েজ, নুরুল হক, উপজেলা সেক্রেটারি নুরুদ্দীন জাহাঙ্গীর, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস কর্ণফুলী উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা আবরার হোসাইন, চট্টগ্রাম পশ্চিম জেলা শিবিরের সাহিত্য সম্পাদক শোয়াইবুল ইসলাম মোরশেদ, উপজেলা জামায়াতের বায়তুলমাল সেক্রেটারি এডভোকেট মুহাম্মদ হারুন সহ প্রমুখ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃবৃন্দ।

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে বোয়ালখালী উপজেলা ও পৌরসভা জামায়াতের উদ্যোগে মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর জননেতা আনোয়ারুল আলম চৌধুরী।

উপজেলা আমীর ডাঃ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মিছিলোত্তর সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আরিফুর রশীদ, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা ইমাম উদ্দীন ইয়াছিন, বোয়ালখালী পৌরসভা জামায়াতের নায়েবে আমীর জয়নাল আবেদীন, সেক্রেটারি আব্দুর রহমান, ছাত্রশিবির বোয়ালখালী সদর শাখার সভাপতি আবু তাহের নোমান, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন এর সভাপতি মাওলানা নুরুল কবির, পৌরসভা সভাপতি মাওলানা মফিজুর রহমান প্রমুখ।

আনোয়ারা উপজেলা আমীর বীর মুক্তিযোদ্ধা মাষ্টার আবদুল গণির সভাপতিত্বে বিকাল ০৫ টায় আনোয়ারা টানেল মোড়ে অনুষ্ঠিত মিছিলোত্তর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ড. হেলাল উদ্দিন মুহাম্মদ নোমান। আরও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী, উপজেলা সেক্রেটারি আবুল হাছান সহ প্রমুখ ১১ দলীয় নেতৃবৃন্দ।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ