জনম জনম ইমরান-পড়শী,র কন্ঠে মাত

বিনোদন রিপোর্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

৯ বছর আগে, ২০১৭ সালে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ইমরান মাহমুদুল ও সাবরিনা পড়শীর দ্বৈত কণ্ঠে একটি গান গেয়েছিলেন। সে সময় শ্রোতাদের তমন একটা মুগ্ধ করতে পারনি। অনেকদিন পর এসে সেই গান স্পর্শ করল স্রোতার হ্রদয়ে। ইউটিউবে এগানটি ১০০ মিলিয়ন ভিউ হয়েছে।

ইমরান-পড়শী জুটির প্রথম ডুয়েট এটি। সময়ের ব্যবধানে তারা জুটি বেঁধে বহু গান করলেও পুরোনো এই গানটি এখনও শুনছেন শ্রোতারা।
গানটির এমন অর্জন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন গায়ক ইমরান মাহমুদুল। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমার মিউজিক ক্যারিয়ারে পড়শীর সঙ্গে এটাই ছিল প্রথম কোনো ডুয়েট গান। দেখতে দেখতে গানটি ১০ কোটিরও বেশি ভিউ পার করেছে।যদিও গানটি ইউটিউবের যুগের গান নয়, তারপরও সময় ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজও গানটি শ্রোতাদের ভালোবাসা পাচ্ছে এটাই সত্যিই আনন্দের।

গানটি লিখেছেন জনপ্রিয় গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন। সহশিল্পীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ইমরান আরও লেখেন, রবিউল ইসলাম জীবনের কথায়, আমার সুর ও সংগীতে “জনম জনম” গানটি ছিল পড়শীর তৃতীয় একক অ্যালবামের গান। সেই অ্যালবামের সবচেয়ে জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে এটিও ছিল অন্যতম। গানটির সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও ভালোবাসা। “জনম জনম” এভাবেই বেঁচে থাকুক শ্রোতাদের ভালোবাসায়।

২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি জি-সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে অফিসিয়াল ভিডিও আকারে প্রকাশ করা হয় গানটি। ভিডিওটি পরিচালনা করেছিলেন রম্য খান। অডিও ক্যাসেট ও সিডির যুগ পেরিয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও গানটি একইভাবে সফল, তা বলাই বাহুল্য

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাকিস্তানি অভিনেত্রী দুরেফিশান সেলিমকে নিয়ে নেটদুনিয়ায় ঝড়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাকিস্তানি অভিনেত্রী দুরেফিশান সেলিমকে ঘিরে তুঙ্গে নেটপাড়ায়। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত নাটক ‘দার-ই-নিজাত’-এ তার বলা ইংরেজি সংলাপের ধরন ও উচ্চারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।মূলত চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে ‘জারিয়াব’ নামের একটি উচ্চবিত্ত পরিবারের তরুণীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি, যে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ঐ চরিত্রটিকে ইংরেজি ও উর্দু মিশ্রণে কথা বলতে দেখা যায়। তবে নাটকের এই সংলাপের উপস্থাপন নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে। নানা আলোচনা-সমালোচনার পর গঠনমূলক চর্চা দ্রুতই রূপ নেয় কুরুচিপূর্ণ ব্যক্তিগত আক্রমণে।

একজন শিল্পীর বিরুদ্ধে অসংবেদনশীল ও অসৌজন্যমূলক মন্তব্য দেখে নীরব থাকেননি অভিনয় শিল্পী সাইদ। তিনি সামাজিক মাধ্যমে কড়া প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন। কোনো শিল্পীর বাচনভঙ্গি কিংবা কাজের ভুলভ্রান্তি নিয়ে এভাবে উন্মাদনা তৈরি করা কেবল অসংবেদনশীলতাই নয়, বরং এক ধরণের মানসিক নিষ্ঠুরতাও বটে।

এদিকে নেটদুনিয়ার একাংশের মতে, সংলাপ একটি নাটকের প্রাণকেন্দ্র এবং চিত্রনাট্যে কোনো ঘাটতি থাকলে অভিনেতার পক্ষে তা নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা বেশ কঠিন। তাই স্ক্রিপ্টের ভুল বা সংলাপের ত্রুটি নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা করাকে ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখা উচিত।

কিন্তু কাজের পর্যালোচনার নামে কাউকে ব্যক্তিগতভাবে হেনস্তা করা কতটা যৌক্তিক- সানাম সাইদের তোলা এই প্রশ্নটি এখন পুরো পাকিস্তান বিনোদন অঙ্গনে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জনপ্রিয় নাটক ‘ইশক মুর্শেদ’-এ বিলাল আব্বাসের বিপরীতে অভিনয় করে আন্তর্জাতিক পরিসরে ব্যাপক পরিচিতি ও ভালোবাসা পান দুরেফিশান সেলিম। তাকে সর্বশেষ ‘কাফিল’ ধারাবাহিকের ‘জেবা’ চরিত্রেও দেখা গেছে।

২৭ লাখের ঘড়ি, ৪৫ লাখের ব্যাগবিনোদন ডেস্ক : নিয়ে সংসদে কঙ্গনা রানাউত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংসদে যাওয়ার সাজেও তারকাদের ফ্যাশন যে আলাদা নজর কাড়ে, সেটিই যেন আবারও প্রমাণ করলেন বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। ভারতের বর্ষাকালীন সংসদ অধিবেশনে সম্প্রতি হালকা নীল রঙের রেশমের শাড়ি পরে হাজির হন তিনি।তবে শাড়ির চেয়ে বেশি আলোচনা তৈরি করেছে তার হাতে থাকা বিলাসবহুল ব্যাগ ও হাতঘড়ি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কঙ্গনার হাতে থাকা হার্মেস বারকিন ব্যাগটির আনুমানিক দাম ৩৫ লাখ রুপি, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ৪৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। টোগো চামড়ায় তৈরি এই ব্যাগ বিলাসবহুল ফ্যাশন দুনিয়ায় অন্যতম জনপ্রিয় ও কাঙ্ক্ষিত অনুষঙ্গ।ব্যাগের সঙ্গে কঙ্গনার এবারের সাজে ছিল রোলেক্সের লেডি-ডেটজাস্ট ঘড়ি।বাদামি ডায়ালের এই ঘড়িটির আনুমানিক মূল্য ২১ লাখ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৭ লাখ ২১ হাজার টাকা।

অর্থাৎ শুধু ব্যাগ ও ঘড়ির দামই দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৭২ লাখ ৫৭ হাজার টাকা।তবে কঙ্গনার বিলাসী অনুষঙ্গের তালিকা এখানেই শেষ নয়। বর্ষার দিনে তার হাতে দেখা গেছে গুড আর্থের একটি ছাতাও।এর দাম ৬ হাজার ১০০ রুপি, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭ হাজার ৯০০ টাকা। ছাতাটিতে ভারত মহাসাগর থেকে অনুপ্রাণিত নকশার পাশাপাশি রয়েছে কাঠের হাতল।

সব মিলিয়ে কঙ্গনার ব্যবহৃত ব্যাগ, ঘড়ি ও ছাতার আনুমানিক মূল্য দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৭২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। অবশ্য এই হিসাবের মধ্যে তার শাড়ি, ব্লাউজ, জুতা কিংবা অন্যান্য অনুষঙ্গের দাম ধরা হয়নি।কঙ্গনার এই সংসদীয় সাজ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ফ্যাশনভিত্তিক সংবাদমাধ্যমেও চলছে আলোচনা।সাধারণ শাড়ির সঙ্গে লাখ লাখ টাকার বিলাসী অনুষঙ্গের মেলবন্ধনই মূলত তার এবারের লুককে দিয়েছে বাড়তি আকর্ষণ।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ