লাইনের ওপর ৮ ইঞ্চি পানি, চার ঘণ্টা স্টেশনে দুই শাটল ট্রেন

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা ঠিক সময়ে ক্যাম্পাসে পৌঁছাতে পারেননি। এ কারণে নির্ধারিত সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি বিভাগের পরীক্ষা শুরু করা যায়নি।সোমবার (১৭ আগষ্ট) সকালে বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম-নাজিরহাটগামী রেললাইন ডুবে যাওয়ায় ট্রেন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

ষোলশহর স্টেশন মাস্টার মো. মাঈন উদ্দিন বলেন, বটতলা রেলস্টেশন থেকে সকাল ৭টা ১৫ মিনিট ও ৭টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে আসা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি শাটল ট্রেন ষোলশহর স্টেশনে এসে আটকে যায়। অতিবৃষ্টির কারণে রেললাইনের ওপর প্রায় ৮ ইঞ্চি পানি জমেছে। দীর্ঘ সময় ট্রেন আটকে থাকায় অনেক শিক্ষার্থী স্টেশন ছেড়ে বিকল্প পরিবহনে ক্যাম্পাসে যাওয়ার চেষ্টা করে।

তবে কিছু শিক্ষার্থী বাধ্য হয়ে ট্রেনের ভেতরেই অপেক্ষা করেন। এদিকে শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের জন্য কোনো বিকল্প বাসের ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ তৈরি হয়।বিশেষ করে একই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ক্লাস ও পরীক্ষা চলমান থাকায় বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, চট্টগ্রাম শহর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রে শাটল ট্রেনই তাদের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী মাধ্যম। হঠাৎ শাটল বন্ধ হয়ে গেলে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর পক্ষে সড়কপথে ক্যাম্পাসে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে।

চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন বিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুল সালমান বলেন, শাটল ট্রেন বন্ধ থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাস-পরীক্ষাও বন্ধ রাখা উচিত। কারণ শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশের ক্যাম্পাসে আসার একমাত্র নির্ভরযোগ্য মাধ্যম শাটল ট্রেন।

তিনি বলেন, শাটল বন্ধ থাকলে বিকল্প লোকাল পরিবহনের মাধ্যমে সব শিক্ষার্থীর পক্ষে ক্যাম্পাসে আসা সম্ভব নয়। কিছু শিক্ষার্থী অনেক কষ্ট করে ক্যাম্পাসে পৌঁছাতে পারলেও অনেকে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও আসতে পারেন না। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার নামে বৃহত্তর একটি অংশকে বঞ্চিত করার সুযোগ নেই।

জানা গেছে, ট্রেন বন্ধ থাকায় বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। চবির যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, সমাজত্ত্ব বিভাগ ও রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল সকাল সাড়ে ১০টায়। পরে শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে সাংবাদিকতা বিভাগের পরীক্ষা ৪০ মিনিট দেরিতে শুরু করা হয়।

রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র মোহাম্মদ আবিদ জানান, পরীক্ষা সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ট্রেন বন্ধ থাকায় নির্ধারিত সময়ে ক্যাম্পাসে পৌঁছাতে পারেননি। পরে বাসে করে ক্যাম্পাসে যান তিনি। শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে পরীক্ষা কিছুটা দেরিতে শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

চবির প্রক্টরিয়াল অফিস থেকে জানা গেছে, ভারীর বৃষ্টির কারণে রেললাইন পানিতে ডুবে যাওয়ায় ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। যেসব শিক্ষার্থীর পরীক্ষা বা অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম রয়েছে, তাদের বিকল্প পথে ক্যাম্পাসে পৌঁছানোর পরামর্শ দেওয়া হয় অফিস থেকে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা : বেসরকারি ওয়েবসাইটে ফাঁস ব্যক্তিগত তথ্য

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে গত চার বছরে ১০ লাখের বেশি এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীর রোল, রেজিস্ট্রেশন নাম্বার, জিপিএ এবং জন্মতারিখসহ স্পর্শকাতর সব তথ্য এখন পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ধরনের বেসরকারি ওয়েবসাইটে, যা সাইবার জগতে বিপুল শিক্ষার্থীকে ফেলেছে নিরাপত্তাঝুঁকিতে, একই সঙ্গে এর মাধ্যমে লঙ্ঘন হচ্ছে ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষার আইনেরও। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থীদের রোল, রেজিস্ট্রেশন নাম্বারসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য থাকার কথা অনুমোদিত তিনটি সরকারি ওয়েবসাইটের অনলাইন সার্ভারে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষা বোর্ডের তথ্যভাণ্ডার বা ডেটাবেজ হ্যাকিং না হলে এসব সংবেদনশীল তথ্য বাইরে আসার সুযোগ নেই। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ অপ্রাপ্তবয়স্ক। ফলে অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া তথ্যগুলো জনসমক্ষে উন্মুক্ত হয়ে পড়ায় তাদের মারাত্মক সাইবার ঝুঁকিতে ও সামাজিক প্রতারণার মুখে পড়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। যদিও নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

তবে তথ্য ফাঁসের বিষয়টি অস্বীকার করলেন চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী। তার দাবি, বোর্ড থেকে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য উন্মুক্ত করা হয়নি বা কাউকে দায়িত্বও দেওয়া হয়নি। আমাদের মূল ডেটাবেজ হ্যাক হওয়ার সুযোগ নেই। ফলাফল প্রক্রিয়ার জন্য আমরা বুয়েট, চিটাগং ডকইয়ার্ড লিমিটেড ও টেলিটককে তথ্য দিয়ে থাকি, সেখান থেকে কিছু হয়ে থাকতে পারে। তবে এতে বড় কোনো ঝুঁকি সৃষ্টি হবে না বলেও তিনি মনে করেন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩-২৬ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ৭ লাখ ২২ হাজার ৩৯৯ জন। আর ২০২৩-২৫ পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন ৩ লাখ ১০ হাজার ১৩৬ জন। সব মিলিয়ে দুই পাবলিক পরীক্ষায় ১০ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৫ শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য এভাবে ফাঁস হয়েছে। অনুসন্ধানে অন্তত তিনটি ওয়েবসাইট ঠিকানার সন্ধান মিলেছে।

এর মধ্যে দুটির ডোমেইন ভারসেল ডট অ্যাপ এবং আরেকটি ডোমেইন গিটহাব ডট আইও। ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে একটিতে পরীক্ষার্থীদের রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম, পরীক্ষার বছর, ধরন, বিভাগ, মেরিট র‌্যাংক, মোট প্রাপ্ত নম্বর, জিপিএ, মা-বাবার নাম, জন্মতারিখ এবং বিষয়ভিত্তিক প্রাপ্ত নম্বরসহ ১৪ ধরনের তথ্য সরাসরি দেখা যাচ্ছে। ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৬ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

আরেকটিতে শিক্ষার্থীর নাম, প্রতিষ্ঠানের নাম, রোল, জিপিএসহ সাত ধরনের তথ্য যে কেউ দেখতে পাচ্ছেন। এখানে ২০২২ সালের এসএসসি, ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের এসএসসি ও এইচএসসি এবং ২০২৬ সালের এসএসসির ফলাফলভিত্তিক আটটি তথ্য উন্মুক্ত। একইভাবে অন্তত আট ধরনের ব্যক্তিগত তথ্য উন্মুক্ত তৃতীয় ওয়েবসাইটটিতেও। এখানে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের এইচএসসি এবং ২০২৫ ও ২০২৬ সালের এসএসসির ফলের সব তথ্য মিলছে।

এদিকে দৈবচয়ন ভিত্তিতে অন্তত ১০০ শিক্ষার্থীর রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ফলাফলের ওয়েবসাইটে দিয়ে যাচাই করা হয়েছে। তাতে দেখা যায়, সরকারি পোর্টালে সার্চ দিলে ফল, গ্রেডসহ ১১টি তথ্য মেলে। অথচ অননুমোদিত ওয়েবসাইটগুলোয় রোল-রেজিস্ট্রেশনের বিপরীতে জন্মতারিখসহ বাড়তি আরও তিনটি তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

জানা গেছে, ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন-২০২৬ ও বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ডেটা প্রাইভেসি নীতিমালা অনুযায়ী, নাম, জন্মতারিখ, মা-বাবার নাম এবং প্রাতিষ্ঠানিক রোল ও রেজিস্ট্রেশন ‘ব্যক্তিগতভাবে শনাক্তযোগ্য তথ্য’ (পিআইআই) হিসেবে বিবেচিত। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া এসব তথ্য প্রকাশ বা প্রদর্শন করা সম্পূর্ণ বেআইনি।মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছরের নিচে, তাই আইনের বিধান অনুযায়ী তাদের তথ্য সংগ্রহ ও প্রকাশের আগে অভিভাবকের স্পষ্ট সম্মতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু এসব ওয়েবসাইটে কোনো ধরনের সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা বা সম্মতির প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কোনো অভ্যন্তরীণ ডেটাবেজ বা এপিআই (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) থেকে হয়তো এসব তথ্য হ্যাক করা হয়েছে। এভাবে নাম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মা-বাবার নাম প্রকাশ্যে থাকলে তা দিয়ে হ্যাকার বা প্রতারক চক্র খুব সহজেই ভুয়া পরিচয় তৈরি (আইডেন্টিটি থ্যাফট) করতে পারে। একই সঙ্গে বিষয়ভিত্তিক নম্বর ও ফলের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা কোচিং সেন্টার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের ব্যক্তিগত নম্বরে যোগাযোগ করে বিরক্ত করার সুযোগ পায়, যা সাইবার বুলিংয়ের ঝুঁকিও বাড়ায়।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মীর মু. সাক্বী কাওসার বললেন, যেসব তথ্য শিক্ষা বোর্ড প্রকাশ করেনি, সেগুলো থার্ডপার্টি ওয়েবসাইটে পাওয়ার অর্থ হলো, তাদের ডেটাবেজ হ্যাক হয়েছে। কারণ কেউ স্ক্র্যাপ করলে তারা যা প্রকাশ করেছে, তা-ই শুধু পাওয়া যেত। বাড়তি তথ্য পাওয়া যেত না। এটি ভয়াবহ ঘটনা। ব্যক্তিগত তথ্য পাবলিক ডোমেইনে প্রকাশ হওয়ায় শিক্ষার্থীরা প্রতারিত হওয়াসহ নানা নিরাপত্তাঝুঁকিতে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার দায়িত্ব শিক্ষা বোর্ডের। এর দায় শিক্ষা বোর্ডকে নিতে হবে।শিক্ষা বোর্ড ও সরকারের সাইবার নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিভাগগুলোর দ্রুত এসব অননুমোদিত ওয়েবসাইট বন্ধ করা এবং শিক্ষা বোর্ডের তথ্যভাণ্ডারের নিরাপত্তাব্যবস্থা পুনর্মূল্যায়ন করা জরুরি বলে মনে করছেন তিনি।

ডিজিটাল অধিকার ও সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ডিজিটালি রাইট’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিরাজ আহমেদ চৌধুরীও বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর এবং এটি বোর্ডের পুরো ডিজিটাল অবকাঠামোর নিরাপত্তাব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষার আইন লঙ্ঘনের পাশাপাশি এসব তথ্য ব্যবহার করে প্রতারকরা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের নানামুখী হয়রানি ও আর্থিক প্রতারণার মুখে ফেলতে পারেন। এজন্য শিক্ষা বোর্ডকে অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

চুয়েটের সব পুকুরকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল-সংলগ্ন পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে যন্ত্রকৌশল
বিভাগের শিক্ষার্থী অর্ণব সাহার মৃত্যুর
রেশ কাটতে না কাটতেই দুই সপ্তাহের ব্যবধানে গতকাল ১২ আগস্ট বুধবার একই পুকুরে পানিতে ডুবে আরও দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের চমক দত্ত এবং তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের শান্ত দেব। তারা দুজনই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। মর্মান্তিক এমৃত্যুতে গোটা বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।

এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ক্যাম্পাসের সব পুকুরকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা এবং সেগুলোতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব পুকুরে নামা, সাঁতার কাটা কিংবা পানিতে প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।আজ ১৩ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের সকল পুকুরকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসের কোনো পুকুরে নামা, সাঁতার কাটা বা পানিতে প্রবেশ করা যাবে না।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ