শিক্ষার সঙ্গে সামাজিক দায়িত্ববোধের সমন্বয় ঘটাতে হবে : জেলা প্রশাসক

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শুধু বই পড়ে জ্ঞান অর্জন কিংবা বড় ডিগ্রি পেলেই প্রকৃত মানুষ হওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, শিক্ষার সঙ্গে মানবিকতা, দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়িত্ববোধের সমন্বয় ঘটাতে হবে।বড়দের সম্মান, ছোটদের স্নেহ এবং বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা না থাকলে সেই শিক্ষা সমাজ বা রাষ্ট্রের কোনো কাজে আসে না।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে নগরের জিইসি কনভেনশন সেন্টারে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বইপড়া কর্মসূচির পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।চট্টগ্রাম নগরের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করতে দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, মানুষকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বই।বই এমন একটি বাহন, যা মানুষকে অতীতের কাছে নিয়ে যায়, বর্তমানকে বুঝতে শেখায় এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করতে সহায়তা করে।বর্তমান বিশ্ব অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হয়ে উঠতে হবে।দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ বিপুল জনগোষ্ঠী। প্রতিটি মানুষকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে পারলেই দেশ এগিয়ে যাবে।

শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, শুধু সামনের দুটি চোখ নয়, শিক্ষার মাধ্যমে মনের চোখও খুলতে হবে। যে শিক্ষা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে, বড়দের সম্মান করতে এবং ছোটদের ভালোবাসতে শেখায়, আমরা সেই শিক্ষায় শিক্ষিত হতে চাই।

সমাজে ক্রমবর্ধমান আত্মকেন্দ্রিকতা ও স্বার্থপরতার সমালোচনা করে জেলা প্রশাসক বলেন, মানুষ সামাজিক জীব। সমাজ ও দেশকে ভালো না রেখে কোনো ব্যক্তি একা ভালো থাকতে পারেন না। অর্জিত শিক্ষা সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজে না লাগলে বড় ডিগ্রি কিংবা সনদও মানুষকে স্মরণীয় করে রাখতে পারে না।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পেছনে অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে সেই আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি নিরাপদ ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে।
প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রযুক্তি একটি কার্যকর সেবক, কিন্তু বিপজ্জনক প্রভুও হয়ে উঠতে পারে।

প্রযুক্তিকে দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করতে না পারলে তা ব্যক্তি ও সমাজের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই বই পড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন এবং এর নিরাপদ ও ইতিবাচক ব্যবহার শিখতে হবে।
দেশের মেধাবী তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁদের মেধা ও দক্ষতা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। বাংলাদেশকে বিশ্বদরবারে দৃঢ় অবস্থানে নিয়ে যেতে দেশপ্রেম, মানবিকতা ও আধুনিক জ্ঞানের সমন্বয়ে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ৪৮ বছর ধরে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশব্যাপী বইপড়া কর্মসূচি পরিচালনা করছে। বর্তমানে দেশের প্রায় ১ হাজার ৪০০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দেড় লাখ শিক্ষার্থী এ কর্মসূচিতে যুক্ত।

২০২৫ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম নগরের ১০১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১৩ হাজার শিক্ষার্থী কর্মসূচিতে অংশ নেয়। তাদের মধ্যে মূল্যায়নে কৃতিত্ব অর্জনকারী ৫ হাজার ৮৯৬ শিক্ষার্থীকে দিনব্যাপী উৎসবের দুটি পর্বে পুরস্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. বিল্লাল হোসেন খান, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক, বিশিষ্টজন ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পণ্যের মান বজায় রাখা শুধু ব্যবসায়িক সুবিধাই বাড়ায় না, বরং পরিবেশ সুরক্ষায় ও টেকসই অর্থনীতি গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।বিশ্ব মান দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের আলোচনা সভার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইইটি পরিচালক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) আগ্রাবাদের জাম্বুরি মাঠ এলাকায় বিএসটিআইয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ‘উন্নত বিশ্বের জন্য অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি: সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি।

আলোচনা সভার সভাপতি বিএসটিআই চট্টগ্রামের অফিস প্রধান ও উপপরিচালক (মেট্রোলজি) মো. মোমেন উস সাজ্জাদ বিশ্ব মান দিবসের তাৎপর্য ও পণ্যের গুণগতমান রক্ষা ও তদারকির ক্ষেত্রে বিএসটিআই, চট্টগ্রামের অবদান বিভিন্ন পরিসংখ্যানের মাধ্যমে তুলে ধরেন এবং আধুনিক ল্যাবরেটরি স্থাপনের মাধ্যমে ভোজ্যতেলের ভিটামিন-এ সহ অন্যান্য জরুরি পণ্যের মান পরীক্ষণ নিশ্চিতের ব্যাপারে জানান।
তিনি বলেন, ভোক্তাসাধারণের সুবিধার্থে ও সেবাপ্রাপ্তি সহজ করতে ডিজিটাল সেবা, কিউআর কোড এবং হেল্পলাইন (১৬১১৯) চালু করা হয়েছে। তিনি বাজারের গুণগতমান নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
প্রধান অতিথি চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) ও পরিচালক (স্থানীয় সরকার) মনোয়ারা বেগম বলেন, বিএসটিআই কোনো অবস্থাতেই মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে ছাড় বা আপস যেন না করে। শতভাগ গুণগতমান নিশ্চিত করেই কেবল লাইসেন্স দিতে হবে।তিনি বলেন, দেশের প্রধান বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামে আধুনিক ল্যাবরেটরিসহ নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে সেবাগ্রহীতারা কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়া দ্রুততম সময়ে সেবা লাভ করতে পারেন।
পণ্যের মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ পরিবর্তনসহ নানাবিধ প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সামগ্রিক জনকল্যাণ ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ না করলে মান নিশ্চিত করা অসম্ভব।
বিএসটিআইর সেবা ও কার্যক্রম সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত ও সচেতন করতে তিনি বড় বড় শপিং মলগুলোতে প্রচারণামূলক ব্যানার টাঙানোর পরামর্শ দেন।
ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ এসডিজির ৭ নম্বর অভীষ্ট তথা সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি নিশ্চিতকরণের জন্য বিভিন্ন প্রকার শক্তির সংমিশ্রণ ও নবায়নযোগ্য শক্তির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁর মতে সৌর প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারির মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তিতে যথাযথ মান বজায় না থাকলে কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা অর্জন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশে শতভাগ বিদ্যুৎ সুবিধার অগ্রগতি হলেও ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য অর্জনে উন্নত মাননিয়ন্ত্রণ ও ল্যাবরেটরি সক্ষমতা বৃদ্ধি অপরিহার্য।
তিনি বিএসটিআইর সোলার মডিউল ও ইনভার্টার টেস্টিং ল্যাবের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে মানভিত্তিক শিল্পায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, মান থেকেই টেকসই উন্নয়নের শুরু।
বিশেষ অতিথি পাঠান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো সাইদুজ্জামান বলেন. বিএসটিআইর লোগো আমাদের আস্থার প্রতীক; তাই দেশীয় পণ্যের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং ও মান নিশ্চিতকরণে ব্যবসায়ীদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি অপচয় রোধে এনার্জি অডিট চালু, ডিজিটাল সেবা কিউআর কোডের মাধ্যমে তথ্য প্রাপ্তি সহজীকরণ এবং ল্যাব স্যাম্পলের পাশাপাশি বাজারের পণ্যের মান নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথি কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এসএম নাজের হোসেন বলেন, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে ভেজাল রোধ এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি, অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর বাজার তদারকি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত রাখতে হবে। ভোক্তাদের সঠিক ওজন ও পরিমাপ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বিএসটিআইর পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সচেতন মহলের সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। তিনি একটি বৈষম্যহীন ও নিরাপদ বাজার ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অংশীজনদের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী পরিচালক (সিএম) শিমু বিশ্বাস ও ফারহানা জাহান পারুল। বক্তব্য দেন উপপরিচালক (রসায়ন) ইব্রাহীম খলিল।

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে হাসপাতালে ঢুকে পিটিয়ে হত্যা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাতক্ষীরার দেবহাটায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ওয়াহিদুজ্জামান শামীম (৩৮) নামের এক যুবককে দুই দফায় পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। প্রথম দফায় মারধরের পর পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।তবে রাতে একদল লোক হাসপাতালের ওয়ার্ডে ঢুকে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে ফের মারধর করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

আলোচিত খবর

২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সংশ্লিষ্ট বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের সম্ভাবনাই বেশি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়।

এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ