বক্তব্য দেয়ার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন

দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর সংসদে মির্জা আব্বাস

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকার পর দেশে ফিরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো যোগ দিয়েছেন বিএনপির হয়ে ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর তিনি সংসদে উপস্থিত হন। পরে সংসদে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। বক্তব্যের একপর্যায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এই সংসদ সদস্য।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সব ধর্মের মূল লক্ষ্য সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা: সিএমপি কমিশনার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মোহাম্মদ শওকত আলী বলেছেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। পৃথিবীর সব ধর্মের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সমাজে মানুষের অধিকার ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। সকল ধর্মের মানুষ, বর্ণের মানুষকে নিয়ে সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে হবে। তিনি বলেন, সব সম্প্রদায়ের মানুষ সম্মিলিতভাবে সম্পৃক্ত থেকে আগামীর অগ্রযাত্রাকে শক্তি এবং সাহসে পরিণত করতে হবে। সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে সাথে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। সবার অংশগ্রহণে প্রগতিশীল, কল্যাণময় বাংলাদেশ গড়তে মেধার বিকাশ ঘটাতে হবে।

ধর্মের ভিত্তিতে নয়, জ্ঞান, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মানুষকে মূল্যায়ন করতে হবে। দেশের নাগরিক হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিতে সবাইকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। কোন বিভাজন কিংবা বৈষম্যের শিকার যাতে কেউ না হয় সে ব্যাপারে সরকার সতর্ক রয়েছে। তিনি নির্ভয়ে সকল ধর্মের মানুষকে তাদের অনুষ্ঠান, উৎসব পালন এবং সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসার আহবান জানান।

তিনি শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ-কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি জন্মাষ্টমী উৎসব উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মহাশোভাযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নগরীর আন্দরকিল্লা মোড়ে মহাশোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন বাঁশখালী ঋষিধাম ও তুলসীধামের মোহন্ত মহারাজ শ্রীমৎ স্বামী সচ্চিদানন্দ পুরী মহারাজ। তিনি বলেন, পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মানুষের জন্য দিয়ে গেছেন মানবপ্রেমের অবিনশ্বর বাণী। নিয়মিত ধর্মচর্চা করলে সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য লাভ করা সম্ভব। সকল ধর্মেই সাম্য ও মানবতার কথা বলে। তাই ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা আমাদের দায়িত্ব।

মহাশোভাযাত্রা উপ-কমিটির আহ্বায়ক বাবুল ঘোষ বাবুনের সভাপতিত্বে শুরুতে গীতাপাঠ করেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি চন্দন দাশ। মহাশোভাযাত্রা উপ-কমিটির সদস্য সচিব শিমুল মুহুরীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট চন্দন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক লায়ন আর.কে দাশ রুপু, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টী রাজীব ধর তমাল, জন্মাষ্টমী পরিষদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ, প্রবর্তক ইসকন শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের অধ্যক্ষ দারুব্রহ্ম জগন্নাথ দাস ব্রহ্মচারী, নন্দনকানন রাধা মাধব মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক তারণনিত্যানন্দ দাস ব্রহ্মচারী, চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি, কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি লায়ন তপন কান্তি দাশ, সহ-সভাপতি প্রকৌশলী আশুতোষ দাশ, শিবু প্রসাদ দত্ত, বিদ্যালাল শীল, হরিপদ দাশ, লায়ন শংকর সেনগুপ্ত, চট্টগ্রাম মহানগর জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি লায়ন শংকর সেনগুপ্ত,

চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. নিখিল কুমার নাথ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল বরণ বিশ্বাস, মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. রাজীব বিশ্বাস। বক্তব্য রাখেন জন্মাষ্টমী পরিষদ কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক রতন আচার্য্য, উপ-অর্থ সম্পাদক সুমন ঘোষ বাদশা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ শংকর দাশ সিধু, সাংগঠনিক সম্পাদক চন্দন মহাজন, প্রচার সম্পাদক এস প্রকাশ পাল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক কানুরাম দে, রানা মহাজন, বাবলু দেবনাথ, অরুপ দাশ রুবেল, সুকান্ত মজুমদার, রাজু দাশ প্রমুখ।

শোভাযাত্রাটি আন্দরকিল্লা থেকে শুরু লালদীঘি পাড়, কোতোয়ালী মোড়, নিউমার্কেট, নন্দনকানন, ডিসি হিল, চেরাগী পাহাড় মোড় হয়ে জেএম সেন হলে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন মন্দির ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন। শোভাযাত্রায় বিপুল সংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে মিলিত হয় মিলনমেলায়।

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট–১ ও ইউনিট–২–এর বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা জাতীয় লোড ডিসপ্যাচ সেন্টারের (এনএলডিসি) আধুনিক (এসসিএডিএ/ইএমএস) নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বিএইসি) ও জিই ভারনোভা–এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের দায়িত্বশীল একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রকল্প সূত্র জানা গেছে, গতকাল বুধবার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউনিট–১ ও ইউনিট–২–এর বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা এবং ৪০০ কেভি ও ২৩০ কেভি জিআইএস সাবস্টেশনের প্রয়োজনীয় তথ্য এনএলডিসি–এর এসসিএডিএ/ইএমএস ব্যবস্থায় সংযুক্ত করার লক্ষ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।চুক্তির আওতায় রূপপুরের দুই ইউনিটের আটটি সঞ্চালন লাইন এবং ৪০০ কেভি ও ২৩০ কেভি জিআইএস সাবস্টেশনের গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারিত সিগন্যাল ও তথ্য জাতীয় গ্রিডের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় ইন্টিগ্রেট করা হবে। এর ফলে জাতীয় গ্রিড পরিচালনার সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় তথ্য ও সংকেত পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ