পাইন্দং বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আজ (১০ সেপ্টেম্বর) পাইন্দং বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদুন্নবী (সা.) শীর্ষক আলোচনা, কেরাত, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা-২০২৬ অত্যন্ত সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়। এ আয়োজনের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। কেরাত ও নাত প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, এটি শুধু একটি অনুষ্ঠান ছিল না, এটি ছিল আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ, নৈতিকতা, মানবিকতা ও সুন্দর চরিত্রের শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার একটি আন্তরিক প্রয়াস। বক্তারা আরো বলেন, আজকের একটি পুরস্কার হয়তো শুধু একটি শিশুর হাতে উঠেছে, কিন্তু তার মাধ্যমে হয়তো আগামী দিনের একজন ক্বারি, একজন আলেম, একজন আদর্শ শিক্ষক কিংবা একজন আলোকিত মানুষ তৈরি হওয়ার স্বপ্নের সূচনা হয়েছে। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি লায়ন মাসুদুল আলম চৌধুরী মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন মাওলানা হুবাইব নূর। বিশেষ বক্তা ছিলেন মোহাম্মদ জুনায়েদ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার মাহবুবুল আলম চৌধুরী, অভিভাবক প্রতিনিধি মিসেস আকলিমা বিবি, অভিভাবক এনাম, নূর হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম ফটিকছড়ির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাইফুদ্দিন সুমন, পাইন্দং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সাদ্দাম হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সহ-সম্পাদক মাইনুদ্দিন সোহেল, ফটিকছড়ি সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও ছাত্রনেতা আহমেদ হাছান চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কামরুল হাসান চৌধুরী, পাইন্দং কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব ওসমান গনি, মিলাদুন্নবী (সা.) কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা এমদাদ হোসাইন, সদস্য ফোরকান উদ্দিন মান্নান, তসফিক উদ্দিন আহমেদ, বোরহানউদ্দিন, মুক্তার উল আলম, সহকারী প্রধান শিক্ষক আশরাফ আলীসহ শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু গোবিন্দ দাস। মাওলানা হুবাইব নূরের মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাবার জানাজায় যাওয়ার পথেই ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল জিকুর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে শেষবারের মতো প্রিয় মুখটি দেখতে বাড়ির পথে ছুটে যাচ্ছিলেন ছেলে। কিন্তু সেই শেষ দেখা আর হলো না। পথেই ঘাতক ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ হারান নূর আলম জিকু (৪৫)। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বাবা-ছেলের মৃত্যুতে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লালনগর গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের আলামপুর ইউনিয়নের স্বস্তিপুর এলাকায় জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নূর আলম জিকু কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার লালনগর গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে বার্ধক্যজনিত কারণে নিজ গ্রামে মারা যান জিকুর বাবা জসিম উদ্দিন। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে শেষবারের মতো বাবাকে দেখতে কর্মস্থল মাগুরা থেকে ভায়রা ভাইয়ের সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন জিকু।

পথিমধ্যে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের স্বস্তিপুর এলাকায় পৌঁছালে একটি বালিবাহী ট্রাককে ওভারটেক করার চেষ্টা করেন তিনি। এ সময় মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের নিচে চলে যায়। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান জিকু এবং গুরুতর আহত হয় তার ভায়রাভাই।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

কুষ্টিয়া চৌড়হাস হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মো. মহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কুষ্টিয়া-হ ১৬-৬৬৪৯ সিরিয়ালের মোটরসাইকেলের আরোহী নূর আলম জিকু ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা গেছেন। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।ঘটনার পর পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

চট্টগ্রামে বাড়ছে ডেঙ্গু, সপ্তাহে আক্রান্ত পাঁচ শতাধিক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বৃষ্টির পর বেড়েই চলেছে চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর প্রকোপ। চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম এক সপ্তাহেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা পাঁচ শতাধিক ছাড়িয়েছে। গত আগস্টের পুরো মাসে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ হাজার ২০২ জন। এর আগে চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮৩৪ জন।

এদিকে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে চট্টগ্রাম নগরের ৭ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ওয়ার্ড দুটির বিভিন্ন এলাকায় এ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়।কর্মসূচির আওতায় মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস করা হয়।

পাশাপাশি নালা-নর্দমা, ডোবা, জলাবদ্ধ স্থান, নির্মাণাধীন স্থাপনা ও পরিত্যক্ত জায়গায় জমে থাকা পানিতে লার্ভিসাইড প্রয়োগ করা হয়। মশক নিধনেও বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের মশার প্রজননস্থল সম্পর্কে সচেতন করা হয়। একই সঙ্গে বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন চসিকের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে কুলসুম, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান জিয়া, মশক ও ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা আবু তাহেরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

চসিক কর্মকর্তারা জানান, নগরে ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ধারাবাহিকভাবে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হচ্ছে। শুধু ওষুধ প্রয়োগের ওপর নির্ভর না করে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও নাগরিকদের সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তারা আরও জানান, মশক নিধন কার্যক্রম সফল করতে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে। বাসাবাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগেই ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর এখন পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৫৪৮ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ছয়জন। চলতি বছরের জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরেই মারা গেছেন পাঁচজন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়লেও পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি। চট্টগ্রাম নগরী ও জেলার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর তেমন চাপ নেই। তবে আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তাতে এখনই সমন্বিতভাবে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চট্টগ্রামে বর্তমানে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে বিভিন্ন স্থানে স্বচ্ছ পানি জমে এডিস মশার প্রজননের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে ফুলের টব, ডাবের খোসা, গাড়ির টায়ারসহ বিভিন্ন পরিত্যক্ত পাত্র ও সামগ্রীতে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করছে। চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শরীরে তরলের ভারসাম্য ঠিক রাখা। এনএস-১ পরীক্ষার ফল পজিটিভ হলেই সবাইকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই। রোগীর শারীরিক অবস্থা ও রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষার ফল বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাসপাতালে ভর্তি হওয়া উচিত।

ডেঙ্গুর জটিল পর্যায়ে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশেষ করে জ্বর কমে যাওয়ার পরের সময়টিকে চিকিৎসকরা গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। এ সময় রোগীর শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। প্লাটিলেট কমে গেলেই আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান বলেন, প্রায় প্রতিদিনই থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে এডিস মশার বংশবিস্তার হচ্ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন মশক নিধনে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন জায়গায় ডেঙ্গু বিষয়ে সচেতনতা তৈরির জন্য লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে।

এদিকে, চট্টগ্রাম নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৮টি ওয়ার্ডে চালানো জরিপে প্রায় ২৭ শতাংশ বাড়িতে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য বিভাগের ওই জরিপে লার্ভার উপস্থিতি স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামে ২০২৫ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪ হাজার ৮৬৪ জন। মারা যান ২৭ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্ত হন ৪ হাজার ৩২৩ জন এবং মারা যান ৪৫ জন। ২০২৩ সালে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৪ হাজার ৮৭ জন, মারা যান ১০৭ জন। আর ২০২২ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হন ৫ হাজার ৪৪৫ জন, মারা যান ৪১ জন।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ