চলতি বছর দৈনিক আড়াই কোটি লিটার পানি সরবরাহের টার্গেট

পানির চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতি পূরণে বাড়ছে উৎপাদন সক্ষমতা

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুন থেকে এমডি যোগদানের পর গতি ফিরেছে চট্টগ্রাম ওয়াসার -------------------

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছর দৈনিক আড়াই কোটি লিটার পানি সরবরাহে যুক্ত করার টার্গেট নিয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে পানির চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতি পূরণে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। স্বল্পমেয়াদে গভীর নলকূপ স্থাপন এবং দীর্ঘমেয়াদে পানি শোধনাগার সম্প্রসারণ ও নতুন শোধনাগার নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সংস্থাটি। ওয়াসার লক্ষ্য, চলতি বছর দৈনিক আড়াই কোটি লিটার পানি সরবরাহে যুক্ত করা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদন সক্ষমতা আরও ৫০ কোটি লিটার বাড়ানো।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম ওয়াসার নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম যোগদান করার পর চট্টগ্রাম ওয়াসার কাজে গতি এসেছে। ওয়াসার রাজস্ব আদায়, গ্রাহকদের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ, অবৈধ সংযোগ এবং লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপের তথ্য সংগ্রহ, কাজের গতি আনতে কর্মচারী -কর্মকর্তাকে পদোন্নতি, পানি সরবরাহ বৃদ্ধিসহ একাধিক কার্যক্রমে সরকারী এ সংস্থাটির গতি ফিরেছে।
ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, পানির চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতি পূরণে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি। গভীর নলকূপ স্থাপনের একটি প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৪৯ কোটি টাকা। এর আওতায় ২০টি গভীর নলকূপ স্থাপন, ৩৫টি পরীক্ষামূলক নলকূপ খনন এবং প্রায় ৪ দশমিক ৭ কিলোমিটার সরবরাহ লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।এ ছাড়া বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ৩ হাজার ৯২১ কোটি টাকার পানি সরবরাহ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে গভীর নলকূপ স্থাপন, পাইপলাইন উন্নয়ন ও ডিজিটাল পানির মিটার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
ওয়াসার হিসাবে, চট্টগ্রাম নগরীতে দৈনিক পানির চাহিদা প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ কোটি লিটার। বিপরীতে উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৫০ কোটি লিটার। ফলে চাহিদার তুলনায় দৈনিক ঘাটতি রয়েছে।নতুন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের পাশাপাশি পাইপলাইনের অপচয় ও সিস্টেম লস কমানো গেলে নগরবাসীর পানির সংকট অনেকটাই কমবে বলে আশা করছে সংস্থাটি।
চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলমের বলেন, শুষ্ক মৌসুমে কর্ণফুলী ও হালদা নদীর পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় পানি উৎপাদন ব্যাহত হয়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় গভীর নলকূপ স্থাপনের পাশাপাশি বিদ্যমান শোধনাগারগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এ জন্য অর্থায়ন ও সম্ভাব্যতা যাচাই নিয়ে দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে।
ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম জানিয়েছেন, মোহরা এলাকায় দৈনিক ২০ কোটি লিটার সক্ষমতার নতুন শোধনাগার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই ও অর্থায়নের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে বকেয়া রাজস্ব আদায়ে বিশেষ কার্যক্রম জোরদারের পর চট্টগ্রাম ওয়াসার মাসিক রাজস্ব আদায় ২৮ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে যেখানে মাসিক রাজস্ব আদায় ১৮ থেকে ২০ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, সেখানে সেপ্টেম্বর মাসে আদায় হয়েছে ২৮ কোটি ২৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।
চট্টগ্রাম ওয়াসার সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসের রাজস্ব আদায়ের হিসাব অনুযায়ী, মোট আদায়ের মধ্যে পানির বিল থেকে এসেছে ২৬ কোটি ১৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে চলতি বিল বাবদ ১৪ কোটি ১৯ লাখ ১১ হাজার টাকা এবং বকেয়া বিল থেকে আদায় হয়েছে ১২ কোটি ১৪ হাজার টাকা।এ ছাড়া সারচার্জ থেকে ৮০ লাখ ৫৭ হাজার টাকা, গভীর নলকূপ ফি বাবদ ৬৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং নতুন সংযোগ খাত থেকে ৩৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকা আদায় হয়েছে। এর আগে আগস্ট মাসে চট্টগ্রাম ওয়াসার রাজস্ব আদায় হয়েছিল ২৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
ওয়াসা সূত্র জানায়, ২৫ হাজার টাকার বেশি বকেয়া রয়েছে এমন গ্রাহকদের সংযোগ সরেজমিন পরিদর্শন করে বকেয়া আদায়ের উদ্যোগ নেয় সংস্থাটি। একই সঙ্গে গ্রাহকদের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ, অবৈধ সংযোগ এবং লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপের তথ্যও সংগ্রহ করা হয়।
সংস্থাটির মোট বকেয়া রাজস্বের পরিমাণ প্রায় ২৫৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কাছে পাওনা ৭১ কোটি ৫২ লাখ টাকা। আর সাধারণ গ্রাহকদের কাছে পাওনা রয়েছে ১৮৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।এ ছাড়া মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপ স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধেও নেওয়া হচ্ছে আইনগত ব্যবস্থা।
চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম বলেন, রাজস্ব আদায়ে বর্তমানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গঠিত দলগুলো এলাকাভিত্তিক কাজ করে বকেয়া থাকা গ্রাহকদের বিল পরিশোধে উৎসাহিত করছে। এর আগে ৫০ হাজার টাকার বেশি বকেয়া আদায়ে কাজ করা হয়েছে। এখন ২৫ হাজার টাকার বেশি বকেয়াধারীদের নিয়ে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড হয়েছে। এই ধারা অব্যাহত থাকবে। এ কাজে আগ্রহ ও উৎসাহ প্রদানের জন্য সর্বোচ্চ বকেয়া আদায়কারী তিনজন মিটার পরিদর্শককে ক্রেস্ট এবং প্রতিটি টিমের সদস্যদের সনদ দেওয়া হয়েছে।ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরও বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা সরকারের রাজস্ব আদায়ে বদ্ধপরিকর। সম্মানিত গ্রাহকদের অনুরোধ করবো, আইন মেনে সংযোগ ও নলকূপের লাইসেন্স গ্রহণ করুন এবং বকেয়া টাকা পরিশোধ করুন।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম ওয়াসার নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম যোগদান করার পর চট্টগ্রাম ওয়াসার কাজে গতি এসেছে। তাকে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে ২১ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে। ১লা জুন ২০২৬ সালে ওয়াসার এমডি হিসেবে যোগদান করেন।
চট্টগ্রাম ওয়াসার চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসের রেভিনিউ ছিলো ১৮ কোটি টাকা, মার্চ মাসে ১৯ কোটি, এপ্রিলে ২০ কোটি, মে মাসে ১৯ কোটি টাকা কিন্তু জুন মাসে রাজস্ব আদায় হয়েছে সর্বমোট ২৬ কোটি ৭০ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। যা এযাবৎ বিগত কয়েক বছরের মধ্যে ওয়াসার সর্ব্বোচ রাজস্ব আদায়।
এছাড়া সেলিম এমডি হিসেবে যোগদান করার পরই ওয়াসার ইতিহাসে ২৪২ জন কর্মচারী -কর্মকর্তাকে পদোন্নতি প্রদান করেন যারা এতোদিন বৈষম্যের শিকার ছিলো।
এ বিষয়ে ওয়াসার এমডি প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম আরো বলেন,
এটি শুধু একটি আর্থিক সাফল্য নয়, বরং গ্রাহকদের আস্থা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠা এবং সুশাসনভিত্তিক ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন। আমরা স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আধুনিক সেবার মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছি। এই অর্জন আমাদের ভবিষ্যতে আরও উন্নত ও টেকসই পানি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে অনুপ্রাণিত করবে। আমরা আশা করি, সবার সহযোগিতায় চট্টগ্রাম ওয়াসা আগামী দিনেও সেবার মান ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় নতুন নতুন মাইলফলক স্পর্শ করবে।তিনি বলেন,সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চট্টগ্রাম ওয়াসার পাওনা ২৪১ কোটি টাকা।আগামী এক বছরে তা অর্ধেকে নামিয়ে আনা হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মেয়াদোত্তীর্ণ বিস্কুট ও রং মেশানো চানাচুর বিক্রি চট্টগ্রামে জরিমানা গুনল ৩ প্রতিষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে মেয়াদোত্তীর্ণ বিস্কুট ও রং মেশানো চানাচুর বিক্রি, নকল চাল বাজারজাত এবং মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করাসহ বিভিন্ন অপরাধে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ২১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করে চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী বাজারে প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ জরিমানা করা হয়।
অভিযানে এ বি এম ফুডকে মেয়াদোত্তীর্ণ বিস্কুট ও রং মেশানো চানাচুর বিক্রির দায়ে আট হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। হাজী শফিউল বশর নামের প্রতিষ্ঠানকে মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করায় তিন হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।এ ছাড়া মেঘনা স্টোরকে নামবিহীন প্যাকেটে নকল চাল বিক্রি, মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করা এবং ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করার দায়ে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।বাজারে ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম বিভাগে কিশোর গ্যাং-ছিনতাইকারীসহ গ্রেফতার-৮৫৭

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিভাগে কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৮৫৭ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এদের মধ্যে বিভিন্ন অপরাধে পরিচালিত অভিযানে গ্রেফতার হয়েছেন ১২০ জন। একই সময়ে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৪৩৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থেকে বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, আটক ৪৩৪ কিশোরের মধ্যে ৩৭২ জনকে মুচলেকায় অভিভাবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বাকি ৬২ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জেলাভিত্তিক হিসাবে চট্টগ্রামে ৭৩, কক্সবাজারে ৩২, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৯, চাঁদপুরে ৬৯, নোয়াখালীতে ৯১, ফেনীতে ১২, লক্ষ্মীপুরে ৯৫, রাঙামাটিতে ১৬ এবং খাগড়াছড়িতে ২৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিয়মিত মামলায় ৮৪, পূর্ববর্তী মামলায় ৫৭, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ৩২, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় সাত এবং ১৫১ ধারাসহ অন্যান্য আইনে ২৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।এছাড়া পরোয়ানামূলে ১২৮, সাজা পরোয়ানামূলে ২৯ এবং মাদক মামলায় ৫৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মাদক মামলায় গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন মাদক বহনকারী ও ৫৭ জন সেবনকারী।
নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় আরও ৬১ জন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। মাদকবিরোধী অভিযানে মোট গ্রেফতার দেখানো হয়েছে ১২০ জনকে।

এদিকে মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২৪ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড করা হয়েছে ৭৪ হাজার ৭০০ টাকা। এ সময়ে ৪৮টি মাদক মামলা করা হয়েছে।অভিযানে ২ হাজার ৭৬১টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ৯০ কেজি ৪২০ গ্রাম গাঁজা, ৩৫ লিটার চোলাই মদ, ৯০ বোতল বিয়ার, ৫৮ বোতল বিদেশি মদ এবং ৬৭ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া গাঁজা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মিনি কাভার্ডভ্যান জব্দ করা হয়েছে।কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ১৩ সদস্যকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চট্টগ্রামে চার, কুমিল্লায় দুই, নোয়াখালীতে পাঁচ, ফেনীতে একজন এবং খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন।

আলোচিত খবর

২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সংশ্লিষ্ট বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের সম্ভাবনাই বেশি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়।

এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ