জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার নেতা আব্দুল মালেক উকিলের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জাতীয় নেতা আব্দুল মালেক উকিলের ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর)। এ উপলক্ষে তাঁর জন্মস্থান নোয়াখালীতে দোয়া মাহফিল, পবিত্র কোরআন খতম, কবর জিয়ারত, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কাঙালি ভোজসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন হচ্ছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ নোয়াখালী জেলা আ.লীগের সিনিয়র সহসভাপতি অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার সকালে নোয়াখালী জেলা মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত আব্দুল মালেক উকিলের কবরে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কবর জিয়ারত করা হবে। পরে তাঁর পরিবারের উদ্যোগে বাদ জোহর জেলা মডেল মসজিদে পবিত্র কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া নোয়াখালী সদর উপজেলার বাঁধেরহাট আব্দুল মালেক উকিল ডিগ্রি/অনার্স কলেজ, নোয়াখালী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন পৃথক কর্মসূচি পালন করবে।

আব্দুল মালেক উকিল ১৯২৪ সালের ১ অক্টোবর নোয়াখালীর তৎকালীন সুধারাম থানার রাজাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ও বিরোধীদলীয় নেতা, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য এবং স্বাধীন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনামন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

জাতীয় নেতা আব্দুল মালেক উকিল ১৯৮৭ সালের ১৭ অক্টোবর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুবার্ষিকীতে মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদান, বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন এবং দেশের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর ভূমিকার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হবে। একই সঙ্গে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসছেন ২০ অক্টোবর, সর্বাত্মক নিরাপত্তা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফর ও শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নগরে সর্বাত্মক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে নগরের জে এম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।সিএমপি কমিশনার বলেন, পূজামণ্ডপগুলোতে সার্বক্ষণিক পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ২০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম সফর করবেন। সফরকে কেন্দ্র করে প্রটোকল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।


হাসান মো. শওকত আলী বলেন, পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে পুলিশের সমন্বয় রয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গেও সমন্বয় সভা হয়েছে।সবাই মিলে দুর্গাপূজা ও প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এদিকে শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে নগরের জে এম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আসেন এসআরবি-৭ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরীর পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত টহল, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি গুজব ও অপপ্রচার ঠেকাতে সাইবার মনিটরিংও চালানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, ২০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে জে এম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন চট্টগ্রামবাসীর জন্য গর্বের বিষয়।
তাঁর সফর ঘিরে নির্ধারিত নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) নির্দেশনা ও সমন্বয়ে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীতে প্রায় ২ হাজার ৬০০টি পূজামণ্ডপ রয়েছে।

মণ্ডপের সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে অনেক আগে থেকেই নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। র‌্যাবের পাশাপাশি পুলিশ, জেলা প্রশাসন ও বিভাগীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে। পূজামণ্ডপগুলোতে এসআরবি সদস্যরা নিয়মিত পরিদর্শন ও মোবাইল টহল দেবেন। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি থাকছে। বিশেষ স্ট্রাইকিং ফোর্সও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পূজামণ্ডপগুলোতে র‌্যাবের যোগাযোগ নম্বর দেওয়া হয়েছে।

গুজব ও অপপ্রচার প্রসঙ্গে এসআরবি-৭ অধিনায়ক বলেন, ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে একটি গোষ্ঠী গুজব ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করতে পারে। এ বিষয়ে র‌্যাব সতর্ক রয়েছে। সারাদেশ ও চট্টগ্রামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নজরদারি চালানো হচ্ছে। কোনো অপপ্রচার ছড়ালে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরে তা মোকাবিলা করা হবে।
দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।এসময় চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জি, সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) অ্যাডভোকেট নিখিল কুমার নাথ সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

মিরপুর-১০-এ দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মিরপুর-১০ এলাকার দখলমুক্ত ফুটপাত সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকার দখলমুক্ত ফুটপাত সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি পথচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের চলাচলের সুবিধা-অসুবিধার খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি ফুটপাত দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেন।

আলোচিত খবর

২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সংশ্লিষ্ট বোর্ড সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি রয়েছে।
বোর্ডের এক কর্মকর্তা জানান, ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ফল প্রকাশের সম্ভাবনাই বেশি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হয়।

এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার কথা ছিল। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয় ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ