আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

আইসিসির লাভের সিংহভাগই ভারতের পকেটে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্বকাপের আয়োজনের আগে বড় ধরণের সুসংবাদ পাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। আইসিসির মোট লভ্যাংশের ৩৮ দশমিক ৫ শতাংশ বুঝে পাচ্ছে তারা। আগামী সপ্তাহে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে আইসিসির বৈঠকে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবার কথা রয়েছে। বেশ আগে থেকেই এই বিষয়ে সমালোচনা হলেও নিজেদের সিদ্ধান্ত বদলাচ্ছে না ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।  

আইসিসির লভ্যাংশ বন্টনের এই হিসেবে ভারত পাবে প্রায় ২ হাজার ৪৫০ কোটি টাকারও বেশি। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড পাবেন ৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ডের কাছে যাবে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ। বন্টনের হিসেবে বাংলাদেশ পাবে ৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ!

তবে অন্যান্য বোর্ডের সাথে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এমন বিস্তর ব্যবধানের কারণও ব্যাখ্যা করেছে আইসিসি। সংস্থাটির ভাষ্য, এই বন্টনের ক্ষেত্রে কাউকেই বাড়তি সুবিধা দেয়া হচ্ছেনা। অনেকগুলো বিষয়কে কেন্দ্র করেই বেশি ভাগ পাচ্ছে ভারত। 

সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে আইসিসির এক প্রতিনিধি জানান, কোন দেশের ক্রিকেট বোর্ড কত টাকা পাবে তা নির্ভর করে তিনটি বিষয়ের উপর। ১) আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশের অবস্থান। ২) আইসিসি প্রতিযোগিতায় সেই দেশের ফলাফল। ৩) সম্প্রচার ও বিজ্ঞাপন থেকে সেই দেশ কত টাকা আয় করছে। 

মূলত ভারতে ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা এবং বড় ধরণের স্পন্সরশিপের কারণে অন্য যেকোন বোর্ডের তুলনায় লভ্যাংশের ভাগ বেশি পাচ্ছে দেশটি। আইসিসির ভাষ্য,  এবছর অন্য সব দেশের ক্রিকেট বোর্ডও আগের চেয়ে বেশি অর্থ পাবে। 

ডারবানে আইসিসির এবারের বৈঠকের মূল বিষয়, সংস্থার আর্থিক লভ্যাংশের বিতরণ। বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে যোগ দেবেন বিসিসিআই সচিব জয় শাহ। থাকবেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অন্তর্বর্তী চেয়ারম্যান জাকা আশরাফও। শুরু থেকেই যিনি ভারতের এমন লভ্যাংশ প্রাপ্তি নিয়ে সমালোচনা করে আসছিলেন। 

পাকিস্তান ছাড়াও আইসিসির এমন লভ্যাংশ বিতরণের সমালোচনা করেছে সহযোগী দেশগুলো। তাদের মতে একটি দেশের এত বড় অংশ নিতে নেয়ার কারণে বাকি দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হবে। বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী, মোট লাভের ৮৮ দশমিক ৮১ শতাংশ পাবে ১২ টি পূর্ণ সদস্য। বাকি ১১ দশমিক ১৯ শতাংশ পাবে ৮২ টি সহযোগী দেশ। 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করার পাশাপাশি ইতিহাসও গড়েছে টাইগাররা। ২০১৫ সালে মাশরাফি বিন মর্তুজার পর নিজেদের ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। এই সিরিজ জয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে আইসিসি ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের ৯ নম্বরেও উঠে এসেছে বাংলাদেশ দল।

মিরপুরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৯০ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।   জবাবে ২৯১ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই  ধাক্কা৷ খায়  পাকিস্তান।

সালমানের ব্যাটে যখন পাকিস্তান জয়ের স্বপ্ন দেখছিল, ঠিক তখনই  তাসকিন আহমেদের  দুর্দান্ত এক স্লোয়ার ডেলিভারিতে পরাস্ত হয়ে সালমান সাজঘরে ফিরেন।পাকিস্তান শেষ হয়ে যায়।শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৭৯ রানে পাকিস্তান অলআউট হয়ে যায়।

 

পাকিস্তানের ভুল সিদ্ধান্তের জন্য আইসিসি খুব কঠোর ব্যবস্থা নেবে: বিসিসিআই।


সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ১৫ ফেব্রুয়ারির গ্রুপ ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। তাদের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)। সিদ্ধান্তটিকে যেকোনো খেলাধুলার ক্রীড়াসুলভ মানসিকতার পরিপন্থী বলে আখ্যা দিয়েছে সংস্থাটি।

ভাদোদরার বিসিএ স্টেডিয়ামে উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগের (ডব্লিউপিএল) ফাইনালের ফাঁক সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বিসিসিআইয়ের যুগ্ম সম্পাদক প্রভতেজ সিং ভাটিয়া। সেখানেই তিনি জানান-পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত খুবই ভুল এবং আইসিসি এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী।

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে ভাটিয়া বলেন-এটি যে কোনো খেলাধুলার ক্রীড়াসুলভ আচরণের বিরুদ্ধে। পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত খুবই ভুল। আমি নিশ্চিত, আইসিসি খুব কঠোর ব্যবস্থা নেবে। আমরা আইসিসির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকব।আইসিসি কী ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারে, এ প্রশ্নে তিনি যোগ করেন-এখানে সে বিষয়ে আলোচনা করা সম্ভব নয়, তবে আইসিসি অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ নেবে।

অধিনায়কদের মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য ভারত পুরোপুরি প্রস্তুত।আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত। ভারত তাদের অভিযান শুরু করবে ৭ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। এরপর ১২ ফেব্রুয়ারি নামিবিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ ম্যাচ খেলবে।
সংগৃহীত +

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ