সীতাকুন্ড শঙ্কর মঠে মাতৃসম্মেলন ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচী অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সীতাকুন্ড শঙ্কর মঠে মাতৃসম্মেলন
ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচী অনুষ্ঠিত

সীতাকুন্ড শঙ্কর মঠ ও মিশনের বার্ষিক অনুষ্ঠানের ৬ষ্ঠ দিন ২১ নভেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১০টায় স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচী, ও বিকেল ৪টায় মাতৃসম্মেলন মঠ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং খাতুনগঞ্জের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচীতে লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসকবৃন্দ শতাধিক চক্ষু রোগীর চিকিৎসার পাশাপাশি ২৫ জন ছানিপরা রোগীর অপারেশনের মাধ্যমে ছানি কাটেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মঠের অধ্যক্ষ শ্রীশ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজ, লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং খাতুনগঞ্জের গভর্ণর লায়ন এমডিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, দ্বিতীয় ভাইস মোসলেহ উদ্দিন অপু, সিনিয়র উপদেষ্টা লায়ন এস.কে নন্দী, ডা. অনিক মজুমদার জয় ও ডা. সাইফুল ইসলাম রিয়াদ। বিকেল ৪টায় সনাতন ধর্ম মহাসম্মেলনের মাতৃসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। শঙ্কর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীশ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজের সভাপতিত্বে ও শ্রীমৎ জগদীশ্বরানন্দ ব্রহ্মচারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মাতৃসম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চ.বি) রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. তাপসী ঘোষ রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন নোয়াপাড়া ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ বিজয় লক্ষী দেবী, চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ রুনু মজুমদার, সীতাকুন্ড লতিফা সিদ্দিকী ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক মৃণালিনী চক্রবর্তী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শঙ্কর মঠ ও মিশনের মহিলা সংসদের সভাপতি অনিমা মল্লিক। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বার্ষিক উৎসব উদযাপন পরিষদের সহ-সভাপতি অধ্যাপক তড়িৎ কুমার ভট্টাচার্য। বেলা আড়াইটায় যুব সম্মেলন, সন্ধ্যায় বস্ত্র বিতরণ, গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃত্তি প্রদান করা হয়। রাতে ধর্মীয় সংগীতাঞ্জলি ও পাল্টা কীর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দুপুর ও রাতে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। মঠের সাধু-সন্তু ও ভক্তবৃন্দরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ধর্ম চেতনা ও ধর্মবোধ মানুষকে সত্য সনাতন সুন্দরের পথে পরিচালিত করার ফলে সমাজ থেকে অন্যায়-অনাচার দূরীভূত হয়। তাই গীতার আদর্শ ও উদ্দেশ্য বুকে ধারণ করতে পারলে সুন্দর সমাজ বিনির্মাণ হবে। উল্লেখ্য যে, গত ১৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার থেকে মঠ প্রাঙ্গনে সপ্তাহব্যাপী বার্ষিক অনুষ্ঠান শুরু হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রাসুল (সাঃ)-এর আদর্শ অনুসরণেই ব্যক্তি ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর আদর্শ অনুসরণেই ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রে শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন পটিয়ায় অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) মাহফিলের বক্তারা। তাঁরা বলেন, মহানবী (সাঃ)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে নৈতিকতা, মানবিকতা, ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

গতকাল ২১ আগস্ট, শুক্রবার, চট্টগ্রামের পটিয়ার দক্ষিণ হুলাইন, নিমতল, ইমাম হোসাইন সড়কে হযরত ইমাম হোসাইন (রাঃ) বহুমুখী ইসলামী কমপ্লেক্স ট্রাস্টের উদ্যোগে রহমাতুল্লিল আলামিন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর শুভাগমন উপলক্ষে আয়োজিত ১২ দিনব্যাপী পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) মাহফিল-২০২৬-এর ৮ম দিনের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ট্রাস্টের পরিচালিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উদ্যোগে এবং এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত ৮ম দিনের কর্মসূচিতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, নাত-মুশায়েরা, বয়ান ও ধর্মীয় আলোচনা, ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, সালাতু সালাম, ফাতেহা ও জিয়ারতসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া কলেজ গেইটস্থ গাউছুল আজম শাহী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুহাম্মদ তাওফিক ইলাহী ক্বাদেরী।
প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁওয়ের আল-হুমায়ারা (রাঃ) মহিলা ফাজিল মাদরাসার আরবী প্রভাষক হাফেজ মাওলানা নাজমুল হোসাইন মুনির।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাউছিয়া বজল আহমদ ফকির এতিমখানার সহ সভাপতি প্রকৌশলী মোঃ কুতুব উদ্দিন রোকন সাদা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাউছিয়া বজল আহমদ ফকির এতিমখানার সভাপতি লোকমান হাকিম বি.কম.

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য সাংবাদিক মোঃ বাকি বিল্লাহ চৌধুরী। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন গাউছিয়া বজল আহমদ ফকির এতিমখানার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সার্ভেয়ার আইয়ুব আলী মিজান।পুরো আয়োজনটি হযরত ইমাম হোসাইন (রাঃ) বহুমুখী ইসলামী কমপ্লেক্স ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক হযরাতুলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ আবু বাকার আল-কাদেরী (ম.জি.আ.)-এর পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে মাওলানা মুহাম্মদ তাওফিক ইলাহী ক্বাদেরী বলেন, “মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর পবিত্র জীবন ও আদর্শ মানবজাতির জন্য সর্বোত্তম পথনির্দেশ। তাঁর আদর্শ ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবন থেকে শুরু করে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে বাস্তবায়ন করা গেলে শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে নৈতিক অবক্ষয় ও সামাজিক অস্থিরতা মোকাবিলায় নতুন প্রজন্মকে মহানবী (সাঃ)-এর জীবন ও আদর্শ সম্পর্কে জানাতে হবে। কোরআন-সুন্নাহর শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করে পরিবার ও সমাজে ইসলামী মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের চর্চা বাড়াতে হবে।

বক্তারা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরিত হয়েছেন। তাঁর পবিত্র জীবন ছিল মানবিকতা, ন্যায়, ক্ষমাশীলতা, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যের অনন্য দৃষ্টান্ত। তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজ থেকে হিংসা, বিদ্বেষ, অন্যায় ও অশান্তি দূর করে একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

বক্তারা আরও বলেন, শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্মকে ইসলামী শিক্ষা ও মহানবী (সাঃ)-এর জীবনাদর্শের সঙ্গে পরিচিত করে তুলতে হবে। শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মহানবী (সাঃ)-এর আদর্শকে ব্যক্তিজীবন, পারিবারিক জীবন ও সামাজিক জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে।

মাহফিলকে ঘিরে স্থানীয় আলেম-ওলামা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, মুসল্লি, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ধর্মপ্রাণ মানুষের উপস্থিতি ছিল। দিনব্যাপী কর্মসূচিতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, নাত-মুশায়েরা, বয়ান-আলোচনা, ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, সালাতু সালাম, ফাতেহা ও জিয়ারত অনুষ্ঠিত হয়।

আয়োজকরা জানান, ১২ দিনব্যাপী এ মাহফিলের ১২তম ও সমাপনী দিনের কর্মসূচি আগামী ২৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। সমাপনী দিনে বোখারী শরীফ পাঠ, খতমে ছহীহ্, দস্তারবন্দী, মিলাদ, নাতে রাসুল (সাঃ) ও বিশেষ ধর্মীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহ এবং বিশ্বমানবতার শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করবেন হযরাতুলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ আবু বাকার আল-কাদেরী (ম.জি.আ.)।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপনে অশেষ কল্যাণ ও মাহাত্ম্য রয়েছে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সুফিবাদী ঐক্য ফোরাম কেন্দ্রীয় পরিষদের উদ্যোগে ‘সকল ঈদের সেরা ঈদ ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.)’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা আজ ১৭ আগস্ট সোমবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবস্থ আলহাজ্ব সুলতান আহমদ হলে অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ রানার সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত গোলটেবিল আলোচনায় উলামা মাশায়েখ নেতৃবৃন্দ বলেন, মহানবীর (দ.) দুনিয়ায় শুভাগমন হয়েছে বলেই মানবজাতিসহ সমগ্র সৃষ্টিজগৎ অস্তিত্ব লাভ করেছে। সকল সৃষ্টির উৎসই হচ্ছেন মহানবী (দ.)। তাঁর কারণে এবং তাঁরই উসিলায় সৃষ্টি জগৎ অস্তিত্ব পেয়েছে, টিকে আছে এবং টিকে থাকবে। তাই সকল ঈদের সেরা ঈদ ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপনে অশেষ পুণ্য বরকত, কল্যাণ এবং সবিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপন মানে কৃতজ্ঞতারই বহিঃপ্রকাশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পীরে ত্বরিকত আল্লামা সৈয়দ আহমদ জামাল আশরাফ আল আশরাফী জিলানী। তিনি বলেন, সমগ্র সৃষ্টির মূল হচ্ছেন প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (দ.)। তাঁর আনুগত্য ও আহলে বাইতে রাসুলকে (দ.) ভালোবাসা ফরজ। উপমহাদেশসহ সমগ্র বিশ্বে সুফিবাদি সুন্নি মুসলমানরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। অথচ আন্তঃযোগাযোগ না থাকা, অনৈক্য-বিভাজনের কারণে সুফিবাদি সুন্নি মুসলমানরা পেছনে পড়ে রয়েছে। রাজনীতি, অর্থনীতিসহ দেশ পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দুতে আমরা নেই। ফলে প্রতিপক্ষ গোষ্ঠী আমাদের মাথার ওপর ছড়ি ঘুরাচ্ছে। সুফিবাদী উদারনৈতিক মানবিক ইসলামের প্রসার ঘটাতে সকল সুন্নি মতাদর্শী ও তরিকতপন্থিদের একই প্ল্যাটফরমে আসতে হবে। মুখ্য আলোচক ছিলেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি সৈয়দ অছিয়র রহমান। তিনি বলেন, মহানবীর (দ.) দুনিয়ায় শুভাগমন আল্লাহ পাকের সেরা নিয়ামত। তাই নিয়ামতের শুকরিয়া হিসেবে আমরা ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপন করি।

বিগত দুই বছরে বহু মাজার খানকায় হামলা হয়েছে। মব সন্ত্রাস সৃষ্টি করে অসংখ্য মাজার গুঁড়িয়ে দেয়া হলেও এর বিচার হয়নি। বর্তমান সরকারকে অবিলম্বে এর প্রতিকারে এগিয়ে আসতে হবে। উদ্বোধক ছিলেন মাইজভান্ডার দরবার শরীফের শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ নাফিসুর রহমান মাইজভা-ারী। স্বাগত বক্তব্য দেন ফোরামের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি এস এম বরকত আকাশ। নির্ধারিত বিষয়বস্তুর ওপর আলোচনায় অংশ নেন হযরত শাহ আমানত (রহ.) দরবার শরীফের আওলাদ শাহজাদা সৈয়দ হাবিবুল্লাহ খান মারুফ, গবেষক মুহাম্মদ আবদুর রহিম, শাহজাদা মাওলানা ফখরুল ইসলাম রিজভী, শাহজাদা মাওলানা সৈয়দ গোলাম রসুল, শাহজাদা মাওলানা সৈয়দ ছালেকুল মাওলা, আল্লামা শফিকুল ইসলাম আস সাঈদী, আল্লামা মঈনুদ্দিন রেজভী, মাওলানা রায়হান রেজা আশরাফী, মাওলানা আবদুল মান্নান আশরাফী,আলহাজ্ব মুহাম্মদ মুছা ও হালদা গবেষক মুহাম্মদ হারুন পাশা প্রমুখ আনিছ মুহাম্মদ বিপলু, এম মহিউল আলম চৌধুরী, আ ব ম খোরশিদ আলম খান, মাওলানা গিয়াস উদ্দিন নেজামী, মাওলানা করিম উদ্দিন নূরী, ফরিদুল আলম আশরাফী, মুহাম্মদ ইলিয়াছ সোহেল, নাজিম উদ্দিন মিয়াজী, আলহাজ্ব মুহাম্মদ মুছা ও হালদা গবেষক মুহাম্মদ হারুন পাশা প্রমুখ। সভাপতির বক্তব্যে সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা বলেন, সুন্নি সুফিবাদিরা আজ জেগে উঠেছে। তাদের কেউ পরাভূত করতে পারবে না।

ফোরামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন গোলটেবিল আলোচনায় সমবেত সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইনের পরিবেশনায় মিলাদ কিয়াম শেষে দেশ ও জাতির শান্তি সমৃদ্ধি কল্যাণ এবং বিশ্বের মজলুম মানবতার পরিত্রাণ কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন পীরে ত্বরিকত আল্লামা সৈয়দ আহমদ জামাল আশরাফ আল আশরাফী জিলানী।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ