শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি হাটহাজারী সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের।

আসলাম পারভেজ হাটহাজারী:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আজ ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে হাটহাজারী সরকারি কলেজের শহিদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলা সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ।

বৃহস্পতিবার সকালে শ্রদ্ধা নিবেদনে উপস্থিত ছিলেন, সভাপতি শ্যামল নাথ (দৈনিক বঙ্গজননী), সহ সভাপতি জাহেদ মঞ্জু (মিডিয়া এক্সপ্রেস), নির্বাহী সদস্য ও সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ আসলাম পারভেজ (দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক চট্টগ্রাম মঞ্চ), সাধারণ সম্পাদক মোঃ বোরহান উদ্দিন (দৈনিক যায়যায়দিন), যুগ্ম সম্পাদক উজ্জ্বল নাথ (ডেইলি অবজারভার), সহ সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম (দৈনিক শাহ আমানত), সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন (দৈনিক কালবেলা), অর্থ সম্পাদক মোঃ আবুল মনছুর (দৈনিক অধিকার), প্রচার সম্পাদক রিমন মুহুরী (দৈনিক ইনফো বাংলা), সহ সাংগঠনিক সুমন পল্লব (দৈনিক সকালের সময়), দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আবু নোমান (দৈনিক জনবাণী), মোঃ ওসমান গনি (দৈনিক তৃতীয় মাত্রা), সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এইচ এম এরশাদ (দৈনিক একুশের বাণি), ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সাহাবুদ্দীন সাইফ (আমার সংবাদ), সদস্য মোহাম্মদ ইরফানুল ইসলাম (আমাদের মুক্তকন্ঠ)।

এসময় শহীদ মিনারে সংগঠনের সভাপতি সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে যখন বাঙালিদের জয় দ্বারপ্রান্তে ঠিক সেই মুহুর্তে পাকিস্তানি বাহিনী এ দেশের রাজাকার আলবদরের সহযোগিতায় দেশকে মেধাশূন্য করতে বধ্যভূমিতে নিয়ে বুদ্ধিজীবীদের নৃশংসভাবে শহিদ করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম মহানগরের ৮ ওয়ার্ড ডেঙ্গু ঝুঁকিতে, মাঠে থাকবে ১০ ম্যাজিস্ট্রেট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) মাসব্যাপী মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছে। বিশ্ব মশা দিবসে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) মহানগরের সেন্ট প্লাসিডস স্কুলের সামনে থেকে এ কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিহ্নিত নগরের আটটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব এলাকায় অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ করে মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংস, লার্ভা নিধন এবং প্রাপ্তবয়স্ক মশা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ করা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, ম্যাজিস্ট্রেট ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি, গোলাম বাকী মাসুদসহ রেড ক্রিসেন্টের ভলান্টিয়ার এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এমএসএফের কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে লিফলেট ও বিভিন্ন প্রচারণামূলক কনটেন্ট বিতরণ করা হবে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

চসিক সূত্র জানায়, বিশ্ব মশা দিবস উপলক্ষে শুরু হওয়া বিশেষ কর্মসূচি পুরো এক মাসব্যাপী চলবে। পাশাপাশি নগরের অন্যান্য এলাকায় নিয়মিত মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে। ক্রাশ প্রোগ্রাম শেষে পাথরঘাটা সিটি করপোরেশন বালক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।

চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক নিধনের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে নালা-নর্দমা, ড্রেন, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত জায়গা ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
তিনি বলেন, নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী সফলতা অর্জন সম্ভব নয়। প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা ও আশপাশের এলাকায় পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে সচেতন হতে হবে। ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা কিংবা নির্মাণসামগ্রীতে পানি জমে থাকলে তা নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।বিশ্ব মশা দিবস উপলক্ষে শুরু হওয়া বিশেষ কর্মসূচির আওতায় আগামী এক মাস ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালিত হবে। পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন বিভাগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগও সমন্বিতভাবে এ কার্যক্রমে অংশ নেবে।

গত দুই-তিন মাস ধরে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিক ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পুরো কার্যক্রম ব্যক্তিগতভাবে মনিটর করছেন এবং নিয়মিত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন।
চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব আশরাফুল আমিন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে চসিক বিটিআই ব্যবহার করছে। এর ফলে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।গত বছর এ সময়ে সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৮০০-এর বেশি থাকলেও চলতি বছরে তা প্রায় ৫৫০-৫৮০ জনে রয়েছে। একই সময়ে গত বছর ডেঙ্গুতে আটজনের মৃত্যু হলেও চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

তিনি বলেন, আমরা আটটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করেছি। এগুলো হলো ২,৩,১৭,১৮,১৯,৩২,৩৪,৩৯ নম্বর ওয়ার্ড। এসব এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মশক নিধন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে শতাধিক কর্মীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত জনবল দিয়ে কাজ করার পাশাপাশি অন্যান্য এলাকায় নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আশরাফুল আমিন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু ওষুধ প্রয়োগ নয়, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত জায়গা, জমে থাকা পানি এবং বিভিন্ন স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা শনাক্ত করে তা ধ্বংস করা হবে।এ লক্ষ্যে চসিকের ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেটকে বিভিন্ন অঞ্চলে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। আগামী এক মাস তারা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবেন। যেখানে ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া যাবে, সেখানে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হবে।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীরকে ওএসডি, সাজেদুর নতুন দায়িত্বে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে। দায়িত্ব পাওয়ার দুই বছরের মাথায় তাকে ওএসডি করে মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রামের নতুন সিভিল সার্জনের দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান।

বুধবার (১৯ আগস্ট) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পার-২ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ রদবদলের বিষয়টি জানা যায়। যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জনস্বার্থে জাহাঙ্গীর আলমকে বদলি এবং সাজেদুর রহমানকে নতুন দায়িত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমানকে চলতি দায়িত্বে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন করা হয়েছে। বদলি ও পদায়ন হওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ২৪ আগস্টের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ যোগদান না করলে ২৫ আগস্ট থেকে তাকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) বলে গণ্য করা হবে।

নতুন দায়িত্ব পাওয়া ডা. মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান এর আগে কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। চলতি দায়িত্বে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন হিসেবে তার পদায়নের মধ্য দিয়ে জেলার স্বাস্থ্য প্রশাসনে নতুন নেতৃত্বের যাত্রা শুরু হচ্ছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন হিসেবে দায়িত্ব পান ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তার দায়িত্বকালে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য সহকারীসহ ১৭১টি পদে নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে নানা অভিযোগ সামনে আসে।
নিয়োগ পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের সময়মতো এসএমএস না পাওয়া, ওএমআর শিট পূরণ নিয়ে বিভ্রান্তি এবং পরীক্ষা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফল প্রকাশের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এসব ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সমালোচনা হয়।

এছাড়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে সিভিল সার্জনের নাম ব্যবহার করে অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছিল। অভিযোগটি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি কার্যালয়ের ভেতরে আপস-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

চট্টগ্রামের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন নিয়েও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ রয়েছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ