চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে মহান মাতৃভাষা দিবস পালন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে মহান মাতৃভাষা দিবস পালন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

একুশে ফেব্রুয়ারি জাতীয় চেতনার প্রথম উম্মেষ
একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির চির প্রেরণা ও অবিস্মরণীয় একটি দিন। এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, এখন এটি সারা বিশ্বের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। জাতির জীবনে শোকাবহ, গৌরবোজ্জ্বল, অহংকারে মহিমান্বিত চিরভাস্বর এই দিনটি। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল ঔপনিবেশিক প্রভুত্ব ও শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম প্রতিরোধ এবং জাতীয় চেতনার প্রথম উন্মেষ।
বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা ও শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বক্তারা উক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন।
প্রেস ক্লাব সভাপতি সালাহ্উদ্দিন মো. রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক।
প্রেস ক্লাবের পিএইচপি ভিআইপি লাউঞ্জে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে) সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন; বিএফইউজে- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি শহীদ উল আলম, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) সভাপতি তপন চক্রবর্তী, প্রেস ক্লাবরে সিনিয়র সহ-সভাপতি চৌধুরী ফরিদ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী ও মোস্তাক আহমেদ, প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য দেবপ্রসাদ দাস দেবু, মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত, স্বপন কুমার মল্লিক, সিইউজে সহ-সভাপতি অনিন্দ্য টিটো, প্রেস ক্লাবের গ্রন্থাগার সম্পাদক কুতুব উদ্দিন, প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য মুহাম্মদ শামসুল হক এবং মিহরাজ রায়হান।
প্রেস ক্লাব সভাপতি সালাহ্উদ্দিন মো. রেজা বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতিসত্তার শেকড়ের অনুপ্রেরণার দিন। এই দিনটি ঐতিহ্যের পরিচয়কে দৃঢ় করেছে। বাংলা ভাষার রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বের দরবারে সম্মানের আসন লাভ করেছে।
স্বাগত বক্তব্যে সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক বলেন, যতদিন এই পৃথিবীতে বাংলা ভাষা-ভাষী মানুষ থাকবে ততদিন একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হবে। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণ অভ্যুত্থান, ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধ একই সূত্রে গাঁথা।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি মনজুর কাদের মনজু, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক আল রাহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খোরশেদুল আলম শামীম, কার্যকরী সদস্য মো. আইয়ুব আলী, সিইউজে’র অর্থ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলামসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা ছাড়াও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে ছিলো- সকালে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে উত্তোলন, প্রেস ক্লাব চত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং একুশের প্রথম প্রহরে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে মিউনিসিপ্যাল মডেল হাইস্কুল মাঠে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম মহানগরের ৮ ওয়ার্ড ডেঙ্গু ঝুঁকিতে, মাঠে থাকবে ১০ ম্যাজিস্ট্রেট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) মাসব্যাপী মশক নিধন ক্রাশ প্রোগ্রাম শুরু করেছে। বিশ্ব মশা দিবসে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) মহানগরের সেন্ট প্লাসিডস স্কুলের সামনে থেকে এ কর্মসূচির কার্যক্রম শুরু হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিহ্নিত নগরের আটটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব এলাকায় অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ করে মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংস, লার্ভা নিধন এবং প্রাপ্তবয়স্ক মশা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রয়োগ করা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, ম্যাজিস্ট্রেট ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি, গোলাম বাকী মাসুদসহ রেড ক্রিসেন্টের ভলান্টিয়ার এবং নেদারল্যান্ডসভিত্তিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এমএসএফের কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতে লিফলেট ও বিভিন্ন প্রচারণামূলক কনটেন্ট বিতরণ করা হবে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সহযোগিতায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

চসিক সূত্র জানায়, বিশ্ব মশা দিবস উপলক্ষে শুরু হওয়া বিশেষ কর্মসূচি পুরো এক মাসব্যাপী চলবে। পাশাপাশি নগরের অন্যান্য এলাকায় নিয়মিত মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে। ক্রাশ প্রোগ্রাম শেষে পাথরঘাটা সিটি করপোরেশন বালক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।

চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে মশক নিধনের পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে নালা-নর্দমা, ড্রেন, নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত জায়গা ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
তিনি বলেন, নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী সফলতা অর্জন সম্ভব নয়। প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা ও আশপাশের এলাকায় পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়ে সচেতন হতে হবে। ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা কিংবা নির্মাণসামগ্রীতে পানি জমে থাকলে তা নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।বিশ্ব মশা দিবস উপলক্ষে শুরু হওয়া বিশেষ কর্মসূচির আওতায় আগামী এক মাস ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালিত হবে। পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন বিভাগের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগও সমন্বিতভাবে এ কার্যক্রমে অংশ নেবে।

গত দুই-তিন মাস ধরে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিক ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পুরো কার্যক্রম ব্যক্তিগতভাবে মনিটর করছেন এবং নিয়মিত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন।
চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব আশরাফুল আমিন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে চসিক বিটিআই ব্যবহার করছে। এর ফলে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।গত বছর এ সময়ে সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৮০০-এর বেশি থাকলেও চলতি বছরে তা প্রায় ৫৫০-৫৮০ জনে রয়েছে। একই সময়ে গত বছর ডেঙ্গুতে আটজনের মৃত্যু হলেও চলতি বছরে এখন পর্যন্ত সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

তিনি বলেন, আমরা আটটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করেছি। এগুলো হলো ২,৩,১৭,১৮,১৯,৩২,৩৪,৩৯ নম্বর ওয়ার্ড। এসব এলাকায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। মশক নিধন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে শতাধিক কর্মীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত জনবল দিয়ে কাজ করার পাশাপাশি অন্যান্য এলাকায় নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আশরাফুল আমিন বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু ওষুধ প্রয়োগ নয়, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করাকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবন, পরিত্যক্ত জায়গা, জমে থাকা পানি এবং বিভিন্ন স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা শনাক্ত করে তা ধ্বংস করা হবে।এ লক্ষ্যে চসিকের ১০ জন ম্যাজিস্ট্রেটকে বিভিন্ন অঞ্চলে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। আগামী এক মাস তারা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করবেন। যেখানে ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া যাবে, সেখানে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হবে।

সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের ১১ এসএসসি পরীক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘শিশু আর থাকবে নাকো সহিংসতার ঝুঁকিতে, সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র আছে তাদের সাথে’- এই স্লোগানকে সামনে রেখেই চট্টগ্রামের হাটহাজারীর ফরহাদাবাদ ইউনিয়নস্থ সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের ১১ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর জন্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) কেন্দ্র মিলনায়তনে মতবিনিময় সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পরীক্ষার্থীদের এই সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক। বিশেষ অতিথি ছিলেন হাটহাজারী উপজেলার উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মুজাহিদুল ইসলাম এবং ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোহাম্মদ আইয়ুব।

কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতারের সভাপতিত্বে এবং আউটরিচ ওয়ার্কার বিপুল চন্দ্র পালের উপস্থাপনায় শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন নিবাসী শিশু মো. নাঈম। অত:পর কেন্দ্রের আশ্রয় পাওয়া এক সময়কার সুবিধাবঞ্চিত ১১ জন উত্তীর্ণ এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করেন প্রধান অতিথি।

উপপরিচালক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সবার আগে বাংলাদেশ প্রত্যয়ের আলোকে শিশুদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। তারই ধারাবাহিকতার বহি:প্রকাশ ঘটেছে এই আয়োজনের মাধ্যমে। এছাড়া কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীর দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক ইন-হাউজ প্রশিক্ষণে ‘শিশুর বিকল্প পরিচর্যা’ বিষয়ে সেশন পরিচালনা করেন উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক। অনুষ্ঠানের শেষভাগে শিশুতোষ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গাণ পরিবেশন করেন শিশু শিল্পীরা।

উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতার বলেন- কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীর দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিশুদের সর্বোত্তম সেবা প্রদান করে শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করাই আমাদের আয়োজনের লক্ষ্য।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ