জনগণ আমাদের ওপর আস্থা রেখেছে, সেই আস্থার মর্যাদা রাখতে হবে: আবু সুফিয়ান।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পদ পদবী নয়, দলের আদর্শ ধারণ করে জনগণের সেবাই প্রকৃত রাজনীতি

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, পদ পদবী বড় বিষয় নয়, দলের আদর্শ ধারণ করে জনগণের পাশে থাকাই প্রকৃত রাজনীতি। আজকে এখানে কারো পদবী আছে, কারো নেই, এটা বড় কথা নয়। আমরা শহীদ জিয়া, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের আদর্শে রাজনীতি করি। এই দলকে ভালোবেসেই আমরা রাজপথে থেকেছি। হতাশ না হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দলের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।তিনি শুক্রবার (৮ মে) বিকালে নগরীর লাভ লেইনস্থ স্বরনিকা কমিউনিটি সেন্টারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে চট্টগ্রাম ৯ আসন বিএনপির মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম ৯ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটনের পরিচালনায় এতে প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলহাজ্ব শামসুল আলম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল করিম, জাহাঙ্গীর আলম, এম এ সবুর।

ডা. শাহাদাত হোসেন নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, মনের মধ্যে হতাশা রাখবেন না। হতাশা মানুষকে দুর্বল করে দেয়। দল ক্ষমতায় এসেছে মাত্র দুই মাস হয়েছে। ধৈর্য ধরতে হবে।তিনি বলেন, অনেকে সুবিধার জন্য একসময় আওয়ামী লীগ, আবার বিএনপি কিংবা অন্য দলে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসব সুবিধাবাদীদের থেকে দূরে থাকতে হবে। নৈতিকতাই সবচেয়ে বড় শক্তি।

চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়ে মেয়র বলেন, যারা চাঁদাবাজি করবে, সন্ত্রাস করবে কিংবা দলের নাম ব্যবহার করে অপকর্ম করবে তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে তাদের দল থেকে বহিষ্কার করতে হবে এবং পুলিশের হাতে তুলে দিতে হবে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রামে বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্যাতন, জেল জুলুম সহ্য করেও দল ত্যাগ করেননি। সেই ত্যাগের রাজনীতিকে কলঙ্কিত করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না।

জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, নগরে চলমান খাল নালা সংস্কার ও পরিষ্কার কার্যক্রমের কারণে সাময়িক ভোগান্তি হচ্ছে। তবে এই কাজের সুফল আগামী ছয় মাসের মধ্যে নগরবাসী পাবে। ইনশাআল্লাহ, এবার চট্টগ্রাম শহরের ৭০ থেকে ৮০ ভাগ জলাবদ্ধতা কমে যাবে।তিনি আরও বলেন, গত বছর মানুষ জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রামের আংশিক সুফল দেখেছে। এবার আরও বড় পরিবর্তন আসবে। এজন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন নগর গঠনে যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ প্রতিটি ইউনিটকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে টিম গঠন করে কোথাও ময়লা আবর্জনা পড়ে আছে কিনা তা মনিটরিং করতে হবে। পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধেও সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেন, বিএনপির কোনো নেতাকর্মী সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে না। তবে দলের নাম ব্যবহার করে একটি কুচক্রী মহল বিভিন্ন অপকর্মে জড়ানোর চেষ্টা করছে। এসব প্রতিহত করতে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করা এখন আমাদের দায়িত্ব। জনগণ আমাদের ওপর আস্থা রেখেছে, সেই আস্থার মর্যাদা রাখতে হবে।

আবু সুফিয়ান বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি দলের নাম ব্যবহার করে প্রবাসীদের জমিতে ঘর নির্মাণের সময় জোরপূর্বক ইট বালু সরবরাহের চেষ্টা করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তারেক রহমান যতদিন দলের দায়িত্বে থাকবেন, ত্যাগীদের যথাযথ মূল্যায়ন হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হতাশাজনক স্ট্যাটাস না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি নেতাকর্মীদের ধৈর্য ও ঐক্য বজায় রাখার পরামর্শ দেন।

বক্তব্যে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মসজিদ, মন্দির ও কবরস্থানের উন্নয়নের জন্য অনুদান দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কোরবানির আগে ওয়ার্ডভিত্তিক অসচ্ছল সাধারণ মানুষের মাঝে চাল বিতরণ করা হবে। এই সহায়তা স্বচ্ছতার সঙ্গে বিতরণ করতে হবে। দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই। দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও মানুষের কল্যাণে সহায়তা বণ্টনের ক্ষেত্রে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

এতে বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম সাইফুল আলম, হারুন জামান, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, শিহাব উদ্দিন মোবিন, আহবায়ক কমিটির সদস্য এম এ হান্নান, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, মো. মহসিন, খোরশেদুল আলম, আনোয়ার হোসেন লিপু, একে খান, মাহবুব রানা, ইসমাইল বালি, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল মান্নান, শাহেদ বক্স, ইয়াসিন চৌধুরী আসু, শাহ আলম, হাজী মোহাম্মদ বেলাল, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ তৈয়ব, কোতোয়ালি থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জাকির হোসেন, বাকলিয়া থানা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম আই চৌধুরী মামুন, কেন্দ্রীয় মহিলাদলের যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আলী মর্তুজা খান, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজীব ধর তমাল, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ আনাস সহ ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিববৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে অনিয়মের অভিযোগে জরিমানা গুনল চার প্রতিষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে চার প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম। নানা অনিয়মের অভিযোগে রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টায় নগরের ঝাউতলা বাজারের অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের উপপরিচালক ফয়েজ উল্লাহ বলেন, ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং বাজারে সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ঝাউতলা বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ ও অননুমোদিত ওষুধ বিক্রি, মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা এবং অননুমোদিত পণ্য বিক্রির মতো অনিয়ম পাওয়া গেছে। এসব অপরাধে চার প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি ও অননুমোদিত ওষুধ বিক্রয়ের দায়ে বিসমিল্লাহ ফার্মেসি ও নাসির ফার্মেসি ১০ হাজার টাকা করে জারিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া ইলিয়াস ব্রাদার্সকে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় ৬ হাজার টাকা এবং নরু সওদাগর জেনারেল স্টোরকে অননুমোদিত পণ্যসামগ্রী বিক্রয়ের দায়ে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিভিন্ন এলাকায় চুলা জ্বলছে না, রান্না না করতে পেরে বিপাকে মানুষ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে গ্যাসের সংকটে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সারি তৈরি হওয়ায় রাস্তায় নেমেছে কমসংখ্যক অটোরিকশা। যেগুলো চলছে, তারাও বাড়তি ভাড়া হাঁকছে। একই সঙ্গে গ্যাসচালিত গণপরিবহনেও গাড়ির সংখ্যা কমেছে। ফলে মোড়ে মোড়ে গাড়ির অপেক্ষায় মানুষের জটলা বেড়েছে। কোনো কোনো রুটে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও বেশি টাকা নেওয়ার অভিযোগ করছেন যাত্রীরা।


তবে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়েও সিএনজি ফিলিং স্টেশন থেকে গ্যাস সংগ্রহ করতে পারছেনা চালকরা। একেক জন চালক ছয় সাত ঘণ্টা ধরে সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরের টাইগারপাস, আগ্রাবাদ, বহদ্দারহাট, হালিশহর ও ষোলশহর এলাকায় সকাল থেকে যাত্রীরা যানবাহন না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ে।
কোথাও বাসের অপেক্ষায় দীর্ঘ সারি, কোথাও সিএনজি অটোরিকশার জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছেন যাত্রীরা। গ্যাসচালিত বাসে উঠতে পারলেও অনেক যাত্রীর অভিযোগ, নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে বাড়তি টাকা চাওয়া হচ্ছে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী সাইফুল ইসলাম বললেন, বাসে উঠতে পারছি না, সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিলে বেশি ভাড়া। অফিসে যেতে দেরি হচ্ছে, খরচও বাড়ছে। গ্যাসের সংকট যে এভাবে রাস্তায় এসে পড়বে, ভাবিনি।ফিলিং স্টেশনগুলোর সামনের চিত্রও একই। এখানে যাত্রী নয়, গন্তব্যের অপেক্ষায় সারিবদ্ধ অটোরিকশা। কয়েকটি স্টেশনে দেখা গেছে সড়কজুড়ে দীর্ঘ লাইন, চালকদের কেউ দুই ঘণ্টা, কেউ ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করছেন।

ষোলশহরের একটি ফিলিং স্টেশনে কথা হয় চালক জাকির হোসেনের সঙ্গে। সকাল সাড়ে সাতটায় লাইনে দাঁড়িয়েছেন তিনি। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্তও গ্যাস পাননি। জাকির বলেছেন, এক জায়গায় গ্যাস নেই, আরেক জায়গায় চাপ কম। ঘুরতে ঘুরতে এখানে এসেছি। এখন চার ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি। এই সময়টায় তো যাত্রী নিয়ে রাস্তায় থাকার কথা।
স্টেশন মালিকরা জানিয়েছেন, জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ লাইনে গ্যাসের চাপ বা প্রেসার মারাত্মকভাবে কমে গেছে। চাপ যখনই সামান্য বাড়ে, তখনই পাম্প চালু করা হয়, আবার কমে গেলে বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন তারা।

চালকদের হিসাবে, গ্যাস নিতে প্রতিদিন কয়েক ঘণ্টা চলে যাওয়ায় তাঁদের ট্রিপ কমে গেছে। আয় কমলেও গাড়ির জমা, খাবার ও অন্যান্য খরচ কমেনি। ফলে বাড়তি ভাড়া না নিলে সংসার চালানো কঠিন বলে মনে করছেন অনেকে। চালক সেলিম বলেছেন, আগে দিনে যত টাকা আয় হতো, এখন তার অর্ধেকও হচ্ছে না। গ্যাসের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে যাত্রী পাব কোথায়? আবার মালিকের জমা তো দিতেই হবে।
এই সংকটের প্রভাব পড়েছে বাসাবাড়িতেও। নগরের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় দিনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে চুলা জ্বলছে না। কর্মজীবী মানুষকে রান্না না করেই বের হতে হচ্ছে, কেউ কেউ বাধ্য হয়ে হোটেল থেকে খাবার কিনছেন।

কর্ণফুলী গ্যাস বিতরণ কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) জানিয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে মহেশখালীতে এলএনজি টার্মিনালগুলো থেকে এলএনজি সরবরাহ প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট হ্রাস পেয়েছে। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত কর্ণফুলী গ্যাস অধিভুক্ত এলাকার সব শ্রেণীর গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করছে। ফলে আবাসিক গ্রাহকের পাশাপাশি পরিবহন ও শিল্প খাতেও সংকট তৈরি হয়েছে। কেজিডিসিএলের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ কমে যাওয়ায় চট্টগ্রামের বরাদ্দও কমেছে, আর পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন খাতে গ্যাসের চাপ কমিয়ে লোড ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে। মহেশখালীর একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কমে যায়। যাতে দেশের পূর্বাঞ্চলে সংকট তীব্র হয়েছে।

এদিকে গ্যাসের এই সংকট কবে নাগাদ কাটবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। বৈরী আবহাওয়ার কারণে এলএনজিবাহী জাহাজকে ভাসমান টার্মিনালের সঙ্গে সংযুক্ত করা না গেলে সরবরাহ আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে চট্টগ্রামের শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সিএনজি স্টেশনে গাড়ির দীর্ঘ সারি, গণপরিবহনের সংকট ও বাড়তি ভাড়ার ভোগান্তিও আরও বাড়তে পারে। সব মিলিয়ে গ্যাসের সংকট এখন আর শুধু চুলার আগুন বা কারখানার উৎপাদনের বিষয় নয়, এর প্রভাব পড়ছে নগরবাসীর প্রতিদিনের যাতায়াত, আয়-ব্যয় ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়।

আলোচিত খবর

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মির্জা ফখরুল পেলেন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে রাষ্ট্রপতি পদের মনোনয়নপত্র নিচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ