আজঃ মঙ্গলবার ২৬ মে, ২০২৬

চট্টগ্রাম-১০ নির্বাচনী এলাকা থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন সাবেক মেয়র আলহাজ¦ মো. মনজুর আলম

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সময় অনুযায়ী ৩০ নভেম্বর ২৩ বৃহস্পতিবার দুপুরে বিভাগীয় কমিশনার কাযালয়ে চট্টগ্রাম-১০ নির্বাচনী এলাকা থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন।

তাঁর পক্ষে তাঁরই সুযোগ্য পুত্র আলহাজ্ব মোহাম্মদ নিজামুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সরোয়ার আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফারুক আজম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাইফুল আলম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাহিদুল আলম।

প্রস্তাবকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাদি, সমর্থনকারী আব্দুল করিম, হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস, আব্দুল হাকিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হারিছ, মাওলানা মতিউর রহমান, মাওলানা সৈয়দ বশির উল্লাহ, দিদারুল আলম, জাহিদুল আলম-কে নিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার দপ্তরে মনোনয়ন পত্র দাখিল করা হয়।

এদিকে সকালে দেওয়ানহাটস্থ মোস্তফা হাকিম শিল্প গ্রুপের কর্পোরেট ভবনে মনোনয়ন দাখিল উপলক্ষে খতমে কোরানে পাক, খতমে বোখারী শরীফ, দোয়া, মিলাদ মাহফিল, বিশেষ মোজনাত এবং আলেম ওলামাদের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ, কিয়াম ও মোনাজাতের পর স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক মেয়র আলহাজ¦ মোহাম্মদ মনজুর আলম মনোনয়ন পত্রে স্বাক্ষর করেন। সাথে সাথে প্রস্তাব ও সমর্থনকারীরাও স্বাক্ষর দেন।

এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সুধি সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মোস্তফা হাকিম গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু তাহের।

এ অনুষ্ঠানে আঞ্জুমান এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, জামিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা অছিয়র রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাদি, আব্দুল করিম, হাজী মোহাম্মদ আব্দুল হাকিম, হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হারিছ, মাওলানা সৈয়দ ইউনুস রজভী, মাওলানা মোবারক হোসেন রেজভী, মাওলানা মোখতার আহমদ, মাওলানা মো: আলী সিদ্দিকী, মাওলানা মাসুদুল হক, মাওলানা আব্দুল হালিম, মাওলানা মো: ইয়াছিন আল কাদেরী, মোহাম্মদ নুরুল আবছার সহ অন্যরা বক্তব্য রাখেন।

সুধি সমাবেশে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, চট্টগ্রাম-১০ নির্বাচনী এলাকার ৮টি ওয়ার্ডে প্রায় ৫ লাখ ভোটার। এ এলাকার সর্বসাধারণের ওয়াসার পানি, বিদ্যুৎ, শিক্ষাসহ মৌলিক চাহিদার অনেক যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে। নাগরিকদের মৌলিক চাহিদা পূরণ, প্রতিটি ওয়ার্ডে সম উন্নয়নে আমি কাজ করতে চাই।

তিনি বলেন, আমি একজন মানব সেবক, সেবাই আমাদের ব্রত। মানুষের দুর্যোগ-দুর্বিপাক বিপদে আপদে অতীতের মতই মানুষের সেবা দেব। তিনি তাঁর মহৎ কাজে সহযোগিতা কামনা করেন।
এ অনুষ্ঠানে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা অছিয়র রহমান। সাবেক মেয়র আলহাজ¦ মোহাম্মদ মনজুর আলম মনোয়ননপত্র দাখিলের পূর্বে তিনি হযরত শাহ আমানত শাহ (র.) মাজার, হযরত মনছুর আলী শাহ (র.) মাজার, মাতা-পিতা ও আত্মীয় স্বজনের মাজার ও কবরের জেয়ারত করে তিনি তাঁর মনোনয়ন পত্রে স্বাক্ষর করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

৬ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য চসিকের, নগরজুড়ে তদারকিতে থাকবেন- মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপহার দিতে কোরবানির দিন দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘন্টার মধ্যে নগরীর সকল কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কারের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সোমবার টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগ, যান্ত্রিক শাখা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিয়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম নগরীর কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম কোরবানির দিন দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে। আমরা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি, পরবর্তী ছয় ঘন্টার মধ্যেই পুরো নগরীর বর্জ্য পরিষ্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।তিনি আরও বলেন, “আমি নিজেও দুপুর ২টা থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করব। বিমান অফিসের সামনের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) এলাকা থেকে এই পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করা হবে।”

মেয়র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়ে বলেন, নগরবাসী যাতে প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্ধারিত স্থানে কোরবানির পশু জবাই করেন এবং জবাই শেষে চসিকের সরবরাহকৃত পলিথিন ব্যাগে বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট পয়েন্টে রেখে যান, সে বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “যত্রতত্র বর্জ্য পড়ে থাকলে রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এজন্য পর্যাপ্ত ব্লিচিং পাউডার সরবরাহ করতে হবে এবং তা যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে কিনা তাও নিশ্চিত করতে হবে।”

সভায় মেয়র পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কোরবানির পশুর চামড়া ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো চামড়া ব্যবস্থাপনা। আমরা ইতোমধ্যে চামড়া ব্যবসায়ী, আড়তদার এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছি। কোরবানির চামড়া যেন যত্রতত্র পড়ে না থাকে এবং পরিবেশের বিপর্যয় সৃষ্টি না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।তিনি আরও বলেন, “যারা চামড়া সংগ্রহ ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যাতে চামড়াগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা হয়।”

সভায় বক্তব্য রাখেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি এবং যান্ত্রিক শাখার প্রকৌশলীরা।
সভায় জানানো হয়, ঈদের দিন দুপুর ২টা থেকে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হবে। এজন্য প্রতিটি ওয়ার্ডের জন্য পৃথক গাড়ির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জোন কর্মকর্তা, সুপারভাইজার ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সমন্বয়ে ওয়ার্ডভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

যে তিনটি ওয়ার্ড সবচেয়ে দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবে, সেই সেরা তিনটি ওয়ার্ডকে আকর্ষণীয় পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেন মেয়র। তবে দ্রুততার নামে যেন পরিচ্ছন্নতায় কোনো ঘাটতি না থাকে, সেদিকেও সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন তিনি।

ঈদের দিন নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে দায়িত্ব পালনকারী পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানান মেয়র। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন কর্মীদের খাবারের মান বজায় রাখতে এবার তিনটি পৃথক গ্রুপের মাধ্যমে খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সভায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে সফল করতে প্রয়োজনীয় জনবল, যানবাহন ও সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখার বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত জমিয়তুল ফালাহ ময়দান: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদ-উল-আজহার কেন্দ্রীয় জামাত উপলক্ষে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ ময়দান সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।মঙ্গলবার জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চসিকের উদ্যোগে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পারেন।

তিনি জানান, প্রায় ৬৫ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে এবং নিচে কার্পেটিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখে উপরে টারপলিন দেওয়া হয়েছে, যাতে আবহাওয়া প্রতিকূল হলেও জামাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। এছাড়া প্রায় ১৪০টি সিলিং ফ্যান, ৬০টি স্ট্যান্ড ফ্যান, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, ৭০টি মাইক এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মেয়র বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মুসল্লি এই কেন্দ্রীয় জামাতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত মুসল্লির কথা বিবেচনায় রেখে দুটি জামাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে—প্রথম জামাত সকাল ৭টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। বৃষ্টির কারণে মাঠে নামাজ পড়তে না পারলে মসজিদে নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মাঠ পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার প্রথম ও প্রধান জামাত নগরীর জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদ প্রাঙ্গণে সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। একই স্থানে দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮টায় ঘটিকায়।

প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের খতিব হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী। দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক।

এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে নগরীর আরও ৯টি মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মসজিদগুলো হলো— লালদীঘি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদ, হযরত শেখ ফরিদ (রাঃ) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীন নগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরুবাজার জামে মসজিদ এবং মা আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) চসিক জামে মসজিদ (সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন)।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে সম্মানিত মুসল্লীগণকে যথাসময়ে নির্ধারিত ঈদ জামাতে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান মেয়র। পরিদর্শনকালে মেয়র নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং কোরবানির আত্মত্যাগের শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করে ক্লিন সিটি গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

পরিদর্শনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, চসিকের জনসংযোগ ও প্রটোকল কর্মকর্তা আজিজ আহমদ, নির্বাহী প্রকৌশলী ফখরুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়া,সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা মামুনুর রশীদসহ চসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

আলোচিত খবর

পবিত্র ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা, ২৩ মে।শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এই ছুটি থাকছে। তবে ঈদের আগে সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে আগামীকাল শনিবারের ২৩ মে ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ঈদের ছুটি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে রোববার পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এর আগে ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও পরদিন ২৪ মে রোববার অফিসগুলো খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ