আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

অবকাশ যাপনে সাজেকে রাষ্ট্রপতি সফর অনিবার্য কারণে স্থগিত ঘোষণা।

ঢাকা অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অবকাশ যাপনে সাজেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সফরে আসার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ২০-২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন রাঙ্গামাটি জেলার সাজেক সফর অনিবার্য কারণবশতঃ স্থগিত করা হয়।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন সূত্রে ও রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের প্রটোকল শাখার প্রটোকল অফিসার মুহাম্মদ মামুনুল হক স্বাক্ষরিত চিঠিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা হয় যে, উপযুক্ত বিষয় ও সূত্রোক্ত পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন এর আগামী ২০-২২ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখ পর্যন্ত রাঙ্গামাটি জেলার সাজেক সফর অনিবার্য কারণবশতঃ স্থগিত করা হলো। বিষয়টি নিশ্চিত করে রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদ বিপিএম (বার) মুঠোফোনে বলেন, রাষ্ট্রপতি ২০-২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাঙ্গামাটির সাজেক সফর অনিবার্য কারণবশতঃ স্থগিত করা হয়েছে।

এদিকে, রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটন নগরী নয়াভিরাম সাজেকে তিনদিনের জন্য অবকাশ যাপনে দেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন আসার কথা ছিলো। এসময় তিনি সাজেকের বিভিন্ন নয়াভিরাম দৃশ্য অবলোকন করার কথা ছিলো।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) রাতে এমন তথ্য নিশ্চিত করে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খাঁন বলেন, তিন দিনের জন্য অবকাশ যাপনের জন্য মহামান্য রাষ্ট্রপতি পর্যটন নগরী সাজেকে আসছেন। এই কারণে সব কটেজ, রিসোর্ট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ৫ দিনের জন্য বন্ধ থাকবে।
জানা গেছে, রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষ্যে আগামী ১৮ থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাজেকের সব কটেজ, রিসোর্ট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। যারা এই সময়ের মধ্যে কটেজ-রিসোর্ট বুকিং দিয়েছেন তাদের বুকিং বাতিল করা হয়েছে এবং পরবর্তী তারিখে বুকিং দেওয়ার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষ্যে নিরাপত্তা বলয় জোরদার রাখতে প্রস্তুতি সভা করেছে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খাঁন, পুলিশ সুপার মীর আবু তৌহিদসহ সংশ্লিষ্টরা। বৈঠকে সাজেকের কটেজ ও রিসোর্ট মালিক সমিতির নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

সাজেক কটেজ-রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ন দেব বর্মণ বলেন, রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষ্যে চলতি মাসের ১৮ ডিসেম্বর থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাজেকের সব রিসোর্ট বন্ধ থাকবে।
রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খাঁন আরও বলেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষ্যে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিরাপত্তার স্বার্থে সাজেক ভ্রমণে পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। পুরো সাজেক এলাকায় নিরাপত্তা জোর করা হয়েছে।
এদিকে, রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের প্রটোকল শাখার প্রটোকল অফিসার মুহাম্মদ মামুনুল হক স্বাক্ষরিত চিঠিতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা হয় যে, পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ২০-২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন রাঙ্গামাটি জেলার সাজেক সফর অনিবার্য কারণবশতঃ স্থগিত করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরো ৫৩ হাজার টন ডিজেল নিয়ে বন্দরে এলো ২ জাহাজ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরো ৫৩ হাজার ৬০০ টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছেছে দুটি জাহাজ। শনিবার চীন ও ভারত থেকে আসা এসব জাহাজগুলোর স্থানীয় শিপিং এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইন এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিল মাসে ২০টি জাহাজে করে মোট ৬ লাখ ৫ হাজার ২২৭ টন জ্বালানি আমদানি করা হয়েছিল।মে মাসেও ১ লাখ টন ক্রুড অয়েলসহ মোট ৬ লাখ টন জ্বালানি আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রাইড শিপিং লাইনের তথ্যমতে, চীন থেকে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘লিলা কিংস্টন’ ১৯ হাজার টন ডিজেল নিয়ে গত শুক্রবার বিকাল ৩টায় বহির্নোঙরে পৌঁছে। শনিবার ভোরে আরো ৩৪ হাজার ৬০০ টন ডিজেল নিয়ে পানামার পতাকাবাহী জাহাজ ‘প্রাইভেট সোলানা’ এসে কুতুবদিয়া এঙ্করেজে ভিড়েছে। প্রাইড শিপিং লাইনের ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম বলেন, ডলফিন জেটিতে বর্তমানে দুটি জাহাজ আছে এবং বহির্নোঙরে অপেক্ষমান আছে আরো দুইটি। একটি জাহাজ থেকে লাইটারিং চলমান আছে। নতুন আরো দুইটি জাহাজ আসায় বর্তমানে বন্দরে জ্বালানি তেলবাহী জাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাতটিতে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ