কালীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে বিশেষ উদ্যোগ।

মোঃ রায়হান মাহামুদ, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালীগঞ্জে করোনার কারণে দীর্ঘ দিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় পিছিয়ে পড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আজিজুর রহমান। পিছিয়ে পড়া ১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সমস্যা নিরসনকল্পে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, কালীগঞ্জ উপজেলার পিছিয়ে পড়া স্কুলের তালিকায় রয়েছে উত্তর রাজ নগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ রাজ নগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কৌচান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিমুলিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিরুয়া নলছাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, একতা-দিঘুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, জামালপুর বাগমারপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালীগাও শামসুন্নাহার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাদার্ত্তী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চৈতারপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিদ্যালয়গুলি পিছিয়ে পড়ার কারণ জানতে চাইলে কালীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার নুরুন্নাহার প্রতিবেদককে জানান, শিক্ষকদের আন্তরিকতার অভাব, শিক্ষার্থীর নগন্য সংখ্যা, ভর্তিকৃত শিক্ষার্থী কম, শিক্ষক স্বল্পতা, শিক্ষার্থীদের অনিয়মিত উপস্থিতি, কেজি স্কুল বা মাদ্রাসার দৌরাত্বকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই বিদ্যালয়ের সমস্যার সমাধান কল্পে বিশেষ মনিটরিং টিম গঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতি মুক্ত রাখা, পাঠদানের সময় শিক্ষকদের পোষাক ও মোবাইল ফোন ব্যবহারে সর্তকতা অবলম্বনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আজিজুর রহমান প্রতিবেদককে জানান, শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে। এছাড়া মা ও অভিভাবক সমাবেশ, উঠান বৈঠক, হোম ভিজিট, শিক্ষা ক্রমিক কার্যক্রম জোরদার, শিক্ষক ডেপুটেশন থেকে নিজ বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া স্কুল ও শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। তিনি আরোও বলেন, পরিদর্শন করা স্কুলগুলি সামগ্রিক মূল্যায়ন করা হবে। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের পাঠদান কৌশল ও প্রাপ্ত ফলাফল নিয়ে তদারকি বাড়ানো হবে। শিক্ষা উপকরণের ব্যবহার, শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক সম্পর্ক যাচাইয়ের পাশাপাশি পিটিএ কমিটিকে সক্রিয় করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ধারাবাহিক ভাবে অন্যান্য স্কুলগুলি নিয়ে কাজ করা হবে।

ইউএনও মো. আজিজুর রহমান সাম্প্রতিক সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান এবং শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি স্বরুপ গাজীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও সম্মাননা লাভ করেন। সম্মাননা প্রদান করেন প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদান জেলা বাছাই কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. মাসুদ ভূঁইয়া। তিনি ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে পদোন্নতি পেয়ে গাজীপুরের কালীগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগারওয়াল গ্রেপ্তার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে খাদ্য অপচয় রোধ ও পুষ্টি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে “খাদ্য অপচয় রোধ ও পুষ্টি সচেতনতা” শীর্ষক সেমিনার গতকাল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের আয়োজনে এবং হসপিটালিটি স্টুডেন্টস লিডারশিপ কাউন্সিল ( HSLC )—এর সহযোগিতায় আয়োজিত সেমিনারে এবারের প্রতিপাদ্য ছিল—“আজকের উদ্ভাবন, আগামীর পুষ্টি নিশ্চিতকরণ”

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ইসরাত জাহানের সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) ড. শরীফ আশরাফউজ্জামান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. সালেহ জহুর, অধ্যাপক ড. শওকতুল মেহের এবং ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ ড. হাসিনা আখতার লিপি, রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ এর ফুড অ্যান্ড বেভারেজ বিভাগের সহকারী পরিচালক গাজী মহিউদ্দিন এবং দ্য পেনিনসুলা চট্টগ্রামের সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের প্রধান কামাল হোসেন।

সেমিনারের মূল লক্ষ্য ছিল খাদ্য অপচয়ের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাসে উৎসাহ প্রদান এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীল ও টেকসই চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরা। পাশাপাশি, আতিথেয়তা ও খাদ্যসেবা খাতে খাদ্য অপচয় কমানো এবং পুষ্টিসচেতনতা বৃদ্ধিতে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়।

সেমিনারে সচেতনতামূলক আলোচনায় বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ হাসিনা আক্তার লিপি তাঁর আলোচনায় দেশিয় ফলমূল ও খাদ্যসামগ্রীর পুষ্টিগুণ এবং সুস্বাস্থ্য রক্ষায় এগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি গাজী মহিউদ্দিন তাঁর আলোচনায় হোটেলশিল্পে খাদ্যের গুণগত মান, পুষ্টিগুণ এবং তা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন। একইসঙ্গে, মোহাম্মদ কামাল হোসেন তাঁর আলোচনায় হোটেলশিল্পের কার্যকর পদ্ধতিগুলো দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগের মাধ্যমে কীভাবে খাদ্য অপচয় রোধ করা সম্ভব, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন।

সমাপণী বক্তব্যে অধ্যাপক ড. ইসরাত জাহান আলোচকদের উপস্থাপিত বক্তব্যসমূহের ওপর বিশদ ও বিশ্লেষণধর্মী পর্যালোচনা প্রদান করেন এবং আলোচ্য বিষয়ের তাৎপর্য ও প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ