আজঃ শুক্রবার ১ মে, ২০২৬

ঝালকাঠি জেলা বিএনপি’র কালোপতাকা মিছিল পুলিশের বাঁধায় পন্ড

মশিউর রহমান রাসেল ঝালকাঠি প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দ্রব্যমুল্যের সীমাহীন উর্ধ্বগতি, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দী নেতৃবৃন্দের মুক্তি এবং অবৈধ সংসদ বাতিলের ১ দফা দাবিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী ২৬ জানুয়ারী শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় এ কর্মসূচির আয়োজন করে জেলা বিএনপি। কালোপতাকা মিছিলের পুর্বে জেলা বিএনপির আহবায়ক এ্যাডভোকেট মোঃ সৈয়দ হোসেন এর সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন, ঝালকাঠি পৌর বিএনপির সভাপতি এ্যাড. নাসিমুল হাসান, ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মোঃ এজাজ হাসান, নলছিটি পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট মোঃ মিজানুর রহমান মুবিন, নলছিটি উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম গাজী, জেলা যুবদলের আহবায়ক মোঃ শামিম তালুকদার। সমাবেশে বক্তরা সরকার গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করতে চাইছে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে মানুষের ভোটাধিকার হরন করেছে। গত ৭ জানুয়ারি ডামি নির্বাচন এর আয়োজন করে গণতন্ত্র হত্যার মহাউৎসব করে চলছে বলে বক্তৃতারা অভিযোগ করেন। আওয়ামী সরকার তাদের আজ্ঞা বাহ প্রশাসন কে ব্যবহার করে সকল বিরোধী দল মতকে নির্মুল করতে মরিয়া হয়ে ওঠায় দেশের সকল ক্ষেত্রে নৈরাজ্যকর অবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় দ্রব্য মুল্যের লাগাম টানতে পারছে না। ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট এর কাছে সাধারণ মানুষ জিম্মি। জণগনের অধিকার আদায়ে সংগ্রাম করায় বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সহ হাজার হাজার নেতাকর্মী মিথ্যা গায়েবী মামলায় অবৈধভাবে আটক রাখা হয়েছে। বিএনপি নেতৃবৃন্দ অনতিবিলম্বে খালেদা জিয়া সহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তি দাবী করেন এবং দ্রব্য মুল্যের দাম কমানো এবং বর্তমান সংসদ বাতিল করে নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে পুনঃ নির্বাচন আয়োজনের দাবী জানান। সমাবেশে বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের তিন শতাধিক নেতাকর্মী অংশ গ্রহণ করেন। সমাবেশ শেষে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে জেলা বিএনপির আহবায়ক এবং সদস্য সচিব এর নেতৃত্বে কালো পতাকা মিছিল বের হয়ে কিছুটা অগ্রসর হলে পুলিশের বাঁধায় মিছিলটি পন্ড হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার চাটমোহরে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষক নিহত ও একজন আহত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার চাটমোহরে সিএনজি মাইক্রোবাস মুখোমুখি সংঘর্ষে এক কলেজ শিক্ষক নিহত এবং তার স্ত্রী আহত হয়েছেন। নিহত কলেজ শিক্ষক মোঃ হুমায়ুন কবির মুক্তা (৪৭) ভাঙ্গুড়া উপজেলার পাথরঘাটা গ্রামের মৃত আকবর হোসেনের ছেলে এবং ভাঙ্গুড়া সরকারি হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক। দুর্ঘটনায় তার সহধর্মিণী উর্মি আহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকালে।চাটমোহর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ গোলাম মোস্তফা জানান, বুধবার সকালে ভাঙ্গুড়া থেকে একটি সিএনজি যোগে টেবুনিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় শিক্ষক দম্পতি। তারা চাটমোহর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের উথলী নামক স্থানে ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় মোঃ হুমায়ুন কবির মুক্তা তার স্ত্রী উর্মী গুরুতর আহত হয়। এ সময় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার হুমায়ুন কবির জানান, আহত মুক্তার মাথা সহ শরীরের বিভিন্ন অংশ আঘাতপ্রাপ্ত হয়। মুক্তা এবং তার স্ত্রী উর্মিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
মোঃ হুমায়ুন কবির মুক্তা কিডনি রোগে আক্রান্ত ছিল, ডায়ালাসিস করার জন্য রাজশাহী যাচ্ছিল। সড়ক দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত মোঃ হুমায়ুন কবির মুক্তা বৃহস্পতিবার সকাল ৯:৩০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। মৃত্যুকালে তিনি তার স্ত্রী,দুইটি মেয়ে সহ অনেক আত্নীয় স্বজন রেখে যান।

চট্টগ্রামে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শতভাগ বাস্তবায়ন করতে চান বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেছেন, সারা দেশের ন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় পর্যায়েও ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদেরকে বিনামূল্যে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ চলমান রয়েছে। গত ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্পেইন জেলা পর্যায়ে আগামী ১০ মে এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় ২০ মে পর্যন্ত এলাকায় চলমান থাকবে।

সরকারী ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময়ে এ বয়সী শিশুকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ১ ডোজ এমআর টিকা দেয়া হবে। ৬-৫৯ মাস বয়সী কোন শিশু যাতে টিকা পাওয়া থেকে বাদ না পড়ে সে বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বিভাগে প্রায় ৪২ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ২৭ এপ্রিল সোমবার পর্যন্ত টিকা প্রদানের হার প্রায় ৪৪ শতাংশ। হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন আমরা শতভাগ বাস্তবায়ন করতে চাই। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত উদ্যোগে প্রয়োজন। মঙ্গলবার সকালে নগরীর সিনেমা প্যালেস সংলগ্ন লয়েল রোডস্থ চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ে সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক এসোসিয়েশন (বিপিএ) সদস্যদের সাথে আয়োজিত ওরিয়েন্টেশন সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয় সভার আয়োজন করেন।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভাগীয় সমন্বয়কারী ডা. ইমং প্রু চৌধুরী। সভায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মুছা মিয়া, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক এসোসিয়েশনের সেক্রেটারী জেনারেল ও চমেক হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক (শিশু স্বাস্থ্য বিভাগ) ডা. মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন ঢালী, চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ইমাম হোসেন রানা, চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক কর্ণেল (ডা.) তাহমিদ হক, বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক এসোসিয়েশনের চট্টগ্রাম জেলা শাখার উপদেষ্টা ডা. মোঃ আবুল কালাম ও ইউসিসেফ’র ন্যাশনাল ইপিআই স্পেশালিষ্ট ডা. সরোয়ার আলম। ওরিয়েন্টেশন সভায় বিপিএ’র চট্টগ্রাম জেলা শাখার কর্মকর্তা ও সদস্যরা হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

ডা. ফজলে রাব্বি বলেন, হাম-রুবেলা নির্মূলে টিকাদান ক্যাম্পেইন একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় কর্মসূচী। বিভাগের কোন শিশু যাতে এই টিকার আওতার বাইরে না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্কদৃষ্টি রাখতে হবে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করতে হবে। হাম-রুবেলার টিকা অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকরী। তারপরও কখনও কখনও সামান্য কিছু প্রতিক্রিয়া বা লক্ষণ দেখা দিলে ভয়ের কোন কারণ নেই, এমনিতেই সেরে যাবে। হাম একদিকে যেমন দ্রুত ছড়ায়, অন্যদিকে সঠিক সময়ে টিকার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করাও বেশ সহজ।

এটি মূলত ‘হার্ড ইমিউনিটি’ বা গোষ্ঠীগত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মতো কাজ করে। অর্থাৎ একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর বড় অংশকে যদি টিকার আওতায় এনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা যায়, তবে ওই এলাকার সব শিশু সুরক্ষিত থাকবে। অধিকাংশ শিশুকে এই টিকাদান কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হলে হাম ছড়ানোর আর কোনো সুযোগ থাকবে না। সঠিক তথ্য প্রদান ও টিকাদান কার্যক্রমে শতভাগ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

ওরিয়েন্টেশন সভায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, হাম-রুবেলার (এমআর) টিকা অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকরী। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞদের চেম্বারে চিকিৎসার জন্য আসা ৬-৫৯ বয়সী শিশুদেরকে এমআর টিকা দেয়ার জন্য অভিভাবকদেরকে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করতে হবে।

মূলতঃ পবিত্র ঈদুল ফিতরের পরপর মিজেলস ছড়িয়ে পড়ায় এটি নিয়ন্ত্রণে বর্তমান সরকার সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়ে পাইলট প্রকল্প হিসেবে প্রথমে দেশের ১৮ জেলার টিকাদান কর্মসূচী শুরু করেন। এ সময়ে শিশুদের জন্য ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রয়োজন থাকলেও প্রয়োজনের তুলনায় সরবরাহ অপ্রতুল। তাই এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথে সারাদেশে শিশুদের জন্য ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের সরবরাহ নিশ্চিতসহ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ক্যাম্পেইন যাতে শুরু করা হয় সে ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফ’র মাধ্যমে সরকারকে অনুরোধ জানানো হবে।

সভায় বক্তারা আরও বলেন, জনসুরক্ষা (পপুলেশন ইমিউনিটি) বৃদ্ধির লক্ষ্যে নির্দিষ্ট সময় পর পর হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন জরুরী। পূর্বে এমআর টিকা পেয়ে থাকলেও অথবা হাম বা রুবেলা রোগ হলেও ৬-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে এ ক্যাম্পেইনের সময় ১ ডোজ এমআর টিকা দেয়া হবে।

অসুস্থ শিশুরা সুস্থ হলে কিংবা উদ্দিষ্ট শিশু পূর্বে হাম বা রুবেলা রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকলেও ক্যাম্পেইন চলাকালে যে কোন টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা নিতে পারবে। এমআর টিকা নিরাপদ হলেও কখনও কখন সামান্য কিছু প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ভয়ের কোন কারণ নেই, এগুলো এমনিতেই সেরে যাবে। ক্যাম্পেইনে টিকা পাওয়া সত্ত্বেও দুই বছরের কম বয়সী শিশুকে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় ২ ডোজ এমআর টিকা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। তবে দু’টি ডোজের মধ্যে অবশ্যই ২৮ দিনের বিরতি থাকতে হবে।

ক্যাম্পেইন নিয়ে যে কোন ধরনের গুজব রোধে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুর ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে এমআর টিকা নিতে পারবে, যাদের জন্মনিবন্ধন সনদ নেই তাদেরকে লাইন লিস্ট করে সরবরাহকৃত এমআর টিকা কার্ড পূরণ করে টিকা প্রদান করতে হবে। সভায় জানানো হয়, হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গত ৫ এপ্রিল থেকেই দেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলা ও ১৩টি পৌরসভায় জরুরি ভিত্তিতে প্রথম দফায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে মন্ত্রণালয়। এ সময়ে চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার রামু, মহেশখালী, চাঁদপুর জেলা সদর ও হাইমচর উপজেলাও কর্মসূচী শুরু হয়।

গত ১২ এপ্রিল ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, বরিশাল ও ময়মনসিংহে দ্বিতীয় দফায় হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে এই হাম-রুবেলার (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়। চট্টগ্রাম বিভাগে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ৪২ লাখ শিশুকে বিনামূল্যে হাম-রুবেলার টিকা দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিভাগের মোট ১৬৪টি স্থায়ী কেন্দ্র, ২৪ হাজার ৬৪০টি ভ্যাকসিনেশন সেন্টারে সরকারী ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ টিকা দেয়া হবে। ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে ১ হাজার ১৫টি মপ-আপ টিম ও সান্ধ্যকালীন ১৬টি টিম এ টিকা প্রদানের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ