আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

সোয়াই নদী সম্পূর্ণ খননের দাবিতে শ্যামগঞ্জ বাজারে মানববন্ধন।

ওবায়দুর রহমান, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আংশিক নয়, সম্পূর্ণ সোয়াই নদী খননের দাবিতে শ্যামগঞ্জ বাজারে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৯ ফেব্রæয়ারি) দুপুরে ‘আমরা শ্যামগঞ্জবাসী’ ব্যানারে এই কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জানা যায়, সোয়াই নদীটি ময়মনসিংহের গৌরীপুরের শ্যামগঞ্জ, মইলাকান্দা ইউনিয়নের কিছু অংশ, তারাকান্দা উপজেলার কিছু অংশ ও নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার একাংশ, নেত্রকোনা সদর উপজেলা কিয়দাংশজুড়ে বিস্তার ছিল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে কিছু অসাধু ভ‚মিখেকো মানুষ নদীটি দখল করে অস্তিত্ব বিলীন করে দিয়েছে।
সংশ্লিষ্টসূত্রে জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তালিকায় থাকা নদীটির পুনঃখননের কাজ শুরু করেছে সরকারের পানি উন্নয়ন বোর্ড। কাজের তদারকি করছেন নেত্রকোনা জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। এতে নদীটি দৃশ্যমান হয়ে উঠছে নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার অংশে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের রেকর্ডে নদীটির দৈর্ঘ্য রয়েছে ৪৭ কিলোমিটার। নদীটি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা অংশ হতে তারাকান্দা উপজেলার বিসকা পর্যন্ত খনন করার দরপত্র প্রকাশ রয়েছে।
সরকার আবার নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে পুণঃখনন শুরু করেছে। এতে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে নদীটির নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার অংশে।
‘আমরা শ্যামগঞ্জবাসী’ এর প্রধান সমন্বয়ক ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় সূর্যসেন হল ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি মোঃ মারিয়াম সোহানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মইলাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন মনোজ, এনডিএমের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য এম আর মাসুম, শিক্ষক তাপস ঘোষ, গোবিন্দ বণিক, ছাত্রনেতা সাহাদাত হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মানবন্ধনে বক্তারা সোয়াই নদী পুণঃখনন কাজ শুরু করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। পাশাপাশি পূর্বের মানচিত্র অনুযায়ী আংশিক নয়, সম্পূর্ণরূপে ও সঠিকভাবে সোয়াই নদীটির পুনঃখননের দাবি জানিয়েছেন এবং শ্যামগঞ্জ বাজারে নদীর জায়গায় দখল উচ্ছেদ করে এই খনন কাজের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের প্রতি আহŸাণ জানিয়েছেন বক্তারা।
সোয়াই নদী পুনঃখননের বিষয়ে নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সারোয়ার জাহান বলেন, দরপত্র মোতাবেক নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার অংশ হতে তারাকান্দা উপজেলার বিসকা পর্যন্ত দৈর্ঘ্যে ৪৬ কি.মি. ও প্রস্থে ২০ মিটার পুণঃখনন করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় আজাদ চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ঈদ উপহার পেয়ে খুশি গ্রাম-পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। এসময় উপহার পেয়ে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন গ্রাম পুলিশের সদস্য কাইচার আলম, জয়নাল আবেদীন, হারুন রশীদ, পারভেজসহ অন্যান্য সদস্যরা।

জানা যায়, স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত উদ্যোগে গ্রাম পুলিশদের মাঝে এ ঈদ উপহার বিতরণ করেন। উপহার হিসেবে দেওয়া হয় পাঁচ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ।

উপহার গ্রহণকালে গ্রাম পুলিশের সদস্য কাইচার আলম বলেন, “ঈদের আগে এ ধরনের সহায়তা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। এতে আমাদের পরিবারের সাথে ঈদের আনন্দ আরও বাড়বে।”

এসময় স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, “গ্রাম পুলিশরা সবসময় জনগণের নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে ঈদের আগে সামান্য উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”

ঈদ জামাত সকাল ৮টায়, প্রস্তুত চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ময়দান :চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদ-উল-ফিতরের কেন্দ্রীয় জামাত উপলক্ষে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ ময়দান সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বুধবার জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। পরিদর্শনকালে মেয়র নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং রমজানের শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করে চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোস্তফা মনসুর আলম খান, চসিকের জনসংযোগ ও প্রটোকল কর্মকর্তা আজিজ আহমদ, নির্বাহী প্রকৌশলী আনু মিয়া, মেয়রের একান্ত সহকারী জিয়াউর রহমান জিয়া এবং সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, প্রায় ৬৫ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে এবং নিচে কার্পেটিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখে ওপরে টারপলিন দেওয়া হয়েছে, যাতে আবহাওয়া প্রতিকূল হলেও ঈদের জামাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। এছাড়া প্রায় ২৫০টি পাখা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, ৫০টি মাইক এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গত সাত দিন ধরে চসিকের উদ্যোগে এসব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পারেন।

ডা. শাহাদাত বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মুসল্লি এই কেন্দ্রীয় জামাতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত মুসল্লির কথা বিবেচনায় রেখে দুটি জামাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে-প্রথম জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।তিনি আরও বলেন, মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য তিনটি গেট খোলা রাখা হবে, পাশাপাশি পেছনের গেটটিও ব্যবহারের উপযোগী করা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের ভিড় বা হুড়োহুড়ি না হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নগরীর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে চসিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অপরাধ দমনে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চলছে এবং নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, গত ১৬ মাসে চট্টগ্রামে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যা একটি ‘সেফ সিটি’ বা নিরাপদ নগরী গড়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

মাঠ পরিদর্শনকালে মেয়র আরো বলেন, প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের খতিব আলহাজ্ব সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক আল কাদেরী।এছাড়া নগরীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে সকাল ৮টায় ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে যথাক্রমে লালদীঘি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শাহী জামে মসজিদ, হযরত শেখ ফরিদ (রঃ) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীন নগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরুবাজার জামে মসজিদ এবং মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদ (সাগরিকা জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়াম সংলগ্ন)।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ