আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে করণীয় শীর্ষক আলোচনা

ডেস্ক নিউজ:

যেন দ্রব্যমূল্য ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন মুহুরী বলেছেন, সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে, যেন দ্রব্যমূল্য ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে থাকে। সামনে রমজান আসছে, এ রমজানে যেন মানুষ ক্ষমতার মধ্যে থাকে, সে জন্য সরকারের চেষ্টার পাশাপাশি সকলেরই সহযোগিতা প্রয়োজন। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ আমাদের কাছে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে রোজার আগে ব্যবসায়ীরা যেন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহযোগিতা করে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন যেমন কাজ করবে, তেমনি আমাদের যে ব্যবসায়ী সমিতি আছে তারাও যদি সঠিকভাবে কাজ করে তাহলে দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা সম্ভব। এছাড়া অন্য যেসব সমস্যা আছে সেগুলো নিয়ে সরকার কাজ করছে।তিনি আরো বলেন, আমরা যদি ধর্মীয় আচরণের ব্যাপারে একটু মনোযোগী হই, তাহলে এ মজুদদারী থাকে না ও অতিরিক্ত মুনাফার বিষয়টিও থাকে না। বিশেষ করে রমজান মাসে। রমজান সংযমের সময়। আমরা যেন সব ক্ষেত্রে অর্থাৎ ব্যবসায়ী, ক্রেতাসহ সকলেই যেন সংযম করি।

প্রবীণ সাংবাদিক মো: ইসকান্দর আলী চৌধুরীর সভাতিত্বে, কামরুল হুদা ও নজরুল ইসলামের যৌথ পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখন দেশ জগতের সম্পাদক কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী, আলোচনা করেন চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড: সুকান্ত ভট্টচার্য্য। তিনি বলেন, সরকার প্রধান যথেষ্ট আন্তরিক। আমাদের সকলকে সৎ হতে হবে। বর্তমান সরকারের অর্জনগুলো আমাদেরকে মূল্যায়ন করতে হবে।স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাসহ দেশের মহৎ এবং বৃহৎ অর্জনসমূহ আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগ সরকারের হাত ধরেই অর্জিত হয়েছে। আমাদেরকে সৎ হতে হবে। সৎ সাহস নিয়ে প্রতিবাদ করতে হবেএ অন্যায়কে অন্যায় বলার সৎ সাহস থাকতে হবে। কেউ অন্যায্য কাজ করলে, কেউ দুর্নীতি করলে, সকলে মিলে তাকে বয়কট করতে হবে, তার কাছ থেকে দূরে থাকতে হবে। সবার আগে নিজের ঘর ঠিক করতে হবে। শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী গড়ে তুলেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক এস এম নছরুল কদির বলেন, নিত্যপণ্যের দামের বর্তমান লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে সব স্তরের মানুষ ভোগান্তিত পড়লেও সীমিত আয়ের মানুষের জন্য তা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। গরীব আছে সংকটে আর মধ্যবিত্তরা দিশেহারা। জীবনযাত্রার ব্যয় সংকুলান করার কোনো পথ তারা খুঁজে পাচ্ছে না। আমাদের দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায় কারণে অকারণে। কোনো একটি অজুহাত পেলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বাড়িয়ে দেয়া হয়। কখনও রোজা, কখনও ঈদ বা কখনও জাতীয় বাজেট ঘোষণার কারণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করা এক নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এই অশুভ প্রবণতা লক্ষ করে আসছি আমাদের সেই ছোটবেলা থেকে এবং আজও সেই একই ধারা অব্যাহত আছে। বরং বলা যায় যে সেই প্রবণতা এখন বেড়ে গেছে মাত্রাতিরিক্ত হারে।

বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, যমুনা টিভির ব্যুরোচীফ জামসেদ চৌধুরী, শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ ড: মুহাম্মদ সানাউল্লাহ, ফুলকলি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক এম এ সবুর, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক স. উ. ম. আবদুস সামাদ,নাগরিক ফোরামের মহাসচিব কামাল উদ্দিন, বিশিষ্ট কলামিস্ট অধ্যাপক মাসুম চৌধুরী, সাংবাদিক সজল চৌধুরী, কবি কামরুল ইসলাম, দৈনিক আমাদের বাংলার সহ-সম্পাদক এস এ এম নুর হোসাইন, তৃণমূল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান দীপক পালিত, বিএনপি নেত্রী জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী রিকু, প্রজন্ম চট্টগ্রামের প্রধান নির্বাহী চৌধুরী জসীমুল হক।

হামদ পরিবেশন করেন সিনিয়র শিক্ষক মো: মাহবুবুল আলম, গান পরিবেশন করেন লুপর্না মুৎসুদ্দি, কবিতা আবৃত্তি করেন সুলতান আহমদ ও সোমা মুৎসুদ্দী।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য নিউজগার্ডেন যাদেরকে স্বীকৃতি প্রদান করেন তারা হলেন মুক্তিযুদ্ধে বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ, মরণোত্তর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ সিরাজুল মোস্তফা, মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইলিয়াছ, প্রশাসনিক কর্মকান্ডে ব্যবস্থাপনাগত দ¶তার চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজ’র প্রধান শি¶ক মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, হেকিমি চিকিৎসাশাস্ত্রে অবদান’র জন্য হাকীম শাহজাদা ইজাজউদ্দীন মুহাম্মদ আজীম খান, সামাজিক ব্যক্তিত্বের জন্য এম এ এন্টারপ্রাইজ’র ম্যানেজিং পার্টনার মোহাম্মদ মনচুর আলী, সাংবাদিকতার জন্য যমুনা টেলিভিশনের ব্যুরো চীফ জামসেদ চৌধুরী, সমাজের বিভিন্ন কর্মকান্ডে অবদানের জন্য আল আমিন হাশেমী ইঞ্জিনিয়ারীং ওর্য়া·ের এমডি সৈয়দ মোহাম্মদ এমরান, সৎ ও নিষ্ঠাবান কর্মকর্তার ¯^ীকৃতি ¯^রূপ মো: খোরশেদ আলম, বাংলালুক ডিজিটাল এজেন্সির সিইও রোটারিয়ান ফরহাদুল ইসলাম, সূফী জগৎ প্রচার প্রসারে অবদান রাখার জন্য কুসুম আকতর মাইজভান্ডারী।

উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম সাদা, বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী, সাংবাদিক মো: আবদুল নুর চৌধুরী, সাইফুর রহমান সাইফুল, মো: আবু হেনা খোকন, আয়মন ওসমান, অমল কান্তি চৌধুরী, আবির হাসান ইফতি, সংগঠক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মো: মুসলিম সিকদার, সমাজ কর্মী রফিকুল ইসলাম মোর্শেদ, মো: রিদুয়ানুল হায়দার, মো: ছরওয়ার কামাল, মো: আরিফুল কবীর, মো: জাকির হোসেন, কনজ কুমার শীল, রোজী চৌধুরী, সমীর পাল, গিয়াস উদ্দিন, মো: হোসাইন মুন্না, মো: তসলিম, শ্যামল দাশ, মো: সরোয়ার কামাল, মো: জাবেদ হোসেন চৌধুরী, এনজিটিভির ফটিকছড়ি প্রতিনিধি এ. কে. এম. নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, ইমরান সোহেল, হারুনর রশিদ, মোহাম্মদ হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার মো: এমরান, আরাফাত আল করিম রিমন, বেবী দাশ মজুমদার নুপুর, মো: মিজানুর রহমান, আমেনা বেগম, ইয়াছমিন আকতার, এস এম শাহানাছ আকতার, এস এম শাহীন আকতার, সৈয়দা শাহনু পারভীন, সৈয়দা শাহনাজ আখতার ফেরদৌসী, জেসমিন আকতার মুক্তা, শহর বানু, সানজিদা আলম, হোসনে আরা বেগম, রুবি আকতার, মনু আকতার, জাহানারা, বানু, মো. আলি আহাম্মদসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে আহত নিহতদের মাঝে চেক বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও জেলায় বিভিন্ন স্থানেসড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ নিহত ও আহত ৭ টি পরিবারের মাঝে চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেল এর আয়োজনে এই চেক বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গোলাম ফেরদৌস, ঠাকুরগাঁও বিআরটি এর সহকারী পরিচালক ইঞ্জি: মোহাম্মদ আলী আহসান মিলন, মোটরযান পরিদর্শক মাফুজ রানা, উচ্চমান সহকারী রুস্তম আলীসহ অন্যান্যরা।সেখানে সাতটি পরিবারের মাঝে ২১ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

চট্টগ্রামে সাড়ে তিন বছর আগে শিশুকে কেটে ছয় টুকরো, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বহুল আলোচিত শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত অপহরণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আবিরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন একটি আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টায় চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন। চাঞ্চল্যকর এ মামলায় ৫০ জন সাক্ষীর মধ্যে মোট ৩৩ জনের সাক্ষ্য নিয়ে আদালত এ রায় দিয়েছেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি আবির আদালতে উপস্থিত ছিলেন।সাড়ে তিন বছর আগে এই শিশুকে কেটে ছয় টুকরো করে লাশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে গুমের লোমহর্ষক ঘটনার মামলার রায় দেয়া হল। দণ্ডিত ২৩ বছর বয়সী আবির আলীর বাড়ি রংপুর জেলায়। ঘটনার সময় চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানার দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের নয়ারহাট এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর জালাল উদ্দিন বলেন, শিশুটিকে হত্যার অপরাধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। লাশ টুকরো-টুকরো করে গুমের অপরাধে দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর বিকালে নগরীর দক্ষিণ হালিশহরের নয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার চার বছর ১১ মাস বয়সী মেয়ে আলীনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ইপিজেড থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল।

ঘটনা জেনেই ছায়া তদন্তে নামে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।২৪ নভেম্বর আয়াত হত্যার অভিযোগে প্রতিবেশী তরুণ আবির আলীকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। ২৫ নভেম্বর দায় স্বীকার করে তিনি আদালতে জবানবন্দি দেন। তার দেওয়া তথ্যে ৩০ নভেম্বর নগরীর ইপিজেড থানার আকমল আলী রোডের শেষপ্রান্তে নালাসংলগ্ন স্লুইচগেট এলাকা থেকে আয়াতের বিচ্ছিন্ন দুই পায়ের অংশ এবং পরদিন খণ্ডিত মাথা উদ্ধার হয়। ৬ ডিসেম্বর আবিরের সহযোগী এক কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়।

আবিরের বরাতে পিবিআই তখন জানিয়েছিল, আবির ১৫ নভেম্বর আয়াতকে তুলে নিয়ে শ্বাসরোধে খুন করেন। এরপর লাশ কেটে ছয় টুকরো করেন। ১৬ নভেম্বর সকালে লাশের তিনটি টুকরো নগরীর আকমল আলী রোডের শেষপ্রান্তে বেড়িবাঁধের পর আউটার রিং রোডসংলগ্ন বে-টার্মিনাল এলাকায় সাগরে ভাসিয়ে দেন। ওইদিন রাতে বাকি তিন টুকরো আকমল আলী রোডের শেষপ্রান্তে একটি নালায় স্লুইচগেটের প্রবেশমুখে ফেলে দেন।

আয়াতের বাবার করা মামলা তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআই চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিটের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ কুমার দে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে আবির আলী এবং তার কিশোর বয়সী বন্ধুকে আসামি করা হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, নগরীর দক্ষিণ হালিশহরের নয়ারহাট এলাকায় আয়াতের দাদা মনজুর হোসেনের মালিকানাধীন ভবনে ভাড়া থাকত আবিরের পরিবার। আবিরের জন্ম ওই বাসায়। তবে ঘটনার সময় তার বাবা আজাহারুল ইসলাম ওই বাসায় থাকলেও দাম্পত্য কলহের জেরে মা আলো বেগম আকমল আলী রোডে আলাদা বাসায় থাকতেন। আবির ও তার বোন মায়ের সঙ্গে থাকতেন। তবে আবির তার বাবার বাসায়ও নিয়মিত আসা-যাওয়া করতেন।

বেকার জীবনের হতাশা থেকে আবির সম্পদশালী পরিবারের শিশু আয়াতকে অপহরণ করে বড় অংকের টাকা মুক্তিপণ আদায় করার কৌশল নিয়েছিলেন। সহযোগী কিশোরকে নিয়ে তিনি আয়াতকে তুলে নিয়েছিলেন। এরপর আবির তার বাবার বাসায় নিয়ে শিশুটিকে খুন করেন। লাশ বস্তায় ভরে মায়ের বাসায় নিয়ে কেটে ছয় টুকরো করে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দেন। ২০২৪ সালের ৩০ মে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

আদালতে উপস্থিত পিবিআই পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী জানালেন, মামলার দুজন আসামির মধ্যে আবির আলীর বিচার সম্পন্ন হয়েছে। অপর আসামি কিশোর বয়সী হওয়ায় তার বিচার শিশু আদালতে চলমান আছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ