আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে সম্মেলনের মাধ্যমে নবযাত্রা শুরু হলো এম. এ. লতিফ এমপি’র স্মার্ট জেনারেশন সোসাইটির

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে সম্মেলনের মাধ্যমে নবযাত্রা শুরু হলো এম. এ. লতিফ এমপি’র স্মার্ট জেনারেশন সোসাইটির
ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার বিকল্প নেই-অর্থ প্রতিমন্ত্রী
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে স্মার্ট জেনারেশন সৃষ্টির বিকল্প নেইঃ এম. এ. লতিফ এমপি

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে ভিশন ২০৪১ তথা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সমাজের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সকল সেবা পৌঁছে দিতে শিক্ষিত তরুণ, যুবক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে বন্দর-পতেঙ্গা আসনের সংসদ সদস্য এম. এ. লতিফ এমপি এর উদ্যোগে যাত্রা শুরু হয়েছে “স্মার্ট জেনারেশন সোসাইটি”। ৯ মার্চ বিকেলে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে নবগঠিত স্মার্ট জেনারেশন সোসাইটির সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ¯^প্নদ্রষ্টা, প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকে চারবার নির্বাচিত ও জনপ্রিয় সংসদ সদস্য এম. এ. লতিফ। ইপিজেড থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাকের আহমদ খোকন’র সঞ্চালনায় উক্ত সম্মলনে প্রধান অতিথি অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি ও বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ এর শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুল হক মিয়া, কাউন্সিলরবৃন্দ গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, জওহর লাল হাজারী, পুলক খাস্তগীর, মহানগর যুবলীগের সহ-সভাপতি দেবাশীষ পাল দেবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ, ৩৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন কবি, ৪১ নং ওয়ার্ড এর নুরুল আলম, চট্টগ্রাম বন্দর সিবিএ’র সাধারণ সম্পাদক নায়েবুল ইসলাম ফটিক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সাবেক সহ-সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন মোর্শেদ, ¯^াধীনতা নারী শক্তি’র পরিচালকবৃন্দ, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

প্রধান অতিথি ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি বলেন-স্মার্ট বাংলাদেশের ¯^প্নদ্রষ্টা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করায় আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। দেশের ইতিহাসে নারী অর্থ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সততা ও আন্তরিকতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। একই সাথে দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল ও উন্নত বাংলাদেশে রূপান্তরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় কাজ করে যাব। তিনি আরো বলেন-মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেন বলেই মন্ত্রী সভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন চট্টগ্রামের কৃতি সন্তানদের। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়নে ¯^প্ন সারথী হিসেবে কাজ করে যাব আমরা। একজন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে আগামীর তারুণ্যে শক্তিকে আরো উজ্জীবিত করতে এম. এ. লতিফ এমপি যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তা দেশের সকল নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জন্য অনুস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

সিটি মেয়র মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন-বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বুকে উন্নয়নের রোল মডেল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামকে দেশি-বিদেশী বিনিয়োগের আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করতে টানেল, বঙ্গবন্ধু শিল্প নগর, এলিভেটেড এ·প্রেসওয়েসহ অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন। এর সুফল পেতে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার বিকল্প নেই। এজন্য স্মার্ট জেনারেশন তৈরি করতে হবে। যারা হবে প্রযুক্তিতে পারদর্শী মেধাবী গোষ্ঠি। যারাই আগামীর উন্নত বাংলাদেশের কারিগর। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট সিটিজেন গড়ার যে উদ্যোগ নিয়েছেন সংসদ সদস্য এম. এ. লতিফ তা অনুসরণযোগ্য। সকলে যদি এভাবে এগিয়ে আসে তাহলে ২০৪১ সালের আগেই স্মার্ট ও ¯^নির্ভর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।

সভাপতির বক্তব্যে এম. এ. লতিফ এম.পি. বলেন-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্ব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় আমরা এখন নতুন নতুন প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হচ্ছি। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে কল-কারখানায় ব্যবহার করা হচ্ছে রোবট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি। তাই প্রযুক্তির এই লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে আধুনিক, দ¶, প্রশি¶িত প্রজন্ম গড়ে তোলা প্রয়োজন। তিনি বলেন-বঙ্গবন্ধু কন্যার এবারের নির্বাচনে ইশতেহারে ছিল স্মার্ট বাংলাদেশ। তাই স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট সিটিজেনের কোন বিকল্প নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং বাংলাদেশকে উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যেতে হাতিয়ার হবে স্মার্ট জেনারেশন সোসাইটি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে এলেন নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত Brent T. Christensen এর নেতৃত্বে ৫ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন। প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দরে আগমনের পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি এর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। চেয়ারম্যান জুলাই গণঅভ্যুত্থান-২০২৪ পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উল্লেখযোগ্য অর্জন সমূহ প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

তিনি বিগত সময়ের নানা অনিয়ম, শ্রম অসন্তোষ, বিভিন্ন প্রেশার গ্রুপের আধিপত্য, অগ্নী দূর্ঘটনা ও ডিজিটাইজেশনে বাধাসহ অন্যান্য চ্যালেঞ্জ সমূহ মোকাবেলা করে বন্দরের নানা যুগোপযুগি সংস্কার করেছেন। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর হ্যান্ডলিং রেকর্ড, জাহাজের টার্ন এরাউন্ড টাইম হ্রাস, ডুয়েল টাইম হ্রাস, পোর্ট লিমিট বৃদ্ধি, সর্বাধিক মুনাফা অর্জন, পানগাঁও আইসিটি ও লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালে বিদেশী অপারেটর নিয়োগ, বে টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, ডিজিটাইজেশন, ইউএস কোস্টগার্ড কর্তৃক আইএসপিএস এর জিরো অবজারভেশন প্রভৃতি বিষয়ে অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তিনি প্রতিনিধিদলকে আরো জানান যে, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর ও বে টার্মিনাল চালু হলে বন্দরটি বিশ্বের অন্যান্য বন্দরের সাথে সরাসরি জাহাজ চলাচল ও প্রতিবেশী দেশের মালামাল পরিবহনের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার নৌ বাণিজ্যি হাবে পরিনত হবে যা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে । এতে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে । চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানীকৃত রেফার কন্টেইনার সংরক্ষনে কোল্ড চেইন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের ব্যাপারে মার্কিন সরকারের আগ্রহকে স্বাগত জানান। তাছাড়া বন্দরে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের ইতিবাচক ভূমিকা থাকার কারনে বন্দরে নির্বিঘ্নে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে মর্মে মান্যবর রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান ও ভবিষ্যত কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বন্দরকে আরো দক্ষ, অধুনিক ও বিশ্বমানের বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বাংলাদেশে বন্দর কেন্দ্রিক বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাস্ট্র থেকে রপ্তানীকৃত পণ্য খালাস কাজে চট্টগ্রাম বন্দরের সহযোগিত কামনা করেন। সৌজন্য সাক্ষাতে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রতিনিধিদলেরে Micheal Pennell, Economic Unit Chief, Paul Frost, Commercial Counselor, Firoze Ahmed, Political Specialist, Asif Ahmed, Economic Specialist চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ ওমর ফারুক ও সচিব মোহাম্মদ আজিজুল মওলাসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

নতুন প্রজন্মের হাত ধরে কাঙ্খিত সাফল্যের বন্দরে নোঙর করতে পারবো : মো. মোয়াজ্জেম হোসেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা অনেকদূর এগিয়ে এসেছি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কাস্টমস ও ভ্যাট প্রশাসন) মো. মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি বলেছেন, মোবাইলে স্ক্রলিং করছিলাম। দেখলাম একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী অভিযোগ করছেন, তোমরা বিনিয়োগ বিনিয়োগ করো, বিনিয়োগের জন্য রোড শো করো।

সোমবার রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউতে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবসের সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা করেন। এ সময় তিনি বিদেশি বিনিয়োগকারীরা যখন অনুকূল পরিবেশ পাবেন তখন তাঁরা আমাদের অ্যাম্বাসাডর হবেন বলেও মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা অনেকদূর এগিয়ে এসেছি। আমরা এগোচ্ছি, এটাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে আমার মনে হয় যে গতিতে এগোনোর কথা সেটা পারছি না। তাই সিরিয়াস হতে হবে। আমি আশাবাদী, নতুন প্রজন্ম আমাদের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ। আমি আশা করি, তাদের হাত ধরে আমাদের কাঙ্খিত সাফল্যের যে বন্দর তাতে নোঙর করতে পারবো। জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারবো।

সহকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি পাবলিক ট্রাস্ট ও কনফিডেন্ট অর্জন করতে না পারে, আমরা যদি জনগণের আস্থা, বিশ্বাস এবং শ্রদ্ধা অর্জন করতে না পারি তাহলে আমাদের অস্তিত্ব প্রশ্নের সম্মুখীন হবে। তাই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় অধিকতর দায়িত্বশীল, দেশপ্রেমিক হতে হবে।

পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গ খাপ খাইয়ে উন্নয়নের যাত্রা ত্বরান্বিত করতে হবে। মাইন্ডসেট পরিবর্তন করতে হবে। যারা সেবা দিচ্ছি, যারা নিচ্ছেন সবাই দেশের নাগরিক। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যদি আমরা কাজ করি, হৃদয়ে ধারণ করি হৃদয়ঙ্গম করি তাহলে আমরা উন্নত দেশ হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

অতন্দ্র প্রহরা আর দৃঢ় অঙ্গীকারে দেশের সুরক্ষায় বাংলাদেশ কাস্টমস’ প্রতিপাদ্যে এবার কাস্টমস দিবস উদযাপিত হচ্ছে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. মো. নেয়ামুল ইসলাম। প্রদর্শিত হয় বাংলাদেশ কাস্টমসের কার্যক্রমের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কাস্টমস বন্ড কমিশনার মো. মাহফুজুল হক ভূঞা বলেন, ২২ বছর কাস্টমস ও ভ্যাটে চাকরি করছি। শিল্পোদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারীদের কাছে সময় গুরুত্বপূর্ণ। বন্দরে আমদানি পণ্য পড়ে থাকা মানে ডেমারেজ। ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ, আপনাদের স্টাফদের আইনি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবেন। তাহলে আর সময়ক্ষেপণ হবে না।

চট্টগ্রামের কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার শেখ আবু ফয়সাল মো. মুরাদ বলেন, আমি যে চেয়ারে বসেছি তার বিপরীতে যিনি বসেছেন তিনি আমার চেয়ারেও বসতে পারতেন। সেটি বিবেচনায় নিয়ে কাজ করলে সমস্যা থাকে না। মাইন্ডসেট চেঞ্জ করতে হবে।

কক্সবাজার কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার মো. ফজলুল হক বলেন, কাস্টমসের মূল কাজ ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন। এনবিআর অটোমেশনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এবার আয়কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিল হয়েছে। আমার অনুরোধ, সবাই সঠিক কাজটি করবো।

চট্টগ্রাম কর অঞ্চল-১ এর কমিশনার মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, কাস্টমস রাজস্ব আহরণের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ করে। বিশ্ব এখন গ্লোবাল ভিলেজ। তাই বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাস্টমসের সক্ষমতা বাড়াতে হবে, সমৃদ্ধ করতে হবে।
চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আবিদা সুলতানা বলেন, আশা করি নারী উদ্যোক্তাদের জন্য কাস্টমস সেবা আরও বিস্তৃত হবে। নারীদের জন্য প্রশিক্ষণ ও ওরিয়েন্টেশন আয়োজন করতে হবে। রপ্তানিতে নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ বাড়াতে চাই আমরা।

স্বাগত বক্তব্যে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ শফি উদ্দিন বলেন, কাস্টমস বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন আর্থসামাজিক প্রতিষ্ঠান। এটি বর্ডার ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান। মানি লন্ডারিং বন্ধে কাস্টমসের ভূমিকা দৃঢ় হচ্ছে। ই অকশন কার্যক্রম গতিশীল করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিল্পায়নে কাস্টমস নিরন্তর কাজ করছে। জাতীয় সুরক্ষায় কাজ করছে কাস্টমস।

সভাপতির বক্তব্যে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উদযাপন আঞ্চলিক কমিটির আহ্বায়ক ও কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট (আপিল) কমিশনার আবুল বাসার মো. শফিকুর রহমান বলেন, কাস্টমসকে জাতীয় ও সমাজের সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে হয়। অন্যান্য দেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হয় আমাদের ব্যবসায়ীদের। তাই সময়টা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সর্বোত্তম চেষ্টা করবো দেশের উন্নয়নের জন্য। এ দেশকে ভালোবাসতে হবে।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ