আজঃ শুক্রবার ১ মে, ২০২৬

চট্টগ্রামে সম্মেলনের মাধ্যমে নবযাত্রা শুরু হলো এম. এ. লতিফ এমপি’র স্মার্ট জেনারেশন সোসাইটির

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে সম্মেলনের মাধ্যমে নবযাত্রা শুরু হলো এম. এ. লতিফ এমপি’র স্মার্ট জেনারেশন সোসাইটির
ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার বিকল্প নেই-অর্থ প্রতিমন্ত্রী
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রতিযোগিতায় টিকতে হলে স্মার্ট জেনারেশন সৃষ্টির বিকল্প নেইঃ এম. এ. লতিফ এমপি

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে ভিশন ২০৪১ তথা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সমাজের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সকল সেবা পৌঁছে দিতে শিক্ষিত তরুণ, যুবক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে বন্দর-পতেঙ্গা আসনের সংসদ সদস্য এম. এ. লতিফ এমপি এর উদ্যোগে যাত্রা শুরু হয়েছে “স্মার্ট জেনারেশন সোসাইটি”। ৯ মার্চ বিকেলে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে নবগঠিত স্মার্ট জেনারেশন সোসাইটির সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের ¯^প্নদ্রষ্টা, প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসন থেকে চারবার নির্বাচিত ও জনপ্রিয় সংসদ সদস্য এম. এ. লতিফ। ইপিজেড থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাকের আহমদ খোকন’র সঞ্চালনায় উক্ত সম্মলনে প্রধান অতিথি অর্থ প্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি ও বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ এর শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুল হক মিয়া, কাউন্সিলরবৃন্দ গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, জওহর লাল হাজারী, পুলক খাস্তগীর, মহানগর যুবলীগের সহ-সভাপতি দেবাশীষ পাল দেবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ, ৩৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন কবি, ৪১ নং ওয়ার্ড এর নুরুল আলম, চট্টগ্রাম বন্দর সিবিএ’র সাধারণ সম্পাদক নায়েবুল ইসলাম ফটিক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সাবেক সহ-সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন মোর্শেদ, ¯^াধীনতা নারী শক্তি’র পরিচালকবৃন্দ, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

প্রধান অতিথি ওয়াসিকা আয়শা খান এমপি বলেন-স্মার্ট বাংলাদেশের ¯^প্নদ্রষ্টা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করায় আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ। দেশের ইতিহাসে নারী অর্থ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সততা ও আন্তরিকতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। একই সাথে দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল ও উন্নত বাংলাদেশে রূপান্তরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় কাজ করে যাব। তিনি আরো বলেন-মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেন বলেই মন্ত্রী সভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন চট্টগ্রামের কৃতি সন্তানদের। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়নে ¯^প্ন সারথী হিসেবে কাজ করে যাব আমরা। একজন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে আগামীর তারুণ্যে শক্তিকে আরো উজ্জীবিত করতে এম. এ. লতিফ এমপি যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তা দেশের সকল নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জন্য অনুস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

সিটি মেয়র মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন-বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বুকে উন্নয়নের রোল মডেল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামকে দেশি-বিদেশী বিনিয়োগের আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করতে টানেল, বঙ্গবন্ধু শিল্প নগর, এলিভেটেড এ·প্রেসওয়েসহ অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন। এর সুফল পেতে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার বিকল্প নেই। এজন্য স্মার্ট জেনারেশন তৈরি করতে হবে। যারা হবে প্রযুক্তিতে পারদর্শী মেধাবী গোষ্ঠি। যারাই আগামীর উন্নত বাংলাদেশের কারিগর। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট সিটিজেন গড়ার যে উদ্যোগ নিয়েছেন সংসদ সদস্য এম. এ. লতিফ তা অনুসরণযোগ্য। সকলে যদি এভাবে এগিয়ে আসে তাহলে ২০৪১ সালের আগেই স্মার্ট ও ¯^নির্ভর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।

সভাপতির বক্তব্যে এম. এ. লতিফ এম.পি. বলেন-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে বিশ্ব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় আমরা এখন নতুন নতুন প্রযুক্তির সাথে পরিচিত হচ্ছি। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে কল-কারখানায় ব্যবহার করা হচ্ছে রোবট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি। তাই প্রযুক্তির এই লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে আধুনিক, দ¶, প্রশি¶িত প্রজন্ম গড়ে তোলা প্রয়োজন। তিনি বলেন-বঙ্গবন্ধু কন্যার এবারের নির্বাচনে ইশতেহারে ছিল স্মার্ট বাংলাদেশ। তাই স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট সিটিজেনের কোন বিকল্প নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং বাংলাদেশকে উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যেতে হাতিয়ার হবে স্মার্ট জেনারেশন সোসাইটি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভারতের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জনের সাথে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতের চট্টগ্রামস্থ সহকারী হাইকমিশনের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন আজ বুধবার টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
সাক্ষাৎকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দীর্ঘ চার বছর বাংলাদেশে কর্মরত থাকা অবস্থায় চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য ডা. রাজীব রঞ্জনকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

এসময় মেয়র বলেন, “বৈচিত্র্যই ভারতের বড় শক্তি। ভারতের এক একটি রাজ্য থেকে আরেকটি রাজ্যের পরিবেশ, খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতির ভিন্নতা রয়েছে। এই বৈচিত্র্যপূর্ণ পরিবেশকে ঐক্যবদ্ধ করে চলতে পারার কারণেই ভারত বিশ্বের বুকে একটি সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। আমি ব্যক্তি জীবনে অনেকবার ভারতে গিয়েছি, এমনকি পড়াশোনার জন্যও গিয়েছি।তিনি আরও বলেন – বাংলাদেশের অনেক মানুষ ধর্মীয়, শিক্ষা ও চিকিৎসার প্রয়োজনে ভারতে যান। তাদের ভিসা প্রসেসিং সহজ হলে এবং ভিসা প্রদানের গতি বাড়লে উভয় দেশের মানুষই উপকৃত হবে।”

বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন বলেন, “চট্টগ্রাম উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি নগরী। কারণ চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশ এখনো অনেকটাই সংরক্ষিত আছে। বিশেষ করে ভাটিয়ারী, পতেঙ্গা ও ফয়’স লেক এলাকা অত্যন্ত নয়নাভিরাম। চট্টগ্রাম শহরের পাহাড় এবং নদীও অপূর্ব সুন্দর। পর্যটনের ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ যদি এই সুযোগগুলো যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারে, তবে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারবে।

তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে সার্বিক সহযোগিতার জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও মেয়র মহোদয়কে ধন্যবাদ জানান।সাক্ষাৎকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে মেয়র মহোদয় বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনারকে শুভেচ্ছা স্মারক উপহার দেন।

পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতায় জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে : মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারি বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরে বিভিন্ন এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তিনি মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ ও প্রবর্তক মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন তিনি।পরিদর্শনকালে মেয়র স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চলমান খাল সংস্কার কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের কাছ থেকে জেনে নেন। মেয়র শাহাদাত হোসেন জানান, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)-এর আওতাধীন খাল সংস্কার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।বিশেষ করে হিজরা খাল ও জামালখান খালের সংস্কার কাজ চলমান থাকায় কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে।

মেয়র বলেন, এসব উন্নয়ন কাজ চলমান থাকার কারণে সাময়িক দুর্ভোগ তৈরি হলেও এটি দীর্ঘমেয়াদে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আগামী ১৫ মে’র মধ্যে সিডিএ’র খাল সংস্কার কাজ সম্পূর্ণ শেষ হবে। কাজ শেষ হলে নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি ঘটবে এবং জলাবদ্ধতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।আশাবাদ ব্যক্ত করে মেয়র বলেন, চলমান বর্ষা মৌসুমেই নগরীর প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।পরিদর্শনকালে চসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ