আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

মানববন্ধন ও সমাবেশ চসিক কাউন্সিলর নূর মোস্তফা টিনুর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চকবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নূর মোস্তফা টিনুর মুক্তির দাবিতে চকবাজার ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের উদ্যোগে মানববন্ধন ও সমাবেশ
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরীর চকবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নূর মোস্তফা টিনুর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি ও সমাবেশ করেছে চকবাজার ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষ। মানববন্ধন সমাবেশে চকবাজার ওয়ার্ডের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় সংগঠন ও সর্বস্তরের মানুষ কাউন্সিলের মুক্তির দাবিতে ব্যানার নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে কাউন্সিলর টিনুর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, কাউন্সিলর মো. নূর মোস্তফা টিনু বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে ছাত্র অবস্থা থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতি করে আসছেন। চট্টগ্রামের একজন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি দিন-রাত চট্টগ্রামের শিক্ষার জোন হিসেবে পরিচিত ৪৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৪৮টি কোচিং সেন্টার সম্বলিত চকবাজারবাসীর জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। কাউন্সিলর টিনু চকবাজারে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছেন। টিনুর নেতৃত্বে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির কবল থেকে চকবাজার মুক্ত হয়েছে। তার যোগ্য নেতৃত্বের কারণে চকবাজার ওয়ার্ডে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন বেআইনি কর্মকান্ড অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। একটি কুচক্রি মহল সরকার ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভাবমূর্তি নষ্টের উদ্দেশ্যে চকবাজার এলাকায় বিদ্যমান শান্তি-শৃঙ্খলার পরিবেশ বিনষ্ট করে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর জন্য এই জঘন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। চলমান চকবাজার ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকান্ড বাধাগ্রস্ত করতে এবং সন্ত্রাস, পরিচ্ছন্নতা ও মাদকমুক্ত ওয়ার্ডে পরিণত করার সংগ্রামে কাউন্সিলর নুর মোস্তফা টিনুকে বিরত রাখতে ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে। অবিলম্বে উক্ত মামলা প্রত্যাহার পূর্বক টিনুর নিঃশর্ত দাবি জানাচ্ছি।
চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সদস্য ও ওয়ার্ড সচিব মোহাম্মদ তারেক সুলতানের সভাপতিত্বে এবং নিজাম উদ্দিন আহাদ ও মিঠুন চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও পূর্ব কাপাসগোলা মহল্লা কমিটির সাধারণ সম্পাদক নুরুল হুদা বাচা, চকবাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল মাসুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক মিন্টু, চকবাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক মুজিবুর, আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, বাদুরতলা মহল্লা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আবু নাসের রণি, মতি টাওয়ার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেক, সিটি কর্পোরেশন খেলোয়াড় একাদশের সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর, আসাদুর রহমান, মোহাম্মদ আনোয়ার, মো. ইমরুল হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আওয়ামী লীগ নেতা মো. নুরুন্নবী, যুব সংগঠক বিপ্লব দে, মহানগর তাঁতী লীগের সদস্য সজল দত্ত, মহানগর ছাত্রলীগের উপ-পরিকল্পনা ও কর্মসূচি বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রুবেল, উপ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অভিক, চকবাজার ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ইভান, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিক সবুজ, মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, আমির উদ্দিন, জসিম উদ্দিন সুমন, শামীম হোসেন, নাসির উদ্দীন রিপন, মোহাম্মদ সুমন, মোহাম্মদ আসাদ, বোরহান উদ্দিন, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ নাসের, গিয়াস উদ্দিন সাজিদ, মোহাম্মদ মিজানুর, সৌরভ উদ্দিন বাপ্পা, ছোটন মিত্র, মোহাম্মদ ইমাম হোসেন, আলাউদ্দিন আরিফ, শফিউল আজম, মো. জুলকাস, ইমন রশিদ সায়েদ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে যুবককে পেটানোর পর বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হত্যা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের কোতোয়ালী থানা এলাকায় চুরির অভিযোগে যুবককে পেটানোর পর বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করতে গেলে পুলিশের গাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ জনতা। রোববার দুপুরে নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠ সংলগ্ন রেলওয়ে পাবলিক হাই স্কুলের গেটের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাকে বৈদ্যুতিক শক দেওয়া হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।ঘটনার খবর পেয়ে কোতোয়ালী থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধারে গেলে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের গাড়ি অবরোধ করে রাখে। এ সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।কোতোয়ালী থানার ডিউটি অফিসার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন :যোগ জীবনের প্রতিটি দিককে সমৃদ্ধ করে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন করা হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় নেভি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রামের যোগব্যায়াম উৎসাহীদের সাথে এ দিবস উদযাপন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ( চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠানে ৮০০ অধিক জনসমাগম হয়।যেখানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের সুধীজনরা অংশগ্রহণ করেন। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন যোগ অনুশীলন পরিচালনা করেন।

সহকারী হাইকমিশনার শ্রী হারীশ কুমার তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, যোগ একটি প্রাচীন অনুশীলন, যার অর্থ হলো ‘যুক্ত হওয়া’ বা ‘একত্রিত হওয়া’। এটি দেহ, মন এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং মানুষের সামগ্রিক সুস্থতা অর্জনে সহায়তা করে।
প্রায় ৫ হাজার বছর আগে ভারতীয় উপমহাদেশে এর উৎপত্তি হলেও যোগ কেবল শারীরিক ব্যায়াম বা বিভিন্ন ভঙ্গির অনুশীলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনধারা, যা শারীরিক প্রাণশক্তি, মানসিক স্বচ্ছতা এবং আধ্যাত্মিক প্রশান্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতি বছর ২১ জুন বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপিত হয়। ভারতের উদ্যোগে ইউনাইটেড নেশনস ২০১৪ সালে এই দিবসকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ’, যা বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সুস্বাস্থ্য, নমনীয়তা, মানসিক স্থিতি এবং জীবনীশক্তি বজায় রাখতে যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে। নিয়মিত যোগাভ্যাস মানসিক চাপ কমায়, শরীরকে সক্রিয় রাখে এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করে। তাই একটি সুস্থ, সুখী ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন গঠনে যোগকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, যোগ আমাদের সকলকে সংযুক্ত করে ও একত্রিত করে। যখন যোগ জীবনযাত্রার অংশ হয়ে ওঠে, তখন তা মানব ঐক্যের ভিত্তি স্থাপন করে। যোগ আমাদের ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপনের শিল্প শেখায় এবং মানসিক সুস্থতা থেকে শারীরিক সুস্থতার পথ দেখায়। এটি আমাদের শরীরকে নমনীয় হতে সাহায্য করে এবং আমাদের শক্তির মাত্রা উচ্চ রাখে। শারীরিক সুস্থতা থেকে শুরু করে মনের শান্তি পর্যন্ত, যোগ জীবনের প্রতিটি দিককে সমৃদ্ধ করে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ