আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে পরিচ্ছন্ন কর্মী কর্তৃক রোগীকে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর ঘটনায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. জালাল আহম্মদ প্রকাশ রাকিব’কে দীর্ঘ ৮ বছর পর নৌকাযোগে পলায়নের সময় গতকাল কর্ণফুলী নদী থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব সদস্যরা।
র‌্যাব জানায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে উক্ত ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি চট্টগ্রামের আনোয়ারা এলাকা থেকে নৌকা যোগে নদীপথে কুতুবদিয়ায় পালানোর উদ্দেশ্যে আনোয়ারা থানাধীন রায়পুর এলাকায় অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে র‌্যাব অভিযান চালায়। র‌্যাবের একটি অভিযানিক দল বর্ণিত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আসামিকে গ্রেফতার করে।
এর আগে ২০১৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর জনৈক অসুস্থ নারী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিভাগে ডাক্তার দেখাতে আসেন। উক্ত বিভাগে কর্মরত পরিচ্ছন্ন কর্মী মো. জামাল আহম্মদ ভুক্তভোগী নারী রোগীকে দেখে বিশেষ কৌশলে ডাক্তারের সিরিয়াল দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালের বর্হিবিভাগের একটি পরিত্যক্ত রুমে অপেক্ষা করতে বলে। পরবর্তীতে সুযোগ নিয়ে পরিচ্ছন্ন কর্মী রাকিব ভুক্তভোগী নারী রোগীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে ধর্ষক রাবিককে হাতেনাতে আটক করে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেন।
ঘটনার প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী ভিকটিম চট্টগ্রাম মহানগরীর পাঁচলাইশ মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা (নং-২৭(৯)১৫) দায়ের করেন। মামলার পর গ্রেফতারকৃত আসামি রাবিক বিচার প্রক্রিয়া চলাকালে কিছুদিন জেল খেটে জামিনে মুক্তি পেয়ে ছদ্দবেশে আত্মগোপনে চলে যায়। মামলায় বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের রায় প্রদান করেন এবং আসামি অনুপস্থিত থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈদ উপলক্ষে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ৮ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দরে টানা আট দিনের জন্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৬ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত বন্দরের আমদানি-রপ্তানি এবং সিএন্ডএফ কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তবে আগামী ৩ জুন থেকে পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে সব কার্যক্রম চালু হবে।

সোনামসজিদ আমদানি ও রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আরিফ উদ্দিন ইতি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ও ভারতের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই ঈদের ছুটিকালীন সময় এ কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে।তবে এ সময়েও সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। ঈদের দিনসহ প্রতিদিনই ইমিগ্রেশন কার্যক্রম চালু থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান জানান, ঈদের ছুটিতে মূল আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও লোড-আনলোড, গুদামজাতকরণ এবং পরিবহনসহ কিছু অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু থাকবে।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
আজ ২৭ এপ্রিল সোমবার দুপুরে সঞ্চিতা ইলেকট্রনিক্স এর স্বত্বাধিকারী সংগীত কুমার পালের সভাপতিত্বে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর হেড অব সেলস মাকসুদুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গুড়া বণিক সমিতির সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুজ্জামান তরুন, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আজাদ খান প্রমূখ।
যমুনা ইলেকট্রনিকস এর প্রতিটি পন্য কোয়ালিটিতে ওয়ান নম্বার এবং বিশ্ব মানের বলে দিন দিন মার্কেটে ভোক্তাদের কাছে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পন্য সামগ্রিই ব্যাপক চাহিদা বাড়ছে।

এছাড়াও দেশব্যাপি যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পার্টনারসবৃন্দ যমুনার পন্য বিক্রি করে অনেক বেশি মুনাফা হচ্ছে বলে তারা অনেক খুশি। শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ভাঙ্গুড়া বাজারের বিভিন্ন প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শো-রুম এর অফিসে এসে শেষ হয়। অনুষ্ঠানে এলাকার বিভিন্ন রকমের সাধারণ জনগণ,সাধারণ ব্যবসায়ী,রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও পাবনা জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ