আজঃ রবিবার ৩ মে, ২০২৬

এমজেএফ বিশেষ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ঈদ উপহার প্রদান

দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এমজেএফ বিশেষ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ঈদ উপহার প্রদান করা হয়েছে। নলতাস্থ এমজেএফ বিশেষ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে এমজেএফ’র নির্বাহী পরিচালক আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন নলতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য আনিছুজ্জামান খোকন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা অফিসের সুপারভাইজার হেমায়েতউদ্দীন, সমাজসেবক ও তরুন নেতা খাদেমুল ইসলাম তুুফান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিলউদ্দীন, বাশারাত হোসেন, সাবেক সেনা ওয়ারেন্ট অফিসার রেজাউল ইসলাম। অনুষ্ঠানে এমজেএফ বিশেষ প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষক শাহ আলম শাহীন এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও দেবহাটা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এমজেএফ বিশেষ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুুল্লাহ, সাদ্দাম হোসেন, রহিমা খাতুন, উম্মে শাখওয়া শারমিন রানী, আবুল হোসাইন, শাহিনুর রহমান, আবু রায়হান সহ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দরা। অনুষ্ঠানে প্রায় সহস্রাধীক শিক্ষার্থীর মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।

দেবহাটায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংগঠন দরদি’র কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও ইফতার

দেবহাটা প্রতিনিধি: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংগঠন দরদি এর উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৮ এপ্রিল) পারুলিয়া বাসস্টান্ডস্থ এস,ই ম্যানশনের ৩য় তলায় এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ও দরদি সংগঠনের কার্যনির্বাহি উপদেষ্টা মোঃ সফিকুল আহম্মদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সেতু মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ও কার্যনির্বাহী উপদেষ্টা মো.আবুল হাসান, ঢাকা মেট্রোপলিটনের আনসার প্রধান শাহাদাত হোসেন বিরু, দেবহাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি। দরদি’র সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আহসান ও ঢাকা জেলা জর্জ কোর্টের অ্যাডভোকেট এবং সংগঠনের সহ-সভাপতি সুমাইয়া জেবিন মিশু’র সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, সরকারি কেবিএ কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর অলোক কুমার ব্যানার্জি, সংগঠনের স্থানীয় সরকার বিষয়ক উপদেষ্টা ও সখিপর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, উচ্চ মাধ্যমিক-বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত উপদেষ্টা হাজী কেয়ামউদ্দীন মেমোরিয়ার মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম, সরকারি কেবিএ কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মনিরুজ্জামান মহসিন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এর সাবেক সদস্য পরিচালক ডাঃ এসএম খলিলুর রহমান, দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আবু তালেব মোল্ল্যা, জনসংযোগ ও গণমাধ্যম বিষয়ক উপদেষ্টা জিএম সিরাজুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক উপদেষ্টা ও দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, ছাত্রী বিষয়ক উপদেষ্টা শারমিন সুলতানা (মৌলি), স্থানীয় প্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ও ৪৩ ক্যাডার (এএসপি) সুপারিশকৃত তানভীর আহমেদ, জননিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা ও ৪১ বিসিএস (এএসপি) সুপারিশকৃত মাসুম বিল্লাহ, দরদি’র প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল্লাহ আল মামুন, দরদি’র সভাপতি নাসিম হাসান প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা হুজ্জাতুল ইসলাম জনাব ইউনুস আলী গাজী। অনুষ্ঠানে দেবহাটা উপজেলা থেকে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেলে চান্সপ্রাপ্ত ৬২ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও শুভেচ্ছা সনদ প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নেত্রকোণায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোণায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রেসক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার উদ্যোগে দিনটি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রবিবার (৩ মে) জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন মূল সড়কে র‌্যালি ও বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার মোক্তারপাড়াস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার আহবায়ক মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আলোচক প্রফেসর ননী গোপাল সরকার।

এ সময় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সিনিয়র সাংবাদিক অরবিন্দ ধর, সিনিয়র সাংবাদিক অধ্যাপক বিজয় দাস, সাংবাদিক সুস্হির সরকার,সাংবাদিক সারোয়ার, সাংবাদিক মোনায়েম খান, সাংবাদিক মানিক মিয়া, প্রভাষক সিরাজুল ইসলাম খান সোহেল,মেহেদী হাসান,সম্পাদক ও প্রকাশক ডেইলি নেত্রনিউজ,সাংবাদিক ওবায়দুল ইসলাম সাগর,সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম,সাংবাদিক হাবীবুর রহমান,মাহবুব আলম, রফিক প্রমুখ।

চট্টগ্রামে রেলের সাতটি পাহাড়ে ৫ হাজার ৩৩২টি অবৈধ স্থাপনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে প্রাণহানি এড়াতে রেলওয়ের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে মাইকিং। প্রতিবছর ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তাই রেলওয়ের পাহাড়গুলোতে অবৈধভাবে ঝুঁকি নিয়ে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য এ থেকে মাইকিং করা হয়। রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত রেলওয়ের পাহাড়গুলো সংরক্ষণের দায়িত্বে থাকা রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রকৌশল বিভাগ অবৈধ বসবাসকারীদের সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করেন।প্রতিবছর বর্ষা শুরুর আগে রেলওয়ে এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদেরকে নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।তারপরও তারা আবার এই অবৈধ স্থাপনায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসের জন্য চলে আসে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ জিসান দত্ত বলেন, রেলওয়ের পাহাড়গুলোতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যারা বসবাস করছেন তাদেরকে নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। পাহাড়তলী, ফয়’স লেক, আকবরশাহ, সিআরবিসহ রেলওয়ের অনেক পাহাড়ের ঢালুতে ঝুঁকি নিয়ে অনেকে বসবাস করছেন। ভারী বর্ষণ শুরু হওয়ার আগে তাদেরকে সরে যাওয়ার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে সতর্ক করে মাইকিং করেছি। বেলা ১১টা থেকে আমাদের লোকজন প্রতিটি পাহাড়ে মাইকিং করেছে।জানা গেছে, চট্টগ্রামে রেলওয়ের মালিকানাধীন সাতটি পাহাড়ে পাঁচ হাজার ৩৩২টি অবৈধ স্থাপনা হয়েছে।এসব অবৈধ স্থাপনায় ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে প্রায় অর্ধ লক্ষ মানুষ। তিন দশকের বেশি সময় ধরে এসব পাহাড়ে বসবাস করে আসছেন অনেক মানুষ।

দিন দিন এই অবৈধ বসতির সংখ্যা বাড়ছে। রেলওয়ের মালিকানাধীন সাতটি পাহাড়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অবৈধ পরিবারের বসবাস নগরীর ফয়’স লেক এলাকার ১, ২ ও ৩ নং ঝিল পাহাড়ে। এখানে চার হাজার ৪৭৬টি পরিবার থাকে। ভারী বৃষ্টিপাতের সাথে চট্টগ্রামে ভূমিধসের সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরপর রেলওয়ের পক্ষ থেকে তাদের পাহাড়গুলোতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অবৈধ বসবাসকারীদের সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং শুরু করে।

রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তি বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে মালিকানাধীন সাতটি পাহাড়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অবৈধ পরিবারের বসবাস নগরীর ফয়’স লেক এলাকার ১, ২ ও ৩ নম্বর ঝিল পাহাড়ে। এখানে চার হাজার ৪৭৬টি পরিবার থাকে। এছাড়া মতি ঝরনা ও বাটালি হিল এলাকায় বসবাস ৪৩১টি পরিবারের।

লেক সিটি আবাসিক এলাকা সংলগ্ন বিজয় নগর পাহাড়ে বসবাস ২৮৮টি পরিবারের। রেলওয়ের মালিকানাধীন ষোলশহর স্টেশন সংলগ্ন পাহাড়ের পাদদেশে ৭৪টি, নগরীর জাকির হোসেন সড়কে পরিবেশ অধিদপ্তর সংলগ্ন পাহাড়ে ৪৬টি পরিবার বসবাস করছে।এছাড়া জেলার উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন পাহাড়ে অবৈধ বসতি বেড়েই চলছে। জেলার সাতকানিয়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, পটিয়া, বোয়ালখালী, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও সীতাকুণ্ড এলাকায় বিভিন্ন পাহাড়ে অসংখ্য অবৈধ বসতি গড়ে উঠেছে।

জানা গেছে, ২০০৭ সালে চট্টগ্রামে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ১২৭ জনের মৃত্যুর পর ৩৬ দফা সুপারিশ দিয়েছিল তদন্ত কমিটি। এর ১০ বছর পর ২০১৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ১৬৮ জনের মৃত্যুর পর ৩৫ দফা সুপারিশের মধ্যেও একই ধরনের সুপারিশ ছিল। কিন্তু বৃষ্টি হলে কিছু লোকজনকে সাময়িক সরিয়ে নেওয়া ছাড়া কার্যত কোনো সুপারিশই বাস্তবায়ন করতে পারেনি প্রশাসন। সর্বশেষ ২০২২ সালের ১ নম্বর ঝিলে পাহাড়ধসে মারা গিয়েছিলেন একই পরিবারের দুজন।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ