আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে চেম্বার অফ কমার্স নির্বাচনের একটি প্যানেলের সংবাদ সম্মেলন

মো আসাদুজ্জামান ঠাকুরগাঁওসংবাদদাতা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ে চেম্বার অফ কমার্সের নির্বাচনে ভোটারদের একটি অংশকে বেআইনি ও অবৈধ ভোটার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী একটি প্যানেল। ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেন আলমগীর-মুরাদ ও সুদাম প্যানেলের প্রার্থীরা।

ওই প্যানেলের প্রার্থীদের দাবি,চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যাদের নাম রয়েছে, সে তালিকার শত শত ভোটারের কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কিংবা শিল্পকারখানা নেই। একই এলাকায় একই নামে একাধিক ব্যবসায়ী রয়েছেন। চূড়ান্ত তালিকায় ভোটারদের কোনো ছবি না থাকায় ভোটার খুঁজে পেতে বিভিন্ন ক্ষতি ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে প্রার্থীদের। তাই চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনের তফসিল পুনর্র্নিধারণের জন্য নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের কাছে আবেদন করেছেন প্যানেলটি।

প্যানেলের প্রার্থী আলমগীর বলেন, আমরা ভোটের মাঠে রয়েছি, কিন্তু মাঠ পর্যায়ে আমরা যখন ভোটারদের কাছে যাচ্ছি, তখন আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি। আমরা ভোট চাইতে গিয়ে লক্ষ করেছি, যার কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নেই, সে চেম্বারের ভোটার হয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ পরিচ্ছন্নতা কর্মী, জুটমিলে কাজ করেন এমন ব্যক্তি। কেউ সেলুনে কাজ করেন, আবার কেউ পরিবহন শ্রমিক।

প্যানেলের আরেক প্রার্থী মুরাদ বলেন,সব দিক বিবেচনা করে আমরা নির্বাচনি তারিখ ও তফসিল পুনর্র্নিধারণের আবেদন করছি। আমরা আবারও বলছি আমরা ভোট বর্জন করছি না।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনে আলমগীর-মুরাদ ও সুদাম প্যানেলের প্রার্থী, ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী, সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান মিঠু সহ জেলার সংবাদকর্মীরা।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও চেম্বার অফ কমার্স নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেলায়েত হোসেন বলেন, নির্বাচনের তারিখ ও তফসিল পুনর্র্নিধারণের জন্য আবেদন পেয়েছি। উনারা যে অভিযোগ করছে তা একেবারেই নির্বাচনের শেষ সময়ে। আগে এ অভিযোগ করলে অবশ্যই আমরা সেটা বিবেচনায় নিতাম। বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ