আজঃ সোমবার ১৫ জুন, ২০২৬

শিক্ষার্থীদের কর্মোপযোগী করে গড়ে তুলতে পারলেই দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

চবি ইনোভেশন হাব পরিদর্শনে আসা বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চবি ইনোভেশন হাব পরিদর্শনে আসা বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দল
শিক্ষার্থীদের কর্মোপযোগী করে গড়ে তুলতে পারলেই
দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে

ছবি-১০- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের এর সাথে বিশ^ ব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: বিশ^ ব্যাংকের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইনোভেশন হাব পরিদর্শন করেন। এদিন বেলা ১১টায় প্রতিনিধি দলের সদস্যবৃন্দ চবি উপাচার্যের অফিস কক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এ সময় চবি উপ-উপাচার্যদ্বয়, চবি আইসিটি সেলের পরিচালক ও চবি ইনোভেশন হাবের ফোকাল পার্সন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম, চবি মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ আবুল কাসেম ও চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে. এম নুর আহমদ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন- বিশ^ ব্যাংকের অর্থনীতিবিদ রামি গালাল, কনসালটেন্ট জামিল ওয়াইন, আর্থিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ সোফি ডং, বিশ^ব্যাংকের পরামর্শক মাইকেল ডোভ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক অথরিটি’র ডিইআইইডি এর উপ প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ মনসুর আলম, ডিইআইইডি এর পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. মোঃ বিল্লাল হোসাইন, ইনোভেশন এন্ড কমিউনিকেশন বিশেষজ্ঞ এ. এন. এম. সফিকুল ইসলাম, এনডিই ইনফ্রাটেকের ইউআইএইচ প্রোগ্রামের কৌশলগত পরামর্শক ড. অনন্য রায়হান ও প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর তৌহিদুল ইসলাম।
উপাচার্য প্রতিনিধি দলের সদস্যদের চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের অনিন্দ্য সুন্দর সবুজ ক্যাম্পাসে স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন,“বর্তমান সরকার দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উদ্যোক্তা ও স্টার্ট আপদের উন্নয়নের লক্ষ্যে ইনোভেশন হাব প্রতিষ্ঠা করছে। এর সাথে যুক্ত থাকবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ (আইডিয়া) প্রকল্প। ইনোভেশন হাব প্রতিষ্ঠার ফলে তরুন গবেষক ও উদ্যোক্তারা প্রযুক্তিগত ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন করতে পারবে যা তাঁেদর উদ্ভাবন ও স্টার্টআপকে সফলভাবে এগিয়ে নিতে সক্ষম হবেন।” উপাচার্য বলেন, “বাংলাদেশ বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘মুজিব ১০০ আইডিয়া’ প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়, যাতে দেশের শীর্ষ ১০০ উদ্যোগকে ইনোভেশন হাবের মাধ্যমে মেন্টরিং ও গ্রুমিং প্রদান করা হয়। এ আয়োজনের ফলে স্টার্ট আপরা তাঁদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিজেদের দক্ষ, যোগ্য ও স্মার্ট মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে উঠতে সক্ষম হবেন। দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে একটি উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেম বিকাশ ও শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবন এবং কর্মোপযোগী করে গড়ে তুলতে পারলেই দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।” দেশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত ইনোভেশন হাব আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনে দৃশ্যমান অবদান রাখবে মর্মে মাননীয় উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে ইনোভেশন হাব প্রতিষ্ঠায় সার্বিক সহযোগীতার জন্য বিশ^ব্যাংক, আইসিটি মন্ত্রণালয়, হাই-টেক পার্কসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
প্রতিনিধিদলের সদস্যবৃন্দ বিশ^বিদ্যালয়ের সবুজ ক্যাম্পাস, মনোরম পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হন। তাঁরা চবি নবনির্মিত ইনোভেশন হাব ঘুরে দেখে অত্যন্ত সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ইনোভেশন হাবে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রতিযোগীতামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে ইনোভেশন হাবের কার্যক্রমের গতিশীলতা আনয়নে এবং এ বিশ^বিদ্যালয়ের একাডেমিক উন্নয়ন কার্যক্রমে তাঁদের সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে মর্মে আশ^াস প্রদান করেন। পরে প্রতিনিধিদলের সদস্যবৃন্দ ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় ইনোভেশন হাব এর ভুমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
চবি ইনোভেশন হাব পরিদর্শনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈদ উপলক্ষে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ৮ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দরে টানা আট দিনের জন্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৬ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত বন্দরের আমদানি-রপ্তানি এবং সিএন্ডএফ কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তবে আগামী ৩ জুন থেকে পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে সব কার্যক্রম চালু হবে।

সোনামসজিদ আমদানি ও রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আরিফ উদ্দিন ইতি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ও ভারতের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই ঈদের ছুটিকালীন সময় এ কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে।তবে এ সময়েও সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। ঈদের দিনসহ প্রতিদিনই ইমিগ্রেশন কার্যক্রম চালু থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান জানান, ঈদের ছুটিতে মূল আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও লোড-আনলোড, গুদামজাতকরণ এবং পরিবহনসহ কিছু অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু থাকবে।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
আজ ২৭ এপ্রিল সোমবার দুপুরে সঞ্চিতা ইলেকট্রনিক্স এর স্বত্বাধিকারী সংগীত কুমার পালের সভাপতিত্বে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর হেড অব সেলস মাকসুদুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গুড়া বণিক সমিতির সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুজ্জামান তরুন, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আজাদ খান প্রমূখ।
যমুনা ইলেকট্রনিকস এর প্রতিটি পন্য কোয়ালিটিতে ওয়ান নম্বার এবং বিশ্ব মানের বলে দিন দিন মার্কেটে ভোক্তাদের কাছে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পন্য সামগ্রিই ব্যাপক চাহিদা বাড়ছে।

এছাড়াও দেশব্যাপি যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পার্টনারসবৃন্দ যমুনার পন্য বিক্রি করে অনেক বেশি মুনাফা হচ্ছে বলে তারা অনেক খুশি। শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ভাঙ্গুড়া বাজারের বিভিন্ন প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শো-রুম এর অফিসে এসে শেষ হয়। অনুষ্ঠানে এলাকার বিভিন্ন রকমের সাধারণ জনগণ,সাধারণ ব্যবসায়ী,রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও পাবনা জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ