আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

শিক্ষার্থীদের কর্মোপযোগী করে গড়ে তুলতে পারলেই দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

চবি ইনোভেশন হাব পরিদর্শনে আসা বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চবি ইনোভেশন হাব পরিদর্শনে আসা বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দল
শিক্ষার্থীদের কর্মোপযোগী করে গড়ে তুলতে পারলেই
দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে

ছবি-১০- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের এর সাথে বিশ^ ব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: বিশ^ ব্যাংকের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইনোভেশন হাব পরিদর্শন করেন। এদিন বেলা ১১টায় প্রতিনিধি দলের সদস্যবৃন্দ চবি উপাচার্যের অফিস কক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এ সময় চবি উপ-উপাচার্যদ্বয়, চবি আইসিটি সেলের পরিচালক ও চবি ইনোভেশন হাবের ফোকাল পার্সন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম, চবি মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ আবুল কাসেম ও চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে. এম নুর আহমদ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হলেন- বিশ^ ব্যাংকের অর্থনীতিবিদ রামি গালাল, কনসালটেন্ট জামিল ওয়াইন, আর্থিক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ সোফি ডং, বিশ^ব্যাংকের পরামর্শক মাইকেল ডোভ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক অথরিটি’র ডিইআইইডি এর উপ প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ মনসুর আলম, ডিইআইইডি এর পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. মোঃ বিল্লাল হোসাইন, ইনোভেশন এন্ড কমিউনিকেশন বিশেষজ্ঞ এ. এন. এম. সফিকুল ইসলাম, এনডিই ইনফ্রাটেকের ইউআইএইচ প্রোগ্রামের কৌশলগত পরামর্শক ড. অনন্য রায়হান ও প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর তৌহিদুল ইসলাম।
উপাচার্য প্রতিনিধি দলের সদস্যদের চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের অনিন্দ্য সুন্দর সবুজ ক্যাম্পাসে স্বাগত ও শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন,“বর্তমান সরকার দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উদ্যোক্তা ও স্টার্ট আপদের উন্নয়নের লক্ষ্যে ইনোভেশন হাব প্রতিষ্ঠা করছে। এর সাথে যুক্ত থাকবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ (আইডিয়া) প্রকল্প। ইনোভেশন হাব প্রতিষ্ঠার ফলে তরুন গবেষক ও উদ্যোক্তারা প্রযুক্তিগত ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন করতে পারবে যা তাঁেদর উদ্ভাবন ও স্টার্টআপকে সফলভাবে এগিয়ে নিতে সক্ষম হবেন।” উপাচার্য বলেন, “বাংলাদেশ বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) উদ্যোগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘মুজিব ১০০ আইডিয়া’ প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়, যাতে দেশের শীর্ষ ১০০ উদ্যোগকে ইনোভেশন হাবের মাধ্যমে মেন্টরিং ও গ্রুমিং প্রদান করা হয়। এ আয়োজনের ফলে স্টার্ট আপরা তাঁদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নিজেদের দক্ষ, যোগ্য ও স্মার্ট মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে উঠতে সক্ষম হবেন। দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে একটি উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেম বিকাশ ও শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবন এবং কর্মোপযোগী করে গড়ে তুলতে পারলেই দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।” দেশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত ইনোভেশন হাব আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনে দৃশ্যমান অবদান রাখবে মর্মে মাননীয় উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে ইনোভেশন হাব প্রতিষ্ঠায় সার্বিক সহযোগীতার জন্য বিশ^ব্যাংক, আইসিটি মন্ত্রণালয়, হাই-টেক পার্কসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
প্রতিনিধিদলের সদস্যবৃন্দ বিশ^বিদ্যালয়ের সবুজ ক্যাম্পাস, মনোরম পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হন। তাঁরা চবি নবনির্মিত ইনোভেশন হাব ঘুরে দেখে অত্যন্ত সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ইনোভেশন হাবে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রতিযোগীতামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে ইনোভেশন হাবের কার্যক্রমের গতিশীলতা আনয়নে এবং এ বিশ^বিদ্যালয়ের একাডেমিক উন্নয়ন কার্যক্রমে তাঁদের সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে মর্মে আশ^াস প্রদান করেন। পরে প্রতিনিধিদলের সদস্যবৃন্দ ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় ইনোভেশন হাব এর ভুমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।
চবি ইনোভেশন হাব পরিদর্শনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফের অনিশ্চয়তায় সিসিসিআই নির্বাচন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শীর্ষ ব্যবসায়িক সংগঠন চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) নির্বাচন অনিশ্চয়তায় পড়েছে। দুপক্ষের আইনি বিরোধের কারণে উচ্চ আদালতের নির্দেশে নির্ধারিত ৪ এপ্রিলের নির্বাচনও স্থগিত হয়ে গেছে। তবে আদালত আগামী ২৬ এপ্রিলের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ট্রাইব্যুনালকে বিরোধ নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন।
তথ্যটি নিশ্চিত করে রিটকারী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বেলালের পক্ষে আইনজীবী আশফাকুর রহমান বলেন, আদালত আগামী ২৬ এপ্রিলের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ট্রাইব্যুনালকে বিরোধ নিষ্পত্তি করে সিদ্ধান্ত দিতে বলেছেন। পাশাপাশি হাইকোর্টের সর্বশেষ আদেশ আমলে না নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন।

চেম্বার সূত্রে জানা যায়, ৩ মার্চ প্রায় পাঁচ মাস স্থগিত থাকার পর চট্টগ্রাম চেম্বারের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের নতুন তফশিল ঘোষণা করা হয়েছিল। তফশিল অনুযায়ী আগামী ৪ এপ্রিল নগরের আগ্রাবাদ এলাকার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ভোট গ্রহণের কথা ছিল। ২৬ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আইনি মতামতের ভিত্তিতে সাধারণ ও সহযোগী গ্রুপের ১৮ জন পরিচালক নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তবে আদালতের নতুন আদেশে সেই নির্বাচনও স্থগিত হয়ে গেল।

এর আগে, গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের আটটি সংগঠনকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্দেশ দেয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ বেলাল হাইকোর্টে রিট করেন এবং এফবিসিসিআইতেও অভিযোগ করেন।
রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২২ অক্টোবর হাইকোর্ট দুই শ্রেণিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন পরিচালনার নির্দেশনা দিয়ে রুল জারি করেন এবং মন্ত্রণালয়ের ৪ সেপ্টেম্বরের চিঠির ওপর স্থগিতাদেশ দেন। পরে আপিলের পর ৩০ অক্টোবর আদালত দুই সপ্তাহের জন্য নির্বাচন স্থগিত করেন।

পরবর্তীতে গত ১১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট ছয়টি টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের ছয় প্রতিনিধিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেন। এ আদেশের বিরুদ্ধেও আপিল করেন রিটকারী মোহাম্মদ বেলাল। সেই আপিলের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত এফবিসিসিআইয়ের ট্রাইব্যুনালে বিরোধ নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং মৌখিকভাবে বলেন, ৪ এপ্রিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ নেই।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনে সাধারণ শ্রেণি থেকে ১২ জন, সহযোগী শ্রেণি থেকে ৬ জন এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণি থেকে ৩ জন করে মোট ৬ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। এভাবে ২৪ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ গঠিত হয়। পরে নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে একজন সভাপতি ও দুজন সহসভাপতি নির্বাচিত হন।এবার টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণি থেকে ছয়জন পরিচালক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে ছিলেন। তবে দুপক্ষের আইনি বিরোধের কারণে নির্ধারিত সময়েও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি এবং নতুন তফশিল ঘোষণার পরও তা আবার স্থগিত হয়ে গেছে।

চট্টগ্রাম নগরে ৫ হাজার ৫৭৫ জন নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেয়া হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে দলীয়করণের সুযোগ রাখা হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র এক মাসের মধ্যে এই নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়ন করে প্রমাণ করেছে যে, নেতৃত্ব ঠিক থাকলে সব সম্ভব। ফ্যামিলি কার্ড একটি স্মার্ট কার্ড। ভবিষ্যতে জাতীয় সব সুযোগ-সুবিধা এই কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া হবে।

এছাড়া কৃষকদের কল্যাণে ১২ হাজার কোটি টাকার ঋণ মওকুফ এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি কার্ডের মতো আরও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।মঙ্গলবার চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এয়ারপোর্ট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রথম পর্যায়ে চট্টগ্রাম নগরের ৫ হাজার ৫৭৫ জন নারীর হাতে এই কার্ড তুলে দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

আমির খসরু বলেন, আমাদের সীমিত সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আমরা এই ঝুঁকি নিয়েছি। এই কার্ড বিতরণে কোনো দলীয়করণের সুযোগ রাখা হয়নি। সরকারি কর্মকর্তারা নির্দ্বিধায় ও স্বাধীনভাবে কাজ করে হতদরিদ্রদের খুঁজে বের করেছেন।

তিনি বলেন, পরিবারের নারী প্রধানকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী না করলে আগামীর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়। বাংলাদেশের মহিলারা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিবারের সব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের এই সেবার যথাযথ মূল্যায়ন আগে কখনো হয়নি। তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান ঘোষিত এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলোকে মূল্যায়নের জন্য গৃহকর্তীদের বেছে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের অ্যাকাউন্টে সরাসরি ২ হাজার ৫০০ টাকা পৌঁছে যাচ্ছে, যা তাদের হাতে একটি অর্থনৈতিক শক্তি তৈরি করবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ