আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

নেত্রকোনার স্বপ্নবাজ দুরন্ত চেয়ারম্যান- কাজী সাখাওয়াত

রিপন কান্তি গুন নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

নেত্রকোনা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জীবনের প্রতিটি চিন্তা, প্রতিটি স্বপ্ন প্রভাবিত করে জীবনকে। সেই সফল হওয়ার স্বপ্নকে হৃদয়ে আগলে রেখে স্বপ্নের ফেরিওয়ালা কাজী সাখাওয়াত হোসেন ধাপে ধাপে তার হৃদয়ে লালিত স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করে চলেছেন।

এবার ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে (২১ মে) অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া নির্বাচনে বিপুল ভোটে প্রথম বারের মতো বারহাট্টা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ছেন।

উপজেলা বাসীদের বিভিন্ন তথ্যসূতত্রে জানা যায়, কাজী সাখাওয়াত হোসেন পড়াশোনা শেষ করেই মাত্র ২৪ বছর বয়সে ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বারহাট্টা সদর ইউনিয়ন থেকে প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নিরলস পরিশ্রম, হৃদয়ে লালিত স্বপ্ন আর মেধা দিয়ে ধীরে ধীরে স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে থাকেন। এরপর টানা দুই বার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে টানা তৃতীয় বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নিজের কার্যকলাপের জন্য তার নিজ ইউনিয়ন ছাড়াও বাকি ছয় ইউনিয়নেও ছড়িয়ে পড়তে থাকে তার জনপ্রিয়তা।

বারহাট্টা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকা অবস্থাতেই তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

হৃদয় মাঝে জমানো স্বপ্নকে আরও উচ্চ শেখরে নিয়ে যেতে এবার ২০২৪ সালের ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে অনেক আগে থেকেই আটঘাট বেঁধে মাঠে নেমে যান উচ্চাকাঙ্খী, স্বপ্ন পূরণের কারিগর এই জনপ্রিয় নেতা। নির্বাচনী তফশিল ঘোষণার অনেক আগে থেকেই তিনি সাত ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, বিভিন্ন ধর্মীয়-সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ভোটারদের সংস্পর্শে এসে নিজ গুণে তাদের মন জয় করে ফেলেন।

স্বপ্নের কারিগর জননন্দিত এই নেতা সর্বশেষ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। জনপ্রিয়তায় তুঙ্গে থাকা কাজী সাখাওয়াত হোসেন ১১ হাজার ১৭১ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে প্রথম বারের মতো উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ছেন।

বারহাট্টা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বারহাট্টা উপজেলা।উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২৭ জন।

নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দুইজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তারা হলেন- মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খায়রুল কবীর খোকন ও ঘোড়া প্রতীক নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী সাখাওয়াত হোসেন।

বারহাট্টা সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা দুলাল দত্ত বলেন, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের একজন অন্যতম কর্মী হিসাবে জনগণ কাজী সাখাওয়াত হোসেনকে প্রথম বারের মতো উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছে। আমার বিশ্বাস সে আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন বাস্তবায়ন সক্ষম হবে।

বাউসী ইউনিয়নের রিপন শেখ, আলতু মিয়া, রহমত আলী বলেন, সাখাওয়াত ভাই উপজেলা চেয়ারম্যন হওয়ার আগে থেকেই উপজেলার মানুষের বিপদে-আপদে পাশে ছিলেন। মানুষের বিপদে তিনি দিনে-রাতে, ঝড়-বৃষ্টিতে প্রয়োজনে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছুটে যেতেন। তাই আমাদের মত গরীব খেটে খাওয়া সমগ্র উপজেলার মানুষ তাকে ভালবাসে এই নির্বাচনে যোগ্য চেয়ারম্যান হিসেবে আমরা তাকে নির্বাচিত করেছি। তিনি আমাদের গরীবের বন্ধু, অন্যায়ের প্রতিবাদকারী- ”ফাটা কেষ্ট’।

নব নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমার স্বপ্ন ছিল শুধু এক ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি হিসাবে সীমাবদ্ধ না থেকে বারহাট্টার সাত ইউনিয়নের জনগণের প্রতিনিধি হয়ে তাদের সেবা করে যাওয়া। আমার স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণের ভালবাসায় আমি বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে বারহাট্টা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের পাশে থেকে তাদের সেবা করে যাবো।

তিনি আরও বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বারহাট্টা উপজেলার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত “স্মার্ট বাংলাদেশ” গড়ার ভিশন উপজেলায় দৃশ্যমান করতে চাই।’

বারহাট্টা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার ববি’র ঘোষিত ফলাফলে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ৪২ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে ১১ হাজার ১৭১ ভোট বেশি পাওয়ায় কাজী সাখাওয়াত হোসেনকে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কার হবে না: নাহিদ ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে (প্রস্তাবিত) দেশের অর্থনৈতিক কোনো সংস্কার হবে না। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যা মূলত বাস্তবতাবিবর্জিত। কারণ, বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনোই এত রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমান যে কর বা রাজস্ব আদায়ের কাঠামো রয়েছে, তার মধ্য দিয়ে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের এই বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী’ আখ্যা দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক বলেন, আমরা আশা করেছিলাম এই বাজেটের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংস্কার আসবে; কিন্তু বর্তমান বাজেটের যে রূপরেখা, তাতে কোনো অর্থনৈতিক সংস্কার সম্ভব হবে না।

বাজেটের কিছু ইতিবাচক দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কিছু সৃজনশীল জায়গা দেখিয়েছে। কিছু পণ্যের কর কমানো হয়েছে; শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এগুলো ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও শেষ পর্যন্ত তা কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে— তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে।
সম্প্রতি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘটনাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এত কম সময়ের ব্যবধানে আগে কখনো এভাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, তার লাগাম টেনে ধরতেই আমরা প্রতিটি বিভাগে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্মসূচি পালন করছি।

বাজেটে সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতির ঝুঁকির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বাজেট কীভাবে দুর্নীতি বন্ধ করবে— তার কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। বড় বাজেট মানেই তা নিয়ে বড় ধরনের দুর্নীতি করারও সুযোগ তৈরি হওয়া। এই যে বিভিন্ন কার্ড বিতরণ কিংবা খাল খনন কর্মসূচির কথা বলা হচ্ছে; সেখানে ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা বরাদ্দ পাচ্ছেন, কিন্তু বিরোধীদলীয় এমপিরা পাচ্ছেন না— তারা সেটি কীভাবে করছেন? অর্থাৎ কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। বাজেটে দুর্নীতি ও ঋণখেলাপিদের রুখতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপের কথা বলা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আনন্দ মিছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়বাদী যুবদল কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটি পূর্ণাঙ্গ ঘোষিত হওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন এর নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শহরের বহরদ্দার হাট বাস টার্মিনাল থেকে শুরু হয়ে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুরাদপুর চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক দীপংকর ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, এতে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক মোঃ শাহেদুল ইসলাম, সহ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম আজাদ, সদস্য শাখাওয়াত হোসেন টিপু, চান্দগাও থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলী আজম মাসুম, আরিফ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ এরশাদ, মোহাম্মদ ফরহাদ, আলী আসমান, মোহাম্মদ ছাবের, ইমতিয়াজ নিশান, সহাব উদ্দিন শিহাব, মোহাম্মদ মোরশেদ, অহিদুল ইসলাম ওয়াহিদ, মো: খোরশেদ আলম, মো: মিনহাজ, জয়নাল আবেদীন মানিক, মোহাম্মদ আরিফ, আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ আল মামুন, ওমর ফারুক, মোহাম্মদ দুলাল, মোহাম্মদ নুর নবী, আবদুল আজিজ, সহ চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল,থানা ও ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মোশাররফ হোসাইন নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যুবদল দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও সংগঠনের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো কর্মসূচি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সফলতা কামনা করে এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা বা দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর মতো চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলও প্রায়ই আনন্দ মিছিল ও স্বাগত কর্মসূচি পালন করেছে।
কেন্দ্রীয় যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানাতে এবং দলীয় প্রধানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রামের রাজপথে সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল সহকারে এই আনন্দ আয়োজনে অংশ নেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ