আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

বিনোদন বাংলা:

তবে কি চমকের সুখের ঘরে দুঃখের আগুন

বিনোদন ডেস্ক:

ছোটপর্দার খবর:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার ছোটপর্দার অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমককে বিয়ের ১৩ দিনের মাথায় তাদের দাম্পত্য জীবনের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ী আজমান নাসির।

বুধবার দিনভর সংবাদমাধ্যমে চমকের স্বামী নাসিরের একাধিক বিয়ের খবর প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। ভিডিওতে নাসির বলেন, আমার দু’জন একসঙ্গে ভালোবেসে সারাটি জীবন কাটাতে চেয়েছি। কিন্তু আপনারা (সংবাদমাধ্যম) যেভাবে নিউজ করছেন তাতে আমার মনে হচ্ছে না আমরা বেশিদিন সুখে শান্তিতে থাকতে পারবো।

ভিডিওর শুরুতে নাসির বলেন, চমকের স্বামীর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস। তথ্য কী ? আমার দুটি বিয়ে নিয়ে আপনারা নিউজ করছেন। হ্যাঁ, শরিয়ত মোতাবেক দুটি বিয়ে করেছিলাম এবং শরিয়ত মোতাবেক ডিভোর্সও হয়েছে। এর অনেক পরে চমকের সঙ্গে পরিচয়। আমাদের প্রেম হয় এবং শরিয়ত মোতাবেক আমরা বিয়ে করি।

এরপর চমককে নিয়ে তিনি বলেন, এখানে নিউজে চমককে অনেক ছোট করা হয়েছে। চমক একটি অসাধারণ মেয়ে এবং কোনো পুরুষ মনে হয় না চমককে প্রত্যাখান করবে। আমি অতি সাধারণ একজন ছেলে। তারপরও চমক আমাকে যে পরিমাণ ভালোবেসেছে, এটা আমার জন্য ভাগ্যের বিষয়। হয়তো অনেক পুণ্যের কাজ করেছিলাম, যার জন্য চমকের মতো মেয়েকে আমার স্ত্রী হিসেবে পেয়েছি।

এরপর প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে চমকের স্বামী বলেছেন, এখন আমি জানতে চাই আমার ভুল কোথায় ? আগের দুটি ডিভোর্সের পর শরিয়ত মোতাবেক চমককে বিয়ে করেছি। এটা কি অপরাধ ? মানুষ তো এখন একসঙ্গে থাকছে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছে। আমি তো এরকম কিছু করিনি। আমার তো চমকের সঙ্গে পরিচয় ডিভোর্সের অনেক পর। চমক তো আমার অতীত সম্পর্কে জানতেও চায়নি। সে আমাকে ভালোবেসেছে, আমি তাকে ভালো বেসেছি। আমার দু’জন একসঙ্গে ভালোবেসে সারাটি জীবন কাটাতে চেয়েছি। কিন্তু আপনারা যেভাবে নিউজ করছেন তাতে আমার মনে হচ্ছে না আমরা বেশিদিন সুখে শান্তিতে থাকতে পারবো। আপনারা চানও না আমরা সুখে শান্তিতে এভাবে থাকি।

এই সময় বলেন, আপনারা কী চান ? যেভাবে কমেন্টে লিখছেন নয়দিনও টিকবে না নয় টাকার দেনমোহরের বিয়ে। আপনারা কি চান আমাদের আবার ডিভোর্স হয়ে যাক ? আমাদের ডিভোর্স হয়ে গেলে কি আপনারা খুশি হবেন ? এটাই কি সমাধান ? নাকি আমরা দু’জন দুজনের সঙ্গে সারাজীবন সুখে শান্তিতে থাকতে পারি সেটা চান ?

এরপর নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আজমান বলেছেন, দু’টো ডিভোর্স হওয়ার পর আমার ভরসাই উঠে গিয়েছিল। মেয়েরা কী পরিমাণ প্রতারক হতে পারে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। চমকের সাথে পরিচয় হওয়ার পর উপলব্ধি হয়েছে আসলে সব মেয়ে একরকম নয়। আমি আমার কুৎসিত অতীত কখনও চমকের সামনে আনতে চাইনি। চেয়েছি আমার অতীত থেকে সবসময় চমককে দূরে সরিয়ে রাখতে। কিন্তু আপনাদের নিউজের কারণে আমার অতীত বারবার চমকের সামনে চলে আসছে। আমি চমকের সামনে মুখ দেখাতে পারছি না। নিউজের পর চমকের সামনে দাঁড়াতে পারিনি।

সবশেষে আজমান বলেন, আমি হয়তো সাধারণ একজন মানুষ। হয়তো জানি না কথাগুলো কীভাবে গুছিয়ে বলবো। জীবনের প্রথম ক্যামেরার সামনে কথা বলছি। আমি এতটুকুই চাই আপনারা আমাকে চমকের সঙ্গে সুখে সংসার করতে দিন। আমি সত্যি তাকে ভালোবাসি। ও আমার পুরো পৃথিবী। আপনারা আমার পৃথিবীটা এলোমেলো করে দেবেন না প্লিজ।

এদিকে ভিডিওর ক্যাপশনে আজমান লিখেছেন, দুঃখিত চমক। স্বামীর ভিডিওটি শেয়ার করে চমকও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

জানা যায়, ২০০৮ সালের ১০ জুন স্মান্তা ইসলামকে প্রথম বিয়ে করেন ব্যবসায়ী আজমান নাসির। ২০১১ সালের নভেম্বরে তাদের কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু দাম্পত্য কলহের কারণে ২০১৬ সালের অক্টোবরে তাদের ছাড়াছাড়ি হয়। এরপর ২০১৮ সালের ১৮ জুলাই প্রেম করে বিয়ে করেন লামিয়া ফারহিনকে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে তাদের কন্যাসন্তানের জন্ম হয়।

জানা গেছে, লামিয়ার সঙ্গে সংসার করা অবস্থায় চমকের সঙ্গে পরিচয় হয় নাসিরের। গড়ে ওঠে সম্পর্ক। স্ত্রী লামিয়া জেনে যান। তাদের সংসারে শুরু হয় টানাপোড়েন। দুজনই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয় তাদের। বছর না যেতেই নাসিরের তৃতীয় স্ত্রী হলেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী চমক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নারীদের শক্তিশালী জনসম্পদে পরিণত করা সরকারের লক্ষ্য : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি বলেছেন, আমাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচীর মধ্যে বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন অন্যতম। দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদেরকে স্বনির্ভর, আত্মপ্রত্যয় এবং শক্তিশালী জনসম্পদে পরিণত করা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকাকালীন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করে মেয়েদের জন্য এইচ.এস.সি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। এছাড়া নারীদের সার্বিক কল্যাণে তিনি অনেকগুলো কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেছিলেন। তাঁরই সুযোগ্য পুত্র বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্সমতায় আসার পর নারীদের ক্ষমতায়নে কাজ করছেন। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও বেগবান করতে প্রত্যেক নারীকে উদ্যেক্তা হিসেবে গড়ে উঠার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তারা কাজও শুরু করেছেন।


সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ের অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় পর্যায়ে ৩ ক্যাটাগরিতে ৪ জন অদম্য নারীকে ফুল, ক্রেস্ট ও সনদপত্রসহ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি। সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা হচ্ছেন-শিক্ষা ও চাকুরী ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আবদুল হালিমের মেয়ে আসমা আকতার রুনা, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের শামসুল ইসলামের মেয়ে শমলা বেগম, সফল জননী নারী ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার চরমজলিশপুর গ্রামের আমিন আহমদ ভূঁঞার স্ত্রী বেগম তাজকেরা চৌধুরী ও সফল জননী নারী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার চান্দনপুর পাখাচং গ্রামের আবদুল কাদেরের মেয়ে বিলকিছ বেগম। অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত সফল নারীরা তাদের জীবন-সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করেন।

অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বৈরী পরিস্থিতিতে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের সাথে কথা বলে সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা মেরামতের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের জুলাই মাসে বিএনপি ৩১ দফা ঘোষনা করেন এবং ২০২৪ সালের জুলাই মাসে জাতির সামনে প্রকাশ করা হয়েছিল। বিএনপি চেয়ারম্যান ও বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহারে ৩১ দফার ৮টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে কাজ শুরু করেছে। তন্মধ্যে অন্যতম হচ্ছে-ফ্যামিলি কার্ড। এটি পাবেন পরিবারের প্রধান নারী। কোন রাজনৈতিক বিবেচনা বা জনপ্রতিনিদিদের মাধ্যমে নয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও এডমিন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ তালিকার মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে, যাতে পরবর্তীতে কোন সরকার এটি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না পারে। পাইলট প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে দেশের ১৪টি জেলার ১৪টি ওয়ার্ড/উপজেলার মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের পতেঙ্গা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্চারামপুর ও বান্দরবান পার্বত্য জেলার লামা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের সবক’টি পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত অদম্য নারীদের বক্তব্যের আলোকে তিনি বলেন, আজকের অদম্য নারীদের মধ্যে এ পুরস্কার সীমাবদ্ধ নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে-ইউনিয়নে-পৌরসভা-উপজেলা-থানা-নগর ও জেলা পর্যায়ে এটি ছড়িয়ে আছে। বাংলাদেশের প্রতিটি নারী সম্মানের হকদার। বাংলাদেশে যত নারী আছেন তারা কোন না কোন জায়গায় অদম্যতার পরিচয়ে ঠিকে আছেন। অদম্য নারীদের জীবন-যুদ্ধে হার না মানার কাহিনীর ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা দরকার এবং সমাজের অন্যান্য নারীদেরকে এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আমরা বাংলাদেশের জন্য কাজ করতে চাই, চট্টগ্রামের জন্য অনেক কিছু করতে চাই, এজন্য সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল আরও বলেন, সংবিধানে সকলের সমান অধিকার। ১৯ কোটি মানুষের দেশে ৪ কোটি মানুষও যদি কর্মক্ষম বা অর্থনীতির বাইরে থাকে তাহলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বা কাঙ্খিত উন্নয়ন কোনভাবে সম্ভব নয়। পুরুষের পাশাপাশি নারীরা উদ্যেক্তা হয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসলে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে এবং উন্নত সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারবো।
তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশকে যদি সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, সমতা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হয়, তাহলে আমাদের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীদেরকে সাথে নিয়ে পথ চলতে হবে। উন্নত সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে নারী-পুরুষের সমতা আনায়ন অত্যন্ত জরুরী।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো.জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অদম্য নারী পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ নাজিমুল হক, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অদম্য নারী পুরস্কার কর্মসূচীর অতিরিক্ত পরিচালক ও কর্মসূচী পরিচাল মোঃ মনির হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় পরিচালক (উন্নয়ন) নুসরাত সুলতানা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আতিয়া চৌধুরী। অনুষ্ঠানে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত অদম্য নারীগণ, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের একুশের বিশেষ নাটক ‘রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২১শে ফেব্রুয়ারি ছিল রফিকের বিয়ের দিন। বিয়ে বাড়িতে কনে সেজে অপেক্ষায় ছিল তার প্রিয় মানুষ। কিন্তু রফিক গিয়েছিলেন মায়ের ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে। ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিলে নামেন তিনি। পুলিশের গুলিতে শহীদ হন রফিক। তার বুকের রক্তে রঞ্জিত হলো বাংলার রাজপথ। অন্যদিকে, বিয়ে বাড়িতে ফুলে ফুলে সাজানো আসরে কনে তখনও পথ চেয়ে বসে। সে জানে না—তার বর আর ফিরবে না। ফিরবে শুধু রক্তে ভেজা এক শহীদের নিথর দেহ। জীবন দিয়ে রফিক প্রমাণ করে গেলেন— মাতৃভাষার জন্য জীবন দেওয়াই সবচেয়ে বড় ভালোবাসা।

অমর একুশে উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নির্মাণ করেছে বিশেষ নাটক ‘রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা’। নাটকে ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ রফিকউদ্দিন আহমেদের মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আত্মদানের ইতিহাস আবেগঘনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। নাটকটি বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রে সম্প্রচার করা হবে ২১ ফেব্রুয়ারি।

টানা তিনদিন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পদুয়া এলাকার মনোরম লোকেশনে নাটকের দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। মো. ইমাম হোসাইনের কাহিনী ইকবাল খন্দকারের চিত্রনাট্যে নির্মিত রক্ত-হলুদ সন্ধ্যা নাটকটি প্রযোজনা করেছেন উম্মে হাবিবা দিনা। মহসিন চৌধুরীর পরিচালনায় নাটকটিতে অভিনয় করেছেন সরোজ আহমেদ, সোহেলী, দেবাশীষ চৌধুরী, মীর জুবেদ, রমিতা ভৌমিক, মো. সেলিম, আফরোজা ইমা, সীমান্ত বড়ুয়া, ধীমান, অসিত নন্দী, সৌভিক দাশ প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ