আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

নগরকান্দায় পিতা ও পুত্রকে কুপিয়ে আহত

মিজানুর রহমান নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের খইয়া গ্রামে বাড়িতে প্রবেশ করে পিতা ও পুত্রকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করলেন অবসরপ্রাপ্ত বিডিআর আবু চুকদার গংরা। নুরু গাজীর ঘরের ভিতর ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও লোহার রড়, লাঠিসোঁটা দিয়ে বাইড়া ইয়া পিতা ও পুত্রকে গুরুতর আহত করায় ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনার প্রত্যাক্ষদর্শীরা বলেন, প্রায় এক যুগ ধরে পুকুরের জায়গা জমি নিয়ে নুরু গাজীর সাথে প্রতিবেশী আবু চুকদার পিতা- মৃত কোরবান চুকদার এর সহিত জোগড়া বিবাদ মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে।

একই গ্রামের শেখ কেরামত আলীর ছেলে শেখ সবেদ আলী বলেন, পুকুরে আমি পাট ধুয়ে ছিলাম সে সময় আবু চুকদার তার ভাই রব মাতুব্বর ও সৈয়দ আলী মাতুব্বরকে ফোন করে এবং কিছুক্ষনের মধ্যে তার ভাই রব মাতুব্বর, সৈয়দ আলী মাতুব্বর, রুস্তম মোল্লা, আহাদ মাতুব্বর, ইয়াদ আলী কাজী,সাবিনা বেগম পিতা- আবু চুকদার সহ তাদের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ঢাল, সুরকি, রামদা, লাঠিসোঁটা নিয়ে আমার কাছে আসে এবং আবু চুকদার ও সৈয়দ আলী মাতুব্বর আমাকে কিল-ঘুষি থাপ্পড় মারে তারপরই সে সকল লোকজন নুরু গাজীর বাড়িতে যায় এবং দোকানে থাকা নুরু গাজীর ছেলে রাসেল গাজী কে কুপিয়ে পিটিয়ে আহত করে এবং ঘরের ভিতর ঢুকে নুরু গাজীকে কুপিয়ে পায়ের রগ কেটে দেয় ও পিটিয়ে আহত করে।

স্হানীয় লোকজন অনেকে বলেন আবু চুকদার বিডিআর চাকরি করতেন তিনি অবসরে বাড়িতে এসে গ্রামে দল-পক্ষ চালাচ্ছে। যে কারনে গ্রামের মানুষ অশান্তিতে থাকি। নুরু গাজী ও আবু চুকদারের সাথে জায়গা জমি নিয়ে মামলা মকদ্দমা চলছে।

নুরু গাজী বলেন আমার নামে পুকুরে জমি রেকর্ড মামলা করে রায় ডিগ্রি আনছি তবুও আবু চুকদার জোর করে পুকুর দখল করে আছে দখল ছাড়ছেনা।ঘটনার দিন হঠাৎ করে আমার বাড়িতে এসে দোকান থেকে ছেলেকে কুপিয়ে বাইরাইয়া আহত করে এবং ঘরের ভিতর ঢুকে আমাকে কুপিয়ে পায়ের রগ কেটে দেয় এবং বাইরাইয়া গুরুতর আহত করে।অবসরপ্রাপ্ত আবু চুকদার পলাতক থাকায় ও তার লোকজন বাড়ি না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।
এই ঘটনায় থানায় মামলা করবেন বলে নুরু গাজী বলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ