আজঃ বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালে হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সেবামূলক প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালে হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার পাহাড়তলীস্থ হাসপাতাল চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১২টায় আয়োজিত মানববন্ধনে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে হামলা ও উক্ত প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ট্রাস্টি, আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের উপর হামলার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়। মানববন্ধনে বলা হয়, মো.এম. এ. মালেক এর পুত্র মো. ওয়াহিদ মালেকের নেতৃত্বে ৩৫/৪০ জনের হামলাকারী হাসপাতাল ক্যাম্পাসে অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের বাসায় প্রবেশ করে হুইল চেয়ার থেকে টেনে তোলে ও শারীরিকভাবে হেনস্থা করে। তারা উনার স্ত্রীর বেড রুমে প্রবেশ করে তাঁর অসুস্থ’ স্ত্রীর গায়ে হাত তোলার পাশাপাশি ২টি মোবাইল সেট, স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়াও (বাংলাদেশ অন্ধ কল্যাণ সমিতি বিএনএসবি)’র কার্যকরী কমিটির সদস্য রিয়াজ হোসেনের বাসায় হামলা করে তার স্ত্রী ও তার বাসায় মেহমানদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, মারধর এবং ছোট শিশুদের গায়েও হাত তোলে। এ সময় তারা রিয়াজ হোসেনকে হত্যার চেষ্টাকালে সে আত্মরক্ষার্থে একটি কক্ষে আত্নগোপন করে। পরবর্তীতে সন্ত্রাসীরা এ পরিবারের ৪টি মোবাইল সেট, ল্যাপটপ, তার স্ত্রীর স্বর্নালংকারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সর্বস্তরের শত শত কর্মজীবিদের আয়োজিত এই মানববন্ধন থেকে হামলার তীব্র নিন্দার পাশাপাশি হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান।
এর আগে গত ৭ আগষ্ট বুধবার রাত আটটায় এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে সংবাদ সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সন্মেলনে ম্যানেজিং ট্রাস্টি, আন্তর্জাতিক চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন, হাসপাতালের মেডিকেল ডিপরেক্টর ডা. রাজীব হোসেন, বিএনএসবি এর কার্যকরী কমিটির সদস্য রিয়াজ হোসেনেসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থেকে হামলার বিবরণ ও হামলাকারীদের ক্যামরার ফুটেজ প্রদর্শন করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রাণীহাটি ইউনিয়নের কুথালিপাড়া গ্রামে সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকটি বসতবাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে। পরে দুপুর ১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সালিশ বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠক চলাকালে রানিহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সমর্থক ও স্থানীয় সাবেক মেম্বার চান্দুর লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

এ সময় উভয় পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে অর্ধশতাধিক ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আতঙ্কে সাধারণ মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোজাফফর নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।

পূর্বধলায় প্রাইভেটকারের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আশিক মিয়া (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল পৌনে নয়টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোট ইলাশপুর এলাকায় দুর্গাপুর-শ্যামগঞ্জ মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আশিক মিয়া ছোট ইলাশপুর গ্রামের আহেদ আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে আশিক মিয়া রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় দুর্গাপুরগামী একটি অজ্ঞাতনামা প্রাইভেট কার তাকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে আশিক মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দিদারুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর প্রাইভেটকারটি পালিয়ে গেছে। ঘাতক প্রাইভেটকারটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ