আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকায় বৌদ্ধ বিহার ও মন্দির পরিদর্শনকালে এরশাদ উল্লাহ

প্রেস রিলিজ

পতিত স্বৈরাচারের দোসররা পরিকল্পিতভাবে উপসনালয়গুলোতে হামলা করছে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ বলেছেন, ছাত্র জনতার বিজয়কে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি বিশেষ মহল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপাসনালয় গুলোতে হামলার গুজব ছড়িয়ে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করছে। পতিত স্বৈরাচারের দোসররা পরিকল্পিতভাবে উপসনালয়গুলোতে হামলা করছে। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার লক্ষ্যে সমাজকে বিভক্ত করাই এই মুহূর্তে তাদের ষড়যন্ত্র। তারা উপাসনালয় গুলোতে নাশকতা সৃষ্টি করে বিএনপিকে দায়ী করার জন্য ষড়যন্ত্র করছে। বিএনপি জনগণকে সাথে নিয়ে সকল ধরনের নাশকতা প্রতিহত করছে। সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনার জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ খুবই প্রয়োজন। এখন সবাইকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব।

তিনি রবিবার (১১ আগস্ট) বিকালে চান্দগাঁও ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির ও বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।

তিনি কুয়াইশ চান্দগাঁও সার্বজনিন কালী বাড়ী, নাথ পাড়া, বড়বাড়ী, বেপারী পাড়া, বড়ুয়া পাড়া বৌদ্ধ বিহার, শাক্যমুনি বিহার, সাধু পাড়া কালীবাড়ি পরিদর্শন করে তাদের নিরাপত্তার সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি ভিন্ন ধর্মালম্বীদের মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও বাসাবাড়ি এবং বিরোধীমতের সবাইকে বিএনপির পক্ষ থেকে নিরাপত্তা দেওয়ার কথা জানান।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি ও পরিবেশের গভীরতা অনুভব করে চট্টগ্রামবাসীকে আবারও সজাগ করতে চাই পতিত স্বৈরাচার ও তার দোসরদের এই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে। বিশেষভাবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সকল নাগরিকদের আহ্বান জানাচ্ছি, এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে যার যার অবস্থান থেকে সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে। অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য দল মত নির্বিশেষে তাদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামবাসীর প্রতি আহ্বান জানায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা শওকত আলী, চান্দগাঁও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইলিয়াছ চৌধুরী, মহানগর বিএনপি নেতা আশরাফুল ইসলাম, জাফর আহমদ, নগর ছাত্রদল নেতা খোরশেদ আলম রুবেল, আরিফুল ইসলাম, তারেক রহমান, মো. আজগর, রিকু, বাপ্পি, মো. তৈয়ব, মো. মিরাজ প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ