যে জীবন কেরে নিলে, সে জীবনতো দিতে পারবেবা

একটি হত্যাকান্ড প্রতিটি মানুষকে ব্যথিত করেছে

উপসম্পাদকীয় -কিরন শর্মা

আমরা আইয়ামে জাহেলিয়া যুগে প্রবেশ করছি নাতো?

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

একটি হত্যাকান্ড প্রতিটি মানুষকে ব্যথিত করেছে। দলবদ্ধ ভাবে পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে তাদের নিলর্জ উন্মাদনার বহিঃপ্রকাশ দেখিয়েছে। তাও আবার ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ হত্যাকাণ্ড জাতির জন্য লজ্জার। জাতি হিসেবে আমাদের মাথা হেট হয়ে গেছে। খুব কষ্ট হচ্ছে এই হলের এরকম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা দেখে। যে হলের নাম বাংলার বাঘ শেরেবাংলা একে ফজলুল হকের নামের সাথে জড়িয়ে রয়েছে। আমি যদিও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারিনি। কিন্তু মাধ্যমিকে পড়াুয়া এক সহপাঠী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার সুবাদে অনেক সময় কাটিয়েছি হলে। আড্ডা দিয়েছি অনেক সময় ঐবন্ধুটির সাথে ফজলুল হক হলে । এ লোমহর্ষক হত্যাকান্ড দেখে সেই বন্ধুটিও খুব কষ্ট পেয়েছেন বলে আমার মনে হয়। তোফাজ্জল হত্যায় যে বা যারা জড়িত তাদের গ্রেপ্তার করে সাজা দেওয়া উচিত। রাজনৈতিকভাবে কোন পক্ষ অন্য পক্ষকে ঘায়েল করার জন্য কিংবা দোষ চাপানোর চেষ্টা করে কোন লাব নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে দোষীদের চিহ্নিত করা কঠিন কাজ নয়। এরই মধ্যে গ্রেফতার হওয়া শিক্ষার্থীরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে আদালতে। যেকোনো হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য কেউ এগিয়ে না এলেও রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নিতে হয়। দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কি আমরা কাণ্ডজ্ঞান হারিয়ে ফেলেছি। আমরা কি আইয়ামে জাহেলিয়া যুগে প্রবেশ করছি? নাকি অতি উৎসাহী কিছু লোক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে এসব করে চলেছে। নাকি পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের উপর এসকল দ্বায় চাপিয়ে দেয়ার আয়োজন হচ্ছে। অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা আমাদের ন্যায় বিচার পাইয়ে দেয়ার কথা বলেই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। একই দিনে ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় গণপিটুনিতে নিহত হয়েছে। একই দিন দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গণপিটুনিতে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে আমরা সব সময় সোচ্চার। বিবেকের তাড়নায় তাড়িত শিক্ষার্থীরা ঠিকই এর প্রতিবাদ করেছে। বিচার চেয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতির পর দেশে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটে থাকে এটা সত্য। দেশ স্বাধীনের পরও কিছু বিক্ষিপ্ত পরিস্থিতির জন্ম নেয়। এটিকে দীর্ঘ সময় জিইয়ে রাখা রাস্ট্র ব্যবস্হার জন্য হুমকিস্বরুপ। দায়িত্বপ্রাপ্ত রায়। অতীতে অপরাধ করে অনেকেই পার পেয়েছে। এরকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার শাস্তি পাওয়ার নজিরও রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পিটিয়ে পিটিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করা, মনে হয় এটিই প্রথম ঘটেছে।জানতে পারলাম সেই ছেলেটি মানসিক ভারসাম্যহীন।
আবার এ কথা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলেটির মামাতো বোনের কাছে ২ লক্ষ টাকা মোবাইল ফোনে চেয়েছে কোন একজন। স্বাধীনতা পর যখন যে সরকার ছিল প্রত্যেকেই ক্ষমতায় যাওয়ার আগে মানুষকে স্বপ্ন দেখিয়েছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতাসহ মানুষের মৌলিক অধিকার দেয়ার কথা বলেছে। বিগত সরকারগুলো সে কথাটা কতটুকু পালন করেছে, তা আমরা গণমাধ্যম কর্মীরা দেখেছি। আমরা কখনো কখনো কথা বলেছি। আবার কখনো কখনো গণমাধ্যমের কন্ঠ রোধ করার কালা কানুন করার জন্য কথা বলতে পারিনি। । সব সময়ই আমাদের হাত চেপে ধরা হয়েছে। কালা কানুনের মাধ্যমে আমাদের কলম চলতে দেয়া হয়নি। একদিকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, আবার অন্যদিকে গণ মানুষের কথা বলতে গিয়েও রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত আইনের জন্য বলতে পারিনি। এ ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবেকের তাড়নায় তাড়িত ছাত্ররা প্রতিবাদ করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইন প্রয়োগকারি বাহিনীর কাছে তুলে দিয়েছে। অভিযুক্ত একজনকে বলতে শুনলাম আবেগের তাড়নায় মেরেছি।আমরা যে জীবন দিতে পারি না, কেড়ে নিতেও পারিনা। একথা সবাইকে বুঝতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সূতিকাগার। এ মহাবিদ্যা পিঠের শিক্ষার্থীরাই বেশি রাষ্ট্র পরিচালনার নেতৃত্ব দিয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়েছে বিগত দিনে । তোফাজ্জল হত্যার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান অনেকটা নামিয়ে দিয়েছে মাত্র কজন ছাত্র। অপরাধের সাথে যেই জড়িত তাদের শাস্তি দিতে হবে। দলীয় পরিচয় সামনে না আনার চেয়ে বিচারের মুখোমূখি করা জরুরী। আরো এক লজ্জার বিষয় হলো কোন এক পুলিশ কর্মকর্তা নাকি ভাত খাইয়ে যা করার তাই করতেন। ঐ পুলিশ কর্মকর্তাকে অনুসরণ করেছে বলে, অনেকে মনে করেন। বিভিন্ন টেলিভিশনের ফুটেছে দেখতে পেলাম প্রথমে তোফাজ্জলকে খুব আদর করে খাওয়ালেন। তারপর নিলজ্জভাবে পিটিয়ে পিটিয়ে হত্যা করলেন তোফাজ্জলকে। আমরা কি বিগত দিনের খারাপ সংস্কৃতি ধারণ করব, নাকি ওই খারাপ সংস্কৃতি বাদ দিব?আমাদের আর পিছনের দিকে নয়, সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। অপরাধকে অনুসরণ নয়, অপরাধমুক্ত করতে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জেলখানায় মায়ের আদ্যশ্রাদ্ধ করার ইচ্ছে চিন্ময়ের, অনুমতি চেয়ে আবেদন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্যারোলে মুক্তির পর এবার চট্টগ্রাম কারাগারে মৃত মায়ের ‘আদ্যশ্রাদ্ধ’ অনুষ্ঠান আয়োজন করতে চান রাষ্ট্রদ্রোহ ও আইনজীবী হত্যার মামলায় কারাবন্দি চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী। এজন্য চিন্ময়ের বড় ভাই রঞ্জন কুমার ধর ধর্মীয় উপকরণ নিয়ে একজন পুরোহিতের কারাগারে প্রবেশ ও শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের অনুমতি চেয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেছেন।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক বললেন, প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতির প্রয়োজন ছিল। সেটা দেওয়া হয়েছে। এখন যে আবেদন সেটার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতির প্রয়োজন নেই। এটা কারাবিধি অনুযায়ী জেলা সুপার সিদ্ধান্ত নেবেন।

চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি-প্রিজন্স) মোহাম্মদ ছগির মিয়া বললেন, এ ধরনের আবেদন খুবই রেয়ার। কারাবিধিতে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা নেই। যেহেতু ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার বিষয় আছে এবং বন্দিও একজন বিশেষ বন্দি, তাই সিদ্ধান্ত হতে পারে বিশেষ বিবেচনায়। সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের। জেল কর্তৃপক্ষ কারাবিধির বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর চিন্ময়ের মা সন্ধ্যা রাণী ধর মারা যান। মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাকে পাঁচ ঘন্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দিয়েছিলেন। এরপর রঞ্জন কুমার ধর আরেকটি আবেদন করেন। এতে সনাতন ধর্মীয় অনুশাসন ও শাস্ত্রীয় আচারের কথা উল্লেখ করে চিন্ময়কে কারাগারের ভেতরে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর মায়ের আদ্যশ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়। এজন্য শ্রাদ্ধের সরঞ্জাম নিয়ে হারাধন রুদ্র নামে একজন পুরোহিতকে কারাগারে ভেতরে প্রবেশের অনুমতির আবেদন করা হয়।

চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ইসকনের সাবেক সংগঠক। সম্মিলিত সনাতনি জাগরণ জোট নামে একটি সংগঠনের মুখপাত্রও। জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে হওয়া রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর গ্রেপ্তারের পর থেকে কারাগারে আছেন তিনি। আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাসহ তার বিরুদ্ধে মোট ৬টি মামলা আছে।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি পালন করেছেন সাংবাদিকরা।


মানববন্ধন থেকে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি রাশেদুল ইসলাম কে ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দেন সাংবাদিকরা। না হলে কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় পাবনা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শহরের প্রধান সড়ক আব্দুল হামিদ রোডে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়।

মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা অভিযোগ করেন, ডিবি কার্যালয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপত্তা সংবলিত স্থানে একজন নারীকে জিম্মি করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে পাবনা প্রেসক্লারেবর সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাজানো ভিডিও ধারণ এবং তা ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো ন্যাক্কারজনক। যা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। একজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও সাজানো তথ্য প্রচার স্বাধীন সাংবাদিকতার হুমকিস্বরূপ। তাই আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে পাবনা ডিবির ওসি রাশেদুল ইসলাম কে প্রত্যাহার সহ তিনি ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আল্টিমেটাম দেন সাংবাদিক নেতারা।
না হলে আরো কঠোর কর্মসূচীর হুশিয়ারি করেন বক্তারা।

পাবনা প্রেসক্লাবের সাহিত্য সম্পাদক পাভেল মৃধার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ আখতারুজ্জামান আখতার, সাবেক সম্পাদক আব্দুল মতীন খান, সাবেক সভাপতি ও এনটিভি-সমকালের স্টাফ রিপোর্টার এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সম্পাদক ও মাছরাঙা টেলিভিশনের উত্তরাঞ্চলীয় ব্যুরো চীফ উৎপল মির্জা, একুশে টিভি মানব জমিনের সটাফ রিপোর্টার রাজিউর রহমান রুমী, বাংলাদেশ টুডে প্রতিনিধি আব্দুল হামিদ খান, জিকে সাদী, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মান্নান মাস্টার, প্রথম আলো প্রতিনিধি সরোয়ার মোর্শেদ উল্লাস, আলোকিত বাংলাদেশ প্রতিনিধি কাজী বাবলা, এটিএন নিউজ ও আগামীর সময় প্রতিনিধি রিজভী জয়, ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন পাবনার সভাপতি জিয়াউল হক রিপন, বাংলাদেশ পুস্তক বিক্রেতা সমিতি পাবনার সভাপতি আব্দুল মজিদ প্রমুখ। এ সময় প্রায় শতাধিক সংবাদকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

পাবনা প্রেসক্লাবের নেতারা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক নামধারী একটি কুচক্রী মহল পাবনা প্রেসক্লাবের বিপরীতে প্রায় একই নামে সংগঠন খুলে মাদক ব্যবসা, জমি দখল, ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। মূলধারার সংবাদকর্মীরা জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটি সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চক্রটি কতিপয় অসাধু রাজনৈতিক নেতা ও পুলিশ কর্মকর্তার সহায়তায় এক তরুণী কে ব্যবহার করে পাবনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি সাজানো নাটকের আশ্রয় নেয়।

মানববন্ধন শেষে ডিবির ওসি রাশেদুল ইসলাম কে প্রত্যাহার সহ জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পাবনা পুলিশ সুপারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন সাংবাদিক নেতারা। আর তার অনুলিপি দেওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ডিআইজি রাজশাহী ও পাবনার জেলা প্রশাসক কে।

এদিকে এর আগে শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী তরুণী নাফিসা তার নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বীকার করেন যে, সুবর্ণা হালিম নামের এক নারী নেত্রী তাকে জিম্মি করে প্রেসক্লাব সম্পাদত জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্য দিতে বাধ্য করেন। পরবর্তীতে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে মা-বাবার উপস্থিতিতে সোহেল রানা বিপ্লব নামে এক কথিত সাংবাদিক এই সাজানো বক্তব্য ভিডিও ধারণ করেন। নাফিসা ইতোমধ্যেই লিখিতভাবে থানায় দেওয়া মিথ্যা অভিযোগটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে পাবনা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি রাশেদুল ইসলাম বলেন, ভিকটিম পরিবার আতঙ্কিত হয়ে আমাদের কাছে সহায়তা চেয়েছিল। তাদের উদ্ধার করে আমাদের হেফাজতে এনেছিলাম আইনগত সহায়তা দেওয়ার জন্য। সেখানে কথা বলার একপর্যায়ে কেউ হয়তো ভিডিও করেছে।পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি। এ বিষয়ে আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবো। কমিটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ