আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

আবদুল খালক ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন একজন দেশপ্রমিক সম্পাদক

প্রেস রিলিজ

দৈনিক আজাদীর প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তারা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২৪ সপ্টম্বর ২০২৪ ইংরজি মঙ্গলবার বিকাল ৪ টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত দরগাহ্ লাইন তানজিমুল মাছলমিন এতিমখানা মিলনায়তনে বাংলাদেশ মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার উদ্যােগ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবাদপত্র দৈনিক আজাদী’র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বাঙালী মুসলমানদের নব জাগরণের অগ্রদূত আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবদুল খালেক ইঞ্জিনিয়ার এর ৬২ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহ্ফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এত সভাপতিত্ব করেন বাংলাদশ মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার কেদ্রীয় সভাপতি বিশিষ্ট সাংবাদিক এস.এম. জামাল উদ্দিন। প্রধান অতিথি ছিলেন ওয়ার্ল্ড এসাসিয়েশন অব প্রস কাউন্সিল সাবেক নির্বাহী সদস্য ও বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল সাবেক সদস্য প্রখ্যাত সাংবাদিক মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন তনজিমুল মাছলমিন এতিমখানার পেশ ইমাম ক্বারী মুহাম্মদ আরিফুর রহমান। উপ¯িত ছিলন বাংলাদশ মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার সহ-সভাপতি অধ্যাপক হুমায়ুন কবির, যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক
মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, আলহাজ্ব লায়ন মুহাম্মদ নিজামুল ইসলাম, মাওলানা আবদুল শুক্কুর, হাফেজ আনোয়ার হোসন, লেখক ও গবেষক আবদুস সালাম, কবি আসিফ ইকবালসহ এতিমখানার শিক্ষক ও ছাত্রবৃদ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত বলেন, আজাদীর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক ছিলেন নিরহংকারী, নবী করিম (স.)’র প্রকৃত অনুসারী একজন বুজুর্গু। আবদুল খালেক ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন একজন দেশপ্রমিক ও সৎ সম্পাদক। তিনি সৎ ছিলেন বলেই তাঁর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান দৈনিক আজাদী অনেক বাধা বিপত্তির মধ্যে এখনো টিকে আছে। সভাপতির বক্তব্যে সাংবাদিক এস.এম. জামাল উদ্দিন বলেন, চট্টগ্রামের সংবাদপত্র শিল্প ও মুদ্রণ প্রকাশনা জগতে মোহাম্মদ আবদুল খালেক ইঞ্জিনিয়ারের অবদান ঐতিহাসিক। তিনি আজ আমাদের গর্বময় ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছেন। মোহাম্মদ আবদুল খালেক ইঞ্জিনিয়ার প্রতিষ্ঠিত দৈনিক আজাদী বহুল প্রচারিত এবং জনগণ কর্তৃক স্বীকৃত স্বাধীন গণতান্ত্রিক চেতনার এক অনন্য ইনস্টিটিউশন। স্বৈরাচারী শাসনের কবল থেকে জাতিকে রক্ষা করা গণতান্ত্রিক সুদৃঢ় মজবুত ভিত্তির উপর দাঁড় করাতে চট্টগ্রামের দৈনিক আজাদী পত্রিকার ভূমিকা ও গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি বলেন, ৬২ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালনের এই দিন মহান আল্লাহ পাক মোহাম্মদ আবদুল খালেক ইঞ্জিনিয়ারকে জানাতুল ফেরদাউস বেহেশত নসিব করুন। আমীন। পরিশেষে মোহাম্মদ আবদুল খালেক ইঞ্জিনিয়ারের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ও দৈনিক আজাদীর সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ