আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামে পাহাড়ধস রোধ করা প্রশাসনের চ্যালেঞ্জ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অনেককিছু পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে বিশেষত কোন ঋতুচক্রই এখন আর সময় নির্ধারিত নয়, বিভিন্ন কারণে পাহাড়ধস রোধ করা প্রশাসনের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। একদিকে প্রভাবশালী চক্রের দখলদারিত্ব অন্যদিকে বিপুল সংখ্যাক জনগোষ্ঠীকে নির্দিষ্ট স্থানে পুনবার্সন প্রক্রিয়া বেশ জটিল। আগাম সতর্কবার্তাকে জনগণ দৃশ্যমান অবস্থার প্রেক্ষিতে বিবেচনা করে থাকে তার পূর্বে অনুমেয় বিষয়গুলো জনগণ সাধারণত গ্রহণ করেনা। চট্টগ্রামে প্রশাসনের বেশকিছু সেইফ স্পেস রয়েছে কিন্তু প্রশাসনের বিভিন্ন উদ্যোগ কে সফল করতে সকল সংস্থার সহযোগিতা বিশেষ করে এনজিও সংস্থার সহযোগিতা প্রয়োজন। পাশাপাশি সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট, গবেষণা পত্র, মোটিভেশান, প্রিপাডনেস, রেসকিউ, কো-অর্ডিনেশন প্রয়োজন রয়েছে। রোববার সকালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সভাকক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় সেভ দ্য চিলড্রেন এবং ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল এ্যাকশন ইপসা, রাইমস (টেকনিক্যাল পার্টনার)’র বাস্তবায়নে একটি প্রকল্পের অবহিতকরণ সভায় এই মন্তব্য করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম।
সভার শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান ইপসার পরিচালক (সমাজ উন্নয়ন) নাছিম বানু, প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন সেভ দ্য চিলড্রেন ম্যানেজার ফাতেমা মেহেরুন্নেছা, প্যানেল আলোচক ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন চসিক প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ পরিচালক শেলিনা আক্তার, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নুরুল করিম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইকবাল সরোয়ার (ভূগোল), ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, চট্টগ্রাম উপ পরিচালক দীনমনি শর্মা, সহকারী পরিচালক মো. আবদুল্লাহ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নগর পরিকল্পবাবিদ আবদুল্লাহ আল ওমর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক কিশোয়ার জাহান চৌধুরী, সেভ দ্য চিলড্রেন ম্যানেজার (এন্টিসিপেটোরী এ্যাকশন) জাবেদ মিয়াদাঁদ, চসিক সমাজ, বন ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা সৈয়দ মঈনুল হোসেন জয়, ইপসা প্রজেক্ট ম্যানেজার সানজিদা আক্তার, প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর ড. প্রবাল বড়ুয়া, লালখান বাজার ওয়ার্ড সচিব মো. মুজিবুর রহমান, সিপিপি নগর কো অর্ডিনেটর মো. ঈসা প্রমূখ।
প্রসঙ্গত, পাহাড়ধসে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ড হিসেবে বিবেচিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনবের ৩টি ওয়ার্ড যথাক্রমে ১৪নং লালখান বাজার ৯নং উত্তর পাহাড়তলী, ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে এবং বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর ও পুকরিয়া ইউনিয়নে (জুলাই-২০২৪ থেকে ফেব্রুয়ারি-২০২৬) প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। মূলত এই প্রকল্পটি প্রকল্পভূক্ত এলাকায় পাহাড়ধসের জন্য আগাম সতর্কতা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার একটি পদক্ষেপ। পাহাড়ধসের প্রভাব কমাতে সময়মত এবং কার্যকর সতর্কতা নিশ্চিত করা এবং এর সমস্যা, গ্যাপ শনাক্ত করে এবং কংক্রিট সমাধান প্রস্তাব করে। এছাড়াও প্রকল্পের মাধ্যমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি, নগর স্বেচ্ছাসেবক, শিশু ও যুব সংগঠকক, রিসোর্স পুল, ইন্টারপ্রিটার পুল সহ বিভিন্ন গ্রুপ ভিত্তিক প্রশিক্ষণ, কনসালটেশন সভা, ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সচেতনতা আনয়ন, ভয়েস মেসেজ ও সেক্টর ভিত্তিক আবহাওয়া বার্তা প্রদান, ঝুঁকি নিরূপণ প্রতিবেদন তৈরি, স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে এডভোকেসী, গবেষণা কর্ম এবং কমিউনিটি পর্যায়ে হাইজিন কিডস, কিচেন কিডস প্রদান, শর্ত ও শর্তবিহীন ক্যাশ সাপোর্ট, রেইন গেইজ, মাটির আদ্রতা পরিমাপক ডিজিটাল ডিভাইস স্থাপন সহ বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন ও ছোট জামাই সোহেলের বিরুদ্ধে। সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন বড় জামাই এ.কে আজাদ। আজ শনিবার (২০ জুন) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের হুজরাপুরে অবস্থিত চাঁপাই প্রেসক্লাবে হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন তিন।

লিখিত বক্তব্য এ. কে আজাদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের মহিপুরে অবস্থিত মার্কেটসহ বাড়ি দখলের বিরোধের জেরে আদালতে মামলা দায়ের করা হলে উক্ত আর.এস দাগ নং ১১৪৯ জমির উপরে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন। এর পরেও মোশাররফ হোসেন ও তার ছোট জামাই সোহেল রানা আদালতের আইন অমান্য করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গত ১ বছর ধরে তার নামে থাকা একটি মার্কেটসহ বাড়ী জোর পূর্বক দখল করে নেন। সে সঙ্গে বাড়ি ও মার্কেটের প্রতিমাসে ৩০ হাজার টাকা শশুর এবং তার ছোট জামাই উত্তোলন করে আসছেন। মার্কেটসহ বাড়ির বর্তমান মালিক এ.কে আজাদ দখল ছাড়তে বললে বিভিন্ন প্রকার হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে জানতে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনের মুঠোফোনে ঘটনার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ সম্পন্ন মিথ্যা।

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ