নগরকান্দায় ভ্যান গাড়ী চোর চক্রের দুই সদস্য আটক

মিজানুর রহমান নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ভবুকদিয়া বাস স্টেশন থেকে যাত্রী ভেসে নগরকান্দা বাজারে গিয়ে ভ্যান চুরি করে নিয়ে যাওয়া চোর অবশেষে জনতার হাতে ধরা পড়েন।২৩ সেপ্টেম্বর ভ্যান গাড়ি চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় সিসি ক্যামেরায় ধারন কৃত ফুটেজ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচার প্রকাশ হয়।৩০ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে সেই চোর স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে ভবুকদিয়া বাস স্ট্যান্ড দিয়ে ভ্যানগাড়ী

চালিয়ে যাওয়া সময় চুরি করে নিয়ে যাওয়া ভ্যান গাড়ীর মালিক সামিউল মুন্সি চোর চক্রদের চিনে ফেলে এবং ভ্যান চোর ভ্যান চোর বলে তাদের পিছু নেয় অবশেষে স্হানীয় লোকজন মোটরসাইকেল চালিয়ে ভ্যান চোর চক্রদের ধরতে সক্ষম হয়।স্হানীয় জনতা পুলিশকে খবর দিয়ে তাদের হাতে সোপর্দ করে।চোরের বাড়ি ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদহ ইউনিয়নের মৃধা কান্দা গ্রামর মিজানুরের ছেলে শাহীন ও সালথা উপজেলার জয় ঝাপ গ্রামের অজিত মোল্লার মেয়ে আকলিমা তারা দুই জন স্বামী – স্ত্রী বলে জানান। চোর শাহীন মোল্লা বলেন আমার সন্তানের চিকিৎসা করানোর টাকার প্রয়োজন হওয়ায় ভ্যান চুরি করে বিক্রি করে দিয়েছি।

নগরকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সফর আলী বলেন, স্হানীয় লোকজন যে দুই জনকে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে তাদের সব বিষয় ক্ষতিয়ে দেখে পরবর্তী ব্যবস্হা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাসযোগ্য নগরী গড়তে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই : সিডিএ চেয়ারম্যান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরও সবুজ, নান্দনিক ও বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন সিডিএ চেয়ারম্যান সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন। মঙ্গলবার সিডিএ প্রকল্প এলাকায় একটি নারিকেল ও একটি তালগাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, শুধু গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ হয় না; প্রতিটি চারাকে পূর্ণাঙ্গ বৃক্ষে পরিণত করতে নিয়মিত পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১৮০ দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২৮ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে সিডিএ। এর অংশ হিসেবে কর্ণফুলী নদীর তীর বরাবর কালুরঘাট সেতু থেকে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্প এলাকায় ১৪ হাজার বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, এলাকায় ইতোমধ্যে প্রায় আড়াই হাজার বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। বন বিভাগের সহযোগিতায় এখানে আরও ১৪ হাজার বৃক্ষ রোপণ করা হবে। এছাড়া ২৮ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অবশিষ্ট গাছগুলো সিডিএর বিভিন্ন প্রকল্প ও এলাকায় পর্যায়ক্রমে রোপণ করা হবে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে সিডিএর সদস্য (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ নূরুল্লাহ নুরী (অতিরিক্ত সচিব), সদস্য ও প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. জামিলুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ারুল নজরুল, প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ সিডিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ ও কার্যকর পরিচর্যার মাধ্যমে নগরের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতিটি গাছের যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দেন।

চট্টগ্রামের চন্দগাঁওয়ে সিআইএমসি’র সামনে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের চন্দগাঁও এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ (সিআইএমসি) ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং প্রবেশমুখের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। আজ মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) চন্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে এ সংক্রান্ত একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আবেদনে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখে রাস্তার পাশে কবরস্থানের সামনে কিছু অবৈধ দোকানপাট ও অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এসব স্থাপনা বর্তমানে কিশোর গ্যাং, মাদকসেবী, বখাটে এবং ছিনতাইকারীদের আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। এর ফলে মেডিকেল, ডেন্টাল ও নার্সিং কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ নারী রোগী ও তাদের স্বজনরা প্রতিনিয়ত ইভটিজিং বা যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

সিআইএমসি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, রাতের বেলায় এই এলাকায় মাদক সেবন ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব অবৈধ স্থাপনা অপরাধীদের জমায়েত হওয়ার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা ওই এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য হুমকিস্বরূপ।

সিআইএমসি’র অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মুসলিম উদ্দিন (সবুজ) স্বাক্ষরিত এই আবেদনে উল্লেখ করেন, চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ ও নার্সিং কলেজ নিয়ে গঠিত এই ক্যাম্পাসে প্রতিদিন প্রায় ১১০০ ছাত্র-ছাত্রী এবং ১০০০ জন শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মকর্তা যাতায়াত করেন

এছাড়া প্রতিদিন গড়ে ১২০০ জন রোগী ও তাদের স্বজন এই প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন।সকলের জন্য নিরাপদ পরিবেশ এবং নির্বিঘ্নে যাতায়াত নিশ্চিত করতে অবিলম্বে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য চন্দগাঁও থানা পুলিশের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ