আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

পঞ্চগড়ে চিনিকল চালুর দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

এলাহী সাগর,পঞ্চগড় প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গত চার বছর ধরে বন্ধ হয়ে থাকা পঞ্চগড়ের একমাত্র ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান পঞ্চগড় চিনিকল চালুর দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে পঞ্চগড় চিনিকলের সদ্য চুক্তিভিত্তিক চাকুরীচ্যুত শ্রমিক-কর্মচারী, আখচাষী ও ব্যবসায়ীরা। এসময় তারা বৈষম্য ও দুর্নীতির শিকার হওয়ার নানা অভিযোগ তুলেন।

পঞ্চগড়ের চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক কর্মচারী ও সর্বস্তরের জনগণ, গণঅধিকার পরিষদ পঞ্চগড় জেলা শাখা ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন পঞ্চগড় জেলা শাখার ব্যানারে রোববার (৬ অক্টোবর) দুপুরে পঞ্চগড়ের ধাক্কামাড়া ইউনিয়নের চিনিকল বাজারে পঞ্চগড়-ঢাকা জাতীয় মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে তারা। এতে স্থানীয়দের পাশাপাশি চিনিকল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ চার বছর থেকে পঞ্চগড় সুগার মিলে আখ মাড়াই বন্ধ রয়েছে। এতে করে হাজারও শ্রমিক বেকার হয়ে দূর্বিষহ দিন পার করছে। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে অন্যায়ভাবে আখ মাড়াই বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারন পঞ্চগড় সুগার মিলে চিনি মজুদ থাকা সত্ত্বেও ভারত থেকে চিনি আমদানী করেছেন তৎকালীন সরকারের প্রভাশালী লুটেরা প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপ। আওয়ামী লীগ সরকার কৌশলে সুগার মিলকে ক্ষতির মুখে ঠেলে দিয়ে মিলের কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। বর্তমান সরকারের কাছে সুগার মিলে আখ মাড়াই কার্যক্রম চালুর জন্য জোর দাবী জানান তারা। মিল চালুর দাবি মানা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়াড়ি উচ্চারণ করে বক্তারা।

এসময় বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও চিনিকলের ইক্ষু উন্নয়ন সহকারী সিডিএ আবু বক্কর সিদ্দিক (বাবু), পঞ্চগড় সুগার মিলের চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ আলম বুলেট, সাবেক শ্রমিক নেতা নায়েবুল ইসলাম, গণ অধিকার পরিষদ পঞ্চগড় শাখার আহ্বায়ক মাহাফুজার রহমান, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আরিফ উজ জামান, চিনিকল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গির আলম প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ